বিজিবি ও টিসিবির চাউল নিয়ে লুটপাটের অভিযোগ উঠছে মোতাহার ও কালামের বিরুদ্ধে
-
Reporter Name - Update Time : ১২:০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
- ১০৬ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক
লালমোহন উপজেলা চড়বোতা ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ মানুষের বিজিবির কার্ডের চাউল বিতরন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠছে সভাপতি কালাম ও সেক্রেটারি মোতাহের সহ কিছু ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে। তথ্য সূত্রে জানা গেছে ৫০ কেজি ওজনের চাউলের বস্তা নিয়ে যেতে দেখা যায়। ২০ কেজি করে চাউল দিয়ে সাধারণ মানুষের মুখ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। মোতাহার ও কালাম বাহিনী দিয়ে সাধারণ মানুষ কে পরিষদের ভিতরে থেকে ধাক্কা দিয়ে বাহির করে দেয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তথ্য সূত্রে আরও জানা গেছে এইসব ক্যাডার বাহিনী বেতুয়ার খাল খননের টেন্ডার পাওয়া ঠিকাদার থেকে মোটা অংকের চাঁদাদাবি করে চাঁদা না দেওয়ার কারণে খাল খননের কাজে নিয়োজিত ভেকু ব্যাটারী চুরি করার অভিযোগ উঠছে। রাতের অন্ধকার খালের ভাদ কেটে দেয় ভাদ কেটে দেওয়ার সময় হাতেনাতে পুলিশ দুইজনকে ধরেন। এসময় সঙ্গে ছিলেন, ১৫ হতে ২০ জন। পুলিশ আসার সাথে সাথে বাকিরা পালিয়ে যায়।
বিগত আগেও লালমোহন থানায় মোঃ আবুল কালাম নামে (৫৫)বছরের এক যুবক অভিযোগ করেও আইনী সহযোগিতা পাচ্ছেন না।
এবিষয়ে আবুল কালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদমাধ্যম কে বলেন,বিবাদী মোঃ চাঁন মিয়াসহ ২০/২৫ জন মিলে হামলা চালান। এইসব চাঁদাবাজরা দীর্ঘদিন আঃমীগের দালাল ছিলেন,বর্তমানে বিএনপির সাইনবোর্ড ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে চাঁদার জন্য আমার উপরে হামলা চালান।
তিনি আরও বলেন,এজাহারনামীয় আসামী’সহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় গত ২২ তারিখে একটি এজাহার দায়ের করি।আমি পেশায় একজন ঠিকাদার। আমি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন ঠিকাদারী কাজ করে আসতেছি।
চরফ্যাশন পানি উন্নয়ন বোর্ড হতে ১৯ (উনিশ) কোটি টাকা বাজেট মূল্যে ভোলা জেলার অনুমানিক ৯ টা৫৫ মিনিটের সময় লালমোহন থানার তেঁতুলিয়া নদী হইতে মেঘনা নদী পর্যন্ত ১৯ কিঃ মিঃ বেতুয়া নদী পুনঃ খনন কাজের বাজেট আমার হয়। লালমোহন আমি আমার লোকজন এবং খাল খনন কাজের ২৫টি ভেকু (মাটি খনন কাজে ব্যবহৃত) ধলীনগর হরিগঞ্জ বাজার সংগা বেতুয়া খাল পাড়ে অবস্থান করি। তেঁতুলিয়া নদী এবং মেঘনা নদী হতে পানি আসলে আমাদের নদী খনন কাজে বাধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য দুই পাশে বাধ নির্মান করি, নদী খনন কাজ শুরু করি। ২২৩১/৩১ তাং দিনের বেলা কাজ শেষ করে রাতে খাল খনন কাজ বন্ধ রাখি।
তথ্য সূত্রে জানা গেছে এমপি মেজর হাফিজের নাম ভাঙিয়ে মোতাহের হোসেন লুটপাট ও জায়গা জমিন দখল সহ নানা কাজে ব্যস্ত থাকেন।মোতাহের এর জ্বালায় একালাবাসিরা অতিষ্ঠ।





















