Hi

ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সদর উপজেলায় আগাম প্রচারণা যুদ্ধ শুরু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪
  • ১০৭ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রংপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি দখলের জন্য আগাম প্রচারণা যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে ভোটের এ আগাম প্রচারণা যুদ্ধ। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে হরিদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সদর উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান মরহুম বদিউজ্জামান জামালের সন্তান ইকবাল হোসেন পায়ে হেঁটে প্রচারণার কাজ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে খলেয়া ইউনিয়নের পাঁচটি ওয়ার্ডের ভোটারদের কাছে দোয়া নেয়া সম্পন্ন করেছেন তিনি। এ্যাডভোকেট ফিরোজ কবির চৌধুরী গুঞ্জন মতবিনিময় সভা করছেন। রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাব্বির আহমেদ ও চন্দনপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান সম্ভব্য প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্য প্রার্থীরা দোয়া চেয়ে সেঁটেছেন পোষ্টার। নাছিমা জামান ববি সংরক্ষিত আসনের এমপি মনোনীত হওয়ায় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি ছেড়ে দিলে তফশীল ঘোষণার আগে প্রার্থীদের এই প্রচারণা যুদ্ধ ভোটারদের মধ্যে নান্দনিক ভোট উৎসবের ছাপ ফেলছে। চায়ের আড্ডায় চলছে ভোট নিয়ে বিশ্লেষণ। সম্ভব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে ইকবাল হোসেন, এ্যাডভোকেট ফিরোজ কবির চৌধুরী গুঞ্জন, ডাঃ দেলোয়ার হোসেন, রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাব্বির আহমেদ, আমিনুর রহমান, মাসুদ নবী মুন্না, সৈয়দ রাসেল, তোফা খান ও আব্দুল গনি। সম্ভব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে সাংবাদিক মহিউদ্দিন মখদুমী, মাসুদার রহমান মিলন, মাহফুজার রহমান, তারেক মিয়া ও কৃঞ্ষ চন্দ্র বর্মন স্বাধীন প্রমুখ । উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের হয়ে নৌকা প্রতিকে ২৩ হাজার ৯শত ২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন নাছিমা জামান ববি। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ দেলোয়ার হোসেন পেয়েছিল ১৬ হাজার ৬শত ১৯ ভোট, জাতীয় পার্টির ফারুক মিয়া পেয়েছিল ১৪ হাজার ৩শত ৩ ভোট, মাসুদ নবী মুন্না মোটরসাইকেল প্রতিকে পেয়েছিল ৫ হাজার ৪শত ১৮ ভোট। বিএনপির বহিস্কৃত প্রার্থী এবং সকাল ১১টায় ভোট বর্জন করে সৈয়দ রাসেল আনারস প্রতিকে পেয়েছিল ১ হাজার ৭শত ৩৭ ভোট এবং এনপিপির আতোয়ার রহমান আম প্রতিক পেয়েছিল ১ হাজার ৫ ভোট। পাঁচটি ইউনিয়নের ১ লাখ ২০ হাজার ১শত ৬১ জন ভোটারের ৪৭টি কেন্দ্রে মোট বৈধ ভোট পড়েছিল ৬৩ হাজার ৪শত ৭৩ টি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ভালুকায় মহান মে দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সদর উপজেলায় আগাম প্রচারণা যুদ্ধ শুরু

Update Time : ০৫:৫২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রংপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি দখলের জন্য আগাম প্রচারণা যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে ভোটের এ আগাম প্রচারণা যুদ্ধ। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে হরিদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সদর উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান মরহুম বদিউজ্জামান জামালের সন্তান ইকবাল হোসেন পায়ে হেঁটে প্রচারণার কাজ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে খলেয়া ইউনিয়নের পাঁচটি ওয়ার্ডের ভোটারদের কাছে দোয়া নেয়া সম্পন্ন করেছেন তিনি। এ্যাডভোকেট ফিরোজ কবির চৌধুরী গুঞ্জন মতবিনিময় সভা করছেন। রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাব্বির আহমেদ ও চন্দনপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান সম্ভব্য প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্য প্রার্থীরা দোয়া চেয়ে সেঁটেছেন পোষ্টার। নাছিমা জামান ববি সংরক্ষিত আসনের এমপি মনোনীত হওয়ায় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি ছেড়ে দিলে তফশীল ঘোষণার আগে প্রার্থীদের এই প্রচারণা যুদ্ধ ভোটারদের মধ্যে নান্দনিক ভোট উৎসবের ছাপ ফেলছে। চায়ের আড্ডায় চলছে ভোট নিয়ে বিশ্লেষণ। সম্ভব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে ইকবাল হোসেন, এ্যাডভোকেট ফিরোজ কবির চৌধুরী গুঞ্জন, ডাঃ দেলোয়ার হোসেন, রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাব্বির আহমেদ, আমিনুর রহমান, মাসুদ নবী মুন্না, সৈয়দ রাসেল, তোফা খান ও আব্দুল গনি। সম্ভব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে সাংবাদিক মহিউদ্দিন মখদুমী, মাসুদার রহমান মিলন, মাহফুজার রহমান, তারেক মিয়া ও কৃঞ্ষ চন্দ্র বর্মন স্বাধীন প্রমুখ । উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের হয়ে নৌকা প্রতিকে ২৩ হাজার ৯শত ২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন নাছিমা জামান ববি। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ দেলোয়ার হোসেন পেয়েছিল ১৬ হাজার ৬শত ১৯ ভোট, জাতীয় পার্টির ফারুক মিয়া পেয়েছিল ১৪ হাজার ৩শত ৩ ভোট, মাসুদ নবী মুন্না মোটরসাইকেল প্রতিকে পেয়েছিল ৫ হাজার ৪শত ১৮ ভোট। বিএনপির বহিস্কৃত প্রার্থী এবং সকাল ১১টায় ভোট বর্জন করে সৈয়দ রাসেল আনারস প্রতিকে পেয়েছিল ১ হাজার ৭শত ৩৭ ভোট এবং এনপিপির আতোয়ার রহমান আম প্রতিক পেয়েছিল ১ হাজার ৫ ভোট। পাঁচটি ইউনিয়নের ১ লাখ ২০ হাজার ১শত ৬১ জন ভোটারের ৪৭টি কেন্দ্রে মোট বৈধ ভোট পড়েছিল ৬৩ হাজার ৪শত ৭৩ টি।