“জয়িতা”
-
Reporter Name - Update Time : ০৩:৪০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩
- ১৪৫ Time View

মোশাররফ সোহেল
শিশির ভেজা ভোরের স্নিগ্ধতায়
আমি তোমাকে দেখি।
অনুভবের বহুমাত্রিকতায় বারবার খুঁজি
সে তুমি, প্রচন্ড দীর্ঘশ্বাসের তুমি।
গল্প-কথায়, আনন্দ – বেদনায়
সে তুমি, আমার চিরচেনা সেই তুমি।
ক্লান্তিকর দুপুরে অলস শরীরে
ঝিঁমিয়েপড়া যুবকের প্রচন্ড উদ্যমে
দ্যূতিময় ছন্দে বারবার ফিরে আসো সেই তুমি।
চোখ জুড়ানো সুন্দর, শিমুলবাগের সুন্দর
সেই সুন্দরে চির সুন্দর, সেই তুমি।
পত্রকুঁড়ির সবুজ, কোমল সবুজে
চিরসবুজ সেই তুমি, আমার চিরচেনা তুমি।
রাতের গভীরতায় রুপালি চাঁদের মিষ্টি হাসিতে
দূর তাঁরা হয়ে চিরজাগ্রত, সেই তুমি।
বেলা শেষে হারিয়ে যাওয়া সূর্যাস্তের রক্ত আঁখি
ব্যথার নীল জলে তুমি, শান্তির শেষ ঠিকানা সেই তুমি।
অর্থ কষ্ট, ব্যথার কষ্ট, আনন্দের কষ্ট
মূল্যহীন জীবনের প্রতিটি সংকটে
সে তুমি, মিষ্টি হাসির শিহরণের সেই তুমি।
অপ্রকাশিত শব্দ সম্ভারের ভীষণ আবেগে
তুমি, তুমি আমার সর্বজয়িতা সেই তুমি।
শৈশব, কৈশোর, যৌবন, ভাটি-বেলা
জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে কোথায় নেই
সেই তোমার সুন্দর স্বার্থক রূপায়ণ।
অন্ধ জনের চোখের আলো তুমি
দুঃখীজনের চরম ছায়া তুমি।
ব্যথিত জনের পরম মায়া সেই তুমি
আজও আমার নয়ন পানে জ্যোতি তুমি।
অনেক, অনেক কষ্টে হারিয়ে যাওয়া সেই তুমি
জয় নিয়েই জয়ী থাকো, হে জয়িতা তুমি।
হতে পারিনি জীবনানন্দ দাশ
লিখতে পারিনি বনলতা সেন
তবুও শুধু বলতে পারি—-
তুমি আমার বেলা-অবেলা-সারাবেলার মায়ার বাঁধন।


























