Hi

ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাথায় হেলমেট, তবু কতটা নিরাপদ সহযাত্রী?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৬ Time View

আশিক বিল্লাহ: 
ঢাকার রাস্তায় রাইড শেয়ারিং বা অ্যাপভিত্তিক মোটরসাইকেল সেবায় চলাচলের সময় একটি পরিচিত দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়। চালকের মাথায় থাকে নিজের হেলমেট, আর সহযাত্রীর জন্য সিটের নিচ থেকে বা আয়নার পাশে ঝুলিয়ে বের করা হয় আরেকটি হেলমেট। কখনো সেই হেলমেটের কাচ ঘোলা, কখনো চিবুকের ফিতা ঢিলা, কখনো বকল নষ্ট, আবার কখনো ভেতরের ফোম এতটাই বসে গেছে যে সেটি মাথায় ঠিকভাবে বসেই না।
যাত্রীর হাতে সাধারণত খুব বেশি সময় থাকে না। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে বলে তিনি হেলমেটটি মাথায় দিয়েই মোটরসাইকেলে উঠে পড়েন। কিন্তু এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকে যায়-এই হেলমেটটি কি সত্যিই দুর্ঘটনার সময় সুরক্ষা দিতে পারবে, নাকি শুধু ট্রাফিক পুলিশ দেখলে বলা যাবে যে হেলমেট ব্যবহার করা হয়েছে?
বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৯ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের চালক ও সহযাত্রী দুজনের জন্যই হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে একজনের বেশি সহযাত্রী বহনের সুযোগও নেই। আইনটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে আইন মেনে চলা আর বাস্তবে নিরাপদ থাকা সব সময় এক বিষয় নয়। মাথায় কিছু একটা থাকলেই সেটি নিরাপদ হেলমেট হয়ে যায় না।
দুর্ঘটনার সময় একটি হেলমেটের কার্যকারিতা নির্ভর করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর যেমন- বাইরের শক্ত খোলস, ভেতরের আঘাত শোষণকারী স্তর, সঠিক ফিটিং এবং চিবুকের ফিতার দৃঢ়তা। হেলমেট যদি ঢিলা হয়, বকল নষ্ট থাকে, ফিতা ঠিকভাবে কাজ না করে বা আগের কোনো আঘাতে ভেতরের ফোম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে সেটি মাথায় থাকলেও প্রয়োজনের মুহূর্তে যথাযথ সুরক্ষা দিতে নাও পারে।
বাংলাদেশে মোটরসাইকেল, স্কুটার ও বৈদ্যুতিক দুই চাকার যানবাহনের আরোহীদের জন্য হেলমেটের একটি জাতীয় মান রয়েছে ;বিডিএস ১১৩৬:২০২২। এই মানদণ্ডে হেলমেটের গঠন, উপাদান, আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা এবং অন্যান্য কারিগরি নিরাপত্তা বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ একটি নিরাপদ হেলমেট তৈরি ও ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট পরীক্ষা ও মান পূরণ করা প্রয়োজন।
কিন্তু রাইড শেয়ারিংয়ের বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। চালকের নিজের হেলমেট সাধারণত ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিস। তিনি সেটি নিয়মিত ব্যবহার করেন এবং অনেক সময় যত্নেও রাখেন। কিন্তু সহযাত্রীর জন্য রাখা হেলমেটটি হয়ে যায় এক ধরনের ‘কমন হেলমেট’। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বহু মানুষ এটি ব্যবহার করেন। কারও মাথায় ছোট, কারও মাথায় বড়। কেউ ফিতা ঠিকভাবে বাঁধেন, কেউ বাঁধেন না। কেউ নামার সময় সিটের ওপর রেখে যান, কেউ হাত থেকে ফেলে দেন। ফলে এই হেলমেটগুলোর অবস্থা দ্রুত খারাপ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এই জায়গাটিই সবচেয়ে বেশি ভাবার বিষয়।
একজন অফিস ফেরত মানুষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, হাসপাতালগামী স্বজন কিংবা রাতের বেলায় একা চলাচল করা নারী অনেকেই নিজের হেলমেট সঙ্গে নিয়ে বের হন না। রাইড শেয়ারিং চালক যে হেলমেটটি দেন, সেটিই তাঁদের একমাত্র ভরসা। তাই সহযাত্রীর নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায় শুধু তাঁর নিজের ওপর চাপিয়ে দিলে হবে না। এখানে চালক, রাইড শেয়ারিং কোম্পানি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সবারই দায়িত্ব রয়েছে।
