শিক্ষার্থী নিয়ে বড় দুর্ভোগে প্রধান শিক্ষক
-
Reporter Name - Update Time : ০৩:৩২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩
- ২৩৬ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ৬শত শিক্ষার্থী নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন প্রধান শিক্ষক। ক্লাশ রুমে ভেঁঙ্গে ফেলে রুম সংকটের কারণে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। রংপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর তিনবার লিখিত তাগাদা দেয়ার পরও টনক নড়েনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। নভেম্বর মাসে কাজ শুরু না করলে কার্যাদেশ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। জানা গেছে, সদর উপজেলার চন্দনপাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয় তলা ভিত বিশিষ্ট একতলা ভবনের কাজ শুরু হয় গত ১৮ জানুয়ারী। ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাদিবা ইন্টারন্যাশনাল কাজটি পায়। রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রাহগীর আল মাহি সাদ এরশাদ এর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের নয় মাস অতিবাহিত হলেও মাত্র ১১টি পিলার ও গর্ত খুড়ে রেখে নির্মাণ শেষে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বারবার ধরনা দিলেও কাজ হচ্ছে না। শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। সরেজমিন বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলটির কয়েকটি রুমে ছাত্র/ ছাত্রীদের গাদাগাদি করে বসিয়ে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে কোন রুমে দুটি কোন রুমে চারটি ফ্যান দিয়ে সামাল দেয়া হচ্ছে। আলাপকালে বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৃষ্টি রানী দাস, ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ রহমান ও নিশাত জাহান জানায়, শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে ছোট ছোট রুমে গাদাগাদি করে ক্লাস করানো হচ্ছে। এসব রুমে ক্লাস করতে তাদের ভালো লাগে না। তারা জানায়, বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ছিল নতুন ভবনে ক্লাস করবে। কিন্তু এরই মধ্যে শিক্ষার্থীদের অনেকেই এসএসসি দিয়ে বিদ্যালয় ছেড়েছে। চন্দনপাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে আমরা একটি ভবন পেয়েছিলাম। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে কাজ বন্ধ আছে। আমরা জানি না, কেন কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। অবকাঠামো সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সমস্যা হচ্ছে।’ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শফিউল আলম বাবু বলেন, নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বারবার চিঠি দেওয়া উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিদ্যালয় ভবনের কাজগুলো দ্রুত সম্পন্নের দাবি জানান তিনি। রংপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নির্মাণসামগ্রীর দামের ঊর্ধ্বগতির কারণ দেখিয়ে ঠিকাদার কাজ বন্ধ রেখেছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ১ মাসের মধ্যে যদি বিদ্যালয় ভবনের কাজ শুরু না করলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করা হবে।


























