Hi

ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গত তিন মাসে ভরাডোবা টু সাগরদিঘী রোডে ঝরল ৫ প্রাণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩
  • ২৩৩ Time View

আবু ইউসুফ ভালুকা ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।
চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ভরাডোবা টু সাগরদিঘী সড়কে দুর্ঘটনা হয়েছে ১০টি মত। এর মধ্যে ৪টি মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনা। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে স্থানীয় দের থেকে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় লোকজন ও জাতীয় দৈনিক, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয় এই প্রতিবেদনটি।

স্থানীয়রা বলেন, ভরাডোবা টু সাগরদিঘী সড়কে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৭টি। এতে নিহত হয়েছেন ৫ জন, আর ৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতের মধ্যে নারী ০ ও শিশু ১ জন। এছাড়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার প্রাণ হারায় ৫ জন।
উল্লেখযোগ্য, গত ২৩ জুন একই রোডে মেদুয়ারী বাঘ সাতরা মৃধাবাড়ি এলাকায় মসজিদের ইমাম মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পিতা পুত্রের মৃত্যু হয়েছে, উথুরা বাজারে দুই জন মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু , বান্দিয়া এলাকায় গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনা বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, অন্য জেলা থেকে রাতে রওনা করা দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক গুলো এই সড়কে প্রবেশের সময় বেপরোয়া গতিতে চলে। টানা কয়েক ঘণ্টা বাস ও ট্রাক চালানোর কারণে চালকের চোখেও ঘুম ঘুম ভাবথাকে। অটোরিক্সা ও মটরসাইকেল ধাক্কা দেওয়ার কারণ, বেপরোয়া গতি ও চালকের ক্লান্তি। অন্যদিকে যাত্রীবাহী ভ্যানে বালুবোঝাই যে ট্রাক্টর আঘাত করেছে, সেটির পণ্য বোঝাই করে চলার কথা নয়। এর কারণ, এই ট্রাক্টর শুধু জমি চাষের জন্য ব্যবহার করার কথা।
অন্যদিকে মেদুয়ারী নিঝুরী এলাকায় গার্মেন্টস কোম্পানী থাকায় জনবহুল ঐ এলাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয় যানজটের কারণে। এবং উথুরা বাজারে নির্দিষ্ট বাস স্ট্যান্ড না থাকায় সড়কে পার্কিং থাকে সিএনজিগুলো, এতে যানজটের সৃষ্টি হয় বলে মনে করেন যাত্রীরা।
ঈদ সহ বড় ধরনের কোন সরকারি ছুটি পেলে এসব জায়গায় যানজটের সৃষ্টি হয় এতে যাত্রীদের ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
এ দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই ও প্রশাসনের চোখ থেকেও যেন নেই বলছেন স্থানীয়রা।

বাস ও ট্রাক চালকরা বলেন, রাস্তাটি ছোট হওয়ায় একটি ট্রাক সামনে থেকে আসলে আরেকটি ট্রাকে গাড়ি ভাড়া করে সাইট দিতে হয়, মোটরসাইকেল অটোরিক্সা তো আছেই, তবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবী দ্রুত এই সড়কটি বড় করে সংস্কারের দেওয়ার জন্য, রাস্তাটি বড় হলে যানজট কমবে ও দুর্ঘটনাও কমবে বলে আশা করছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

রামিসার হত্যাকারীর বিচার আগামী এক মাসের মধ্যে নিশ্চিত করবো সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড- প্রধানমন্ত্রী

গত তিন মাসে ভরাডোবা টু সাগরদিঘী রোডে ঝরল ৫ প্রাণ

Update Time : ০৮:৪৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩

আবু ইউসুফ ভালুকা ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।
চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ভরাডোবা টু সাগরদিঘী সড়কে দুর্ঘটনা হয়েছে ১০টি মত। এর মধ্যে ৪টি মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনা। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে স্থানীয় দের থেকে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় লোকজন ও জাতীয় দৈনিক, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয় এই প্রতিবেদনটি।

স্থানীয়রা বলেন, ভরাডোবা টু সাগরদিঘী সড়কে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৭টি। এতে নিহত হয়েছেন ৫ জন, আর ৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতের মধ্যে নারী ০ ও শিশু ১ জন। এছাড়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার প্রাণ হারায় ৫ জন।
উল্লেখযোগ্য, গত ২৩ জুন একই রোডে মেদুয়ারী বাঘ সাতরা মৃধাবাড়ি এলাকায় মসজিদের ইমাম মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পিতা পুত্রের মৃত্যু হয়েছে, উথুরা বাজারে দুই জন মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু , বান্দিয়া এলাকায় গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনা বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, অন্য জেলা থেকে রাতে রওনা করা দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক গুলো এই সড়কে প্রবেশের সময় বেপরোয়া গতিতে চলে। টানা কয়েক ঘণ্টা বাস ও ট্রাক চালানোর কারণে চালকের চোখেও ঘুম ঘুম ভাবথাকে। অটোরিক্সা ও মটরসাইকেল ধাক্কা দেওয়ার কারণ, বেপরোয়া গতি ও চালকের ক্লান্তি। অন্যদিকে যাত্রীবাহী ভ্যানে বালুবোঝাই যে ট্রাক্টর আঘাত করেছে, সেটির পণ্য বোঝাই করে চলার কথা নয়। এর কারণ, এই ট্রাক্টর শুধু জমি চাষের জন্য ব্যবহার করার কথা।
অন্যদিকে মেদুয়ারী নিঝুরী এলাকায় গার্মেন্টস কোম্পানী থাকায় জনবহুল ঐ এলাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয় যানজটের কারণে। এবং উথুরা বাজারে নির্দিষ্ট বাস স্ট্যান্ড না থাকায় সড়কে পার্কিং থাকে সিএনজিগুলো, এতে যানজটের সৃষ্টি হয় বলে মনে করেন যাত্রীরা।
ঈদ সহ বড় ধরনের কোন সরকারি ছুটি পেলে এসব জায়গায় যানজটের সৃষ্টি হয় এতে যাত্রীদের ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
এ দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই ও প্রশাসনের চোখ থেকেও যেন নেই বলছেন স্থানীয়রা।

বাস ও ট্রাক চালকরা বলেন, রাস্তাটি ছোট হওয়ায় একটি ট্রাক সামনে থেকে আসলে আরেকটি ট্রাকে গাড়ি ভাড়া করে সাইট দিতে হয়, মোটরসাইকেল অটোরিক্সা তো আছেই, তবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবী দ্রুত এই সড়কটি বড় করে সংস্কারের দেওয়ার জন্য, রাস্তাটি বড় হলে যানজট কমবে ও দুর্ঘটনাও কমবে বলে আশা করছি।