Hi

ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক এ টি এম রবিউল করিমকে নারীপক্ষের সম্মাননা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪
  • ১৪৫ Time View

ফুলপুর প্রতিনিধি মোঃ কামরুল ইসলাম খান মোরা আকাশের মত বাধাহীন প্রতিপাদ্যে- নারীপক্ষ’র ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বীরাঙ্গনা সম্মিলনে সভাপতিত্ব করেন নারীপক্ষকে সভানেত্রী গীতা দাস। বেলা তিনটার দিকে সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ ভবনের হল রুমে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।আমাদের দৈনিক সবুজ এর ফুলপুরস্থ প্রতিনিধি এ টি এম রবিউল করিম মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখার জন্য তাঁকে সম্মাননা কেস্ট তুলে দেন গীতা দাস। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ডঃ ফেরদৌসী আজিম, একুশে পদকপ্রাপ্ত কাউচার চৌধুরী, নীলিমা ইব্রাহীমের মেয়ে রীতা ইব্রাহিম আহসান ও শবনম ফেরদৌসী প্রমুখ। বক্তরা বলেন, বীরমাতা বীরাঙ্গনারা এদেশের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তাঁদের সম্ভ্রমের কারণেই বাংলার মাটি পাক হানাদার মুক্ত হয়। বীরমাতাদের সামাজিক, মানসিক, রাজনৈতিক ও আর্থিক মুক্তি পেতে হবে। তাঁদেরকে অবিলম্বে সরকারী স্বীকৃত দিতে হবে। সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বীরাঙ্গনাদেরকে স্বীকৃতি দিবে তত মঙ্গল তাঁদের। ময়মনসিংহ, সিলেট, মৌলভীবাজার, রাজশাহী, রংপুর, গাইবান্ধা, টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ৪৮ জন বীরমাতা বীরাঙ্গনা উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সাংবাদিক এ টি এম রবিউল করিমকে নারীপক্ষের সম্মাননা

Update Time : ০৫:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

ফুলপুর প্রতিনিধি মোঃ কামরুল ইসলাম খান মোরা আকাশের মত বাধাহীন প্রতিপাদ্যে- নারীপক্ষ’র ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বীরাঙ্গনা সম্মিলনে সভাপতিত্ব করেন নারীপক্ষকে সভানেত্রী গীতা দাস। বেলা তিনটার দিকে সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ ভবনের হল রুমে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।আমাদের দৈনিক সবুজ এর ফুলপুরস্থ প্রতিনিধি এ টি এম রবিউল করিম মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখার জন্য তাঁকে সম্মাননা কেস্ট তুলে দেন গীতা দাস। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ডঃ ফেরদৌসী আজিম, একুশে পদকপ্রাপ্ত কাউচার চৌধুরী, নীলিমা ইব্রাহীমের মেয়ে রীতা ইব্রাহিম আহসান ও শবনম ফেরদৌসী প্রমুখ। বক্তরা বলেন, বীরমাতা বীরাঙ্গনারা এদেশের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তাঁদের সম্ভ্রমের কারণেই বাংলার মাটি পাক হানাদার মুক্ত হয়। বীরমাতাদের সামাজিক, মানসিক, রাজনৈতিক ও আর্থিক মুক্তি পেতে হবে। তাঁদেরকে অবিলম্বে সরকারী স্বীকৃত দিতে হবে। সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বীরাঙ্গনাদেরকে স্বীকৃতি দিবে তত মঙ্গল তাঁদের। ময়মনসিংহ, সিলেট, মৌলভীবাজার, রাজশাহী, রংপুর, গাইবান্ধা, টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ৪৮ জন বীরমাতা বীরাঙ্গনা উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।