মান্দায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ, মালামাল লুটপাট ও চাঁদা দাবীর অভিযোগ
-
Reporter Name - Update Time : ০৯:৩৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪
- ১৪১ Time View

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ, মালামাল লুটপাট ও চাঁদা দাবীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দেলুয়াবাড়ি বাজারে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সোমবার দুপুরে কালিসফা গ্রামের মৃত কিশোরী মোহনের ছেলে শংকর সাহা (৩৪) ও জীবন সাহা (৩০), চিত্ত সাহার ছেলে জয় কুমার (২৪) এবং পাকুড়িয়া গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে মাসুদ রানা (৩৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প ও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভূক্তভোগী তারেক হোসেন ।
অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, কালিসফা গ্রামের ভূক্তভোগী মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে তারেক হোসেন পেশায় একজন ঔষুধ ব্যবসায়ী। দেলুয়াবাড়ী বাজারের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন “আল রাফি ফার্মেসী” নামে তার একটি ঔষধের দোকান রয়েছে। উক্ত দোকানটিতে তিনি দীর্ঘ ৫/৬ বছর পূর্ব থেকে সুনামের সহিত পরিচালনা করে আসছেন। উক্ত জমিটি জনৈক জনা ওরাউ এর নিকট থেকে ২০২২ সালে ১০ বছরের চুক্তিতে ভাড়ায় গ্রহণ করেন। এমতাবস্থায় গত ২১ মার্চ রাত ১০ টার পর হতে ২২ মার্চ ভোর ৪ টার মধ্যে যে কোন সময় উপরোক্ত বিবাদীগণ তার অনুপস্থিতিতে তার ফার্মেসী দোকানের দুই পাশেই সার্টারের সঙ্গে লাগিয়ে ইট, বালু সিমেন্ট দিয়ে প্রাচীর নির্মান করেন। এতে করে তার দোকান ঘড় খোলাসহ দোকানে প্রবেশ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি তার দোকানে গিয়ে ঘটনার সত্যতা দেখতে পান। ওইদিনের পর থেকে তিনি তার ফার্মেসীতে প্রবেশ করতে পারছিলেন না। এরপর গত ১৮ আগস্ট সেনাবাহিনীর সহযোগীতায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি খুলে দেখা যায় যে, সেখানে কোন প্রকার মালামাল নেই। প্রতিপক্ষের লোকজন সবকিছু লুটপাট করে নিয়ে গেছে। এসময় তার ফার্মেসীতে প্রায় ১২ লক্ষধিক টাকার ঔষধ,৩টি সিসিটিভি ক্যামেরা, ১টি মনিটর, ১টি ফ্রিজ, ১টি ল্যাপটপ, ৩টি ব্যাংকের চেক, ড্রাগ লাইসেন্স, প্রায় ৬ লক্ষ টাকার বাঁকীর খাতা, নগদ ক্যাশ ৩৬ হাজার টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায় প্রতিপক্ষের লোকজন । এতে তিনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। এর আগেও প্রতিপক্ষের লোকজন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন । তাদের দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে না পারায় প্রতিনিয়ত প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে আসছিলেন। এমনকি তারা বিভিন্ন মাদক দ্রব্য নিজস্ব পরিবহনে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা এবং চোরাই মাইক্রো/মোটরসাইলে কেনা-বেচার সঙ্গে জড়িত। এব্যাপারে জানার জন্য অভিযুক্তদের কাউকে না পাওয়ায় তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।


















