ভাংচুর লুটপাট ও চুরির ঘটনায় থানায় মামলা
-
Reporter Name - Update Time : ০৪:০৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩
- ১৬৬ Time View

নেত্রকোনা সংবাদদাতা :- নেত্রকোনা কেন্দুয়া উপজেলা নওপাড়া ইউনিয়ন পাছহার বড় বাড়ি গ্রামে বাড়ির জায়গা জমি নিয়ে পূর্বের বিরোধের জেরে ভাংচুর ,চুরি ও লুটপাট ও থানায় মামলা রুজু করা আছে। মামলা নং ০৬ তাং ০৮/১০/২০২৩ ইং ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩৪১/৩৭৯/৩৮০/৪২৭/৫০৬(২) ৩৪ পেনাল কোড। সূত্রে বর্নিত মামলা সংক্রান্ত সন্দিগ্ধ গ্রেফতারকৃত আসামি (১) মো: হুমায়ুন কবীর (২৬) পিতামৃত-আব্দল খালেক মাতা: রৌশনারা সাং জালালপুর ১০ নং কান্দিউরা ইউনিয়ন কেন্দুয়া জেলা নেত্রকোনা। আসামিকে প্রয়োজনীয় পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ পূর্বক এই প্রতিবেদন দাখিল করিতেছে যে- ০৯/১১/২৩ইং তারিখে রাত ৮.৩০ ঘটিকার সময় কেন্দুয়া থানাধীন ১০নং কান্দিউরা ইউনিয়নে গোগ বাজারে ব্রিজের দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার উপর উক্ত আসামিকে সূত্রে বর্নিত মামলার ক্ষতিগ্রস্থ ভাংচুরকৃত ঘরের চোরাই মালামাল নিয়ে যাওয়ার সময় বাদীর পক্ষের লোকজনে দেওয়া সংবাদ ও সনাক্তের ভিওিতে স্বাক্ষীগনের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা মুলে চোরাই উদ্ধারকৃত মালামালে আলামত ১/ ক্ষতিগ্রস্থ ঘরের কাঠের বর্গা ভিবিন্ন সাইজে মোট -৩৬(ছয়ত্রিশ)টি ২/ সবুজ রঙের এর ১০ ফুট ঢেউটিন -২৩টি ৩/ সবুজ রঙের এর ০৯ফুট ঢেউটিন –১৫টি ৪/ সবুজ রঙের এর টিনের ঘরের টুই ভিবিন্ন সাইজে -১১টি ৫/ সবুজ রঙের এর ভিবিন্ন সাইজে ঢেউটিনের টুকরা – ৩০টি সর্বমোট মূল্য আনুমানিক -১,৭৫,০০০/- (এক লক্ষ পচান্তই হাজার ) টাকা ৬/সেলু মেশিন দ্বারা ইন্জিন চালিত চার চাকা বিশিষ্ট ০১টি হেন্ডট্টলি গাড়ি যাহা দ্বারা জব্দকৃত মালামাল বহন করেছিল মূল্য আনুমানিক -১০০০০০/-(এক লক্ষ ) টাকা জব্দ করি। ধৃত আসামিসহ আলামত হেফাজতে নেই। ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তিনি জানান-।১/ জৈনক রুহুল আমিন (৫০) পিতামৃত রজবালী মুন্সি সাং জালালপুর ও ২/ মোঃ ভিক্ষু মিয়া (৩২) পিতা ডেন্ডু মিয়া সাং বিষ্ণুপুর উভয় থানা কেন্দুয়া জেলা নেত্রকোনাদ্বয়-১০০০/- টাকা ভাড়া করে একই থানাধীন পাশাপাশি নওপাড়া ইউনিয়নে পাছহার বড় বাড়ি সাকিনের মামলা এজাহার নামীয় ১ নং বিবাদী মো: আমাতুল ২ নং নিজাম উদ্দিন ৩নং মো: সাফায়েত সর্বপিতা মো: নুর উদ্দিন ও ৯নং কোকিল পিতামৃত – সামছু উদ্দিন সর্ব সাং পাছহার বড় বাড়ি থানা কেন্দুয়া জেলা নেত্রকোনা দের বাড়িতে উক্ত মালামাল বিবাদীদের ঘরের ভিতরে মালামাল লোকানো ছিল। উক্ত বিবাদীগন বাহির করে দেওয়া মতে ও তাদের সহায়তায় জব্দকৃত মালামাল হেন্ডট্টলিতে তোলেদেন।উদ্ধারকৃত চোরাই মাল ধৃত ব্যক্তির হেফাজতে পাওয়া, তাহার বিরুদ্ধে পেনাল কোডে -৪১১ ধারার অপরাধ বিদ্যমান আছে। প্রাথমিক তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত ব্যক্তি অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। আরও বিস্তারিত তদন্তে প্রয়োজন আছে। মামলার আই ইউ কাছে যোগাযোগ করিলে তিনি বলেন – আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত আছে। পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।












