স্বামীকে বাঁচতে গিয়ে আহত অন্তঃসত্ত্বা, ভাঙচুর করা হয় সাংবাদিকের বাড়িও
-
Reporter Name - Update Time : ০৯:৪৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
- ১৬০ Time View

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ ময়মনসিংহের ত্রিশালে দুর্বৃত্তদের হামলা থেকে স্বামীকে বাঁচতে গিয়ে মারুফা বেগম (২৮) নামে অন্তঃসত্ত্বা এক নারী আহত হয়েছেন। তাকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় আহতের স্বামী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এসময় প্রতিপক্ষরা স্থানীয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ এর সম্পাদকের বাসায় হামলা ভাঙচুর করা হয়। রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ত্রিশাল পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে পূর্ব শুত্রুতার জেরে স্থানীয় বাবু মিয়া, তন্ময়, তোহা মিয়া, রতন মিয়া ও পারভেজসহ ১০-১২ জন রয়েল নামে এক যুবকের ওপর হামলা চালায়। এসময় স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে মারধরের শিকার হন মারুফা বেগম। একই সময়ে স্থানীয় আব্দুল জলিলের নির্দেশে রয়েলের ভায়রা ভাই খায়রুল আলম রফিকের হামলা ভাঙচুর করা হয়। সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিককে বাসায় না পেয়ে তার শ্যালিকা অন্তঃসত্ত্বা মারুফা বেগম, তার স্বামী রয়েল মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা মারুফা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ত্রিশাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। আহত মারুফা বেগমের স্বামী মো. রয়েল মিয়া বলেন, আমার বড় ভায়রা ভাইকে কয়েকদিন ধরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল হামলাকারীরা। আমি এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে আমাকেও হুমকি দেয় তারা। এরই অংশ হিসেবে আজ দুপুরে তারা আমার ওপর হামলা করলে আমার স্ত্রী আমাকে বাঁচাতে এসে সেও আহত হয়। আমার ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, ও সন্তানের ওপর হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আহত মারুফা বেগম বলেন, কিশোর গ্যাং প্রধান বাবু আমার বড় বোন জামাইকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। পরে তারা বাড়িতে এসে তাকে খোঁজাখুঁজি করে। তাকে বাড়িতে না পেয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলা করে। আমার স্বামীকে মারার সময় ফেরাতে গেলে আমাকে লাথি দিয়েছে, মারধর করেছে। অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল জলিল বলেন, আমি কোনোভাবেই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। আমার সামনে কয়েকজন যুবক হামলা করেছে। তাদের আমি চিনি না। অন্তঃসত্ত্বা নারীর ওপর হামলা হয়, সেটা অবশ্যই ন্যাক্কারজনক ও বুঝতে পারিনি। প্রকৃত হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। মারধরের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এবিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।