চালকের দায়িত্ব হলো, দ্বিতীয় হেলমেটটি শুধু সঙ্গে রাখা নয় বরং, সেটি ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় রাখা। চিবুকের ফিতা ঠিক আছে কি না, বকল ভাঙা কি না, বাইরের খোলসে ফাটল রয়েছে কি না, ভেতরের ফোম নষ্ট হয়েছে কি না এসব নিয়মিত পরীক্ষা করা । কারণ হেলমেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়টি হলো দুর্ঘটনার কয়েক সেকেন্ড। সেই মুহূর্তে যদি ফিতা খুলে যায় বা হেলমেট মাথা থেকে সরে পড়ে, তাহলে সেটি মাথায় থাকার কোনো বাস্তব অর্থ থাকে না।
রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলোরও এখানে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। চালক অ্যাপে সক্রিয় আছেন কি না বা তাঁর কাগজপত্র ঠিক আছে কি না শুধু এটুকু দেখলেই চলবে না। সহযাত্রীর জন্য দেওয়া হেলমেটটি মানসম্মত কি না, ব্যবহারযোগ্য কি না এবং নিয়মিত পরিবর্তন করা হচ্ছে কি না এসব বিষয়েও নজরদারি থাকা দরকার। প্রয়োজনে অ্যাপভিত্তিক হেলমেট যাচাই, অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা এবং মানহীন হেলমেট ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
এখানে একটি সামাজিক বাস্তবতাও রয়েছে। অনেক সহযাত্রী হেলমেটটি ভালো নয় বুঝলেও কিছু বলেন না। তাঁদের মনে হয়, “কয়েক মিনিটের পথ, কিছু হবে না।” কিন্তু দুর্ঘটনা সময় দেখে আসে না। পাঁচ মিনিটের রাস্তাতেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, আর মাথায় আঘাতের ফল অনেক সময় সারাজীবনের জন্য বয়ে বেড়াতে হয়।
সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের একটি বড় সমস্যা হলো, আমরা প্রায়ই নিয়মের বাইরের দিকটাই দেখি; নিয়মটির মূল উদ্দেশ্যটি দেখি না। হেলমেট পরার আইন করা হয়েছে শুধু জরিমানা বাড়ানোর জন্য নয়, মানুষের মাথা ও জীবন রক্ষার জন্য। কিন্তু যদি হেলমেটের মান, ফিটিং এবং ব্যবহারযোগ্যতা নিশ্চিত না হয়, তাহলে আইন কাগজে থাকবে, আর ঝুঁকি থেকে যাবে রাস্তায়।
সহযাত্রীর জন্য দেওয়া হেলমেটকে তাই আর “অতিরিক্ত একটি হেলমেট” হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি কারও অফিস থেকে নিরাপদে বাড়ি ফেরার পথ, কারও সন্তানের কাছে ফিরে যাওয়ার পথ, কারও পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষের জীবন রক্ষার অংশ।
হেলমেট আছে এটি অবশ্যই ভালো খবর।
কিন্তু হেলমেটটি সত্যিই সুরক্ষা দেয় কি না, সেই প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর পাওয়া এখন আরও জরুরি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

মধুপুরে চাঁদের হাঁসি রেস্টুরেন্ট নিয়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মাথায় হেলমেট, তবু কতটা নিরাপদ সহযাত্রী?

Update Time : ০৯:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আশিক বিল্লাহ: 
ঢাকার রাস্তায় রাইড শেয়ারিং বা অ্যাপভিত্তিক মোটরসাইকেল সেবায় চলাচলের সময় একটি পরিচিত দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়। চালকের মাথায় থাকে নিজের হেলমেট, আর সহযাত্রীর জন্য সিটের নিচ থেকে বা আয়নার পাশে ঝুলিয়ে বের করা হয় আরেকটি হেলমেট। কখনো সেই হেলমেটের কাচ ঘোলা, কখনো চিবুকের ফিতা ঢিলা, কখনো বকল নষ্ট, আবার কখনো ভেতরের ফোম এতটাই বসে গেছে যে সেটি মাথায় ঠিকভাবে বসেই না।
যাত্রীর হাতে সাধারণত খুব বেশি সময় থাকে না। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে বলে তিনি হেলমেটটি মাথায় দিয়েই মোটরসাইকেলে উঠে পড়েন। কিন্তু এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকে যায়-এই হেলমেটটি কি সত্যিই দুর্ঘটনার সময় সুরক্ষা দিতে পারবে, নাকি শুধু ট্রাফিক পুলিশ দেখলে বলা যাবে যে হেলমেট ব্যবহার করা হয়েছে?
বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৯ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের চালক ও সহযাত্রী দুজনের জন্যই হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে একজনের বেশি সহযাত্রী বহনের সুযোগও নেই। আইনটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে আইন মেনে চলা আর বাস্তবে নিরাপদ থাকা সব সময় এক বিষয় নয়। মাথায় কিছু একটা থাকলেই সেটি নিরাপদ হেলমেট হয়ে যায় না।
দুর্ঘটনার সময় একটি হেলমেটের কার্যকারিতা নির্ভর করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর যেমন- বাইরের শক্ত খোলস, ভেতরের আঘাত শোষণকারী স্তর, সঠিক ফিটিং এবং চিবুকের ফিতার দৃঢ়তা। হেলমেট যদি ঢিলা হয়, বকল নষ্ট থাকে, ফিতা ঠিকভাবে কাজ না করে বা আগের কোনো আঘাতে ভেতরের ফোম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে সেটি মাথায় থাকলেও প্রয়োজনের মুহূর্তে যথাযথ সুরক্ষা দিতে নাও পারে।
বাংলাদেশে মোটরসাইকেল, স্কুটার ও বৈদ্যুতিক দুই চাকার যানবাহনের আরোহীদের জন্য হেলমেটের একটি জাতীয় মান রয়েছে ;বিডিএস ১১৩৬:২০২২। এই মানদণ্ডে হেলমেটের গঠন, উপাদান, আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা এবং অন্যান্য কারিগরি নিরাপত্তা বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ একটি নিরাপদ হেলমেট তৈরি ও ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট পরীক্ষা ও মান পূরণ করা প্রয়োজন।
কিন্তু রাইড শেয়ারিংয়ের বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। চালকের নিজের হেলমেট সাধারণত ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিস। তিনি সেটি নিয়মিত ব্যবহার করেন এবং অনেক সময় যত্নেও রাখেন। কিন্তু সহযাত্রীর জন্য রাখা হেলমেটটি হয়ে যায় এক ধরনের ‘কমন হেলমেট’। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বহু মানুষ এটি ব্যবহার করেন। কারও মাথায় ছোট, কারও মাথায় বড়। কেউ ফিতা ঠিকভাবে বাঁধেন, কেউ বাঁধেন না। কেউ নামার সময় সিটের ওপর রেখে যান, কেউ হাত থেকে ফেলে দেন। ফলে এই হেলমেটগুলোর অবস্থা দ্রুত খারাপ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এই জায়গাটিই সবচেয়ে বেশি ভাবার বিষয়।
একজন অফিস ফেরত মানুষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, হাসপাতালগামী স্বজন কিংবা রাতের বেলায় একা চলাচল করা নারী অনেকেই নিজের হেলমেট সঙ্গে নিয়ে বের হন না। রাইড শেয়ারিং চালক যে হেলমেটটি দেন, সেটিই তাঁদের একমাত্র ভরসা। তাই সহযাত্রীর নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায় শুধু তাঁর নিজের ওপর চাপিয়ে দিলে হবে না। এখানে চালক, রাইড শেয়ারিং কোম্পানি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সবারই দায়িত্ব রয়েছে।
চালকের দায়িত্ব হলো, দ্বিতীয় হেলমেটটি শুধু সঙ্গে রাখা নয় বরং, সেটি ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় রাখা। চিবুকের ফিতা ঠিক আছে কি না, বকল ভাঙা কি না, বাইরের খোলসে ফাটল রয়েছে কি না, ভেতরের ফোম নষ্ট হয়েছে কি না এসব নিয়মিত পরীক্ষা করা । কারণ হেলমেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়টি হলো দুর্ঘটনার কয়েক সেকেন্ড। সেই মুহূর্তে যদি ফিতা খুলে যায় বা হেলমেট মাথা থেকে সরে পড়ে, তাহলে সেটি মাথায় থাকার কোনো বাস্তব অর্থ থাকে না।
রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলোরও এখানে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। চালক অ্যাপে সক্রিয় আছেন কি না বা তাঁর কাগজপত্র ঠিক আছে কি না শুধু এটুকু দেখলেই চলবে না। সহযাত্রীর জন্য দেওয়া হেলমেটটি মানসম্মত কি না, ব্যবহারযোগ্য কি না এবং নিয়মিত পরিবর্তন করা হচ্ছে কি না এসব বিষয়েও নজরদারি থাকা দরকার। প্রয়োজনে অ্যাপভিত্তিক হেলমেট যাচাই, অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা এবং মানহীন হেলমেট ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
এখানে একটি সামাজিক বাস্তবতাও রয়েছে। অনেক সহযাত্রী হেলমেটটি ভালো নয় বুঝলেও কিছু বলেন না। তাঁদের মনে হয়, “কয়েক মিনিটের পথ, কিছু হবে না।” কিন্তু দুর্ঘটনা সময় দেখে আসে না। পাঁচ মিনিটের রাস্তাতেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, আর মাথায় আঘাতের ফল অনেক সময় সারাজীবনের জন্য বয়ে বেড়াতে হয়।
সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের একটি বড় সমস্যা হলো, আমরা প্রায়ই নিয়মের বাইরের দিকটাই দেখি; নিয়মটির মূল উদ্দেশ্যটি দেখি না। হেলমেট পরার আইন করা হয়েছে শুধু জরিমানা বাড়ানোর জন্য নয়, মানুষের মাথা ও জীবন রক্ষার জন্য। কিন্তু যদি হেলমেটের মান, ফিটিং এবং ব্যবহারযোগ্যতা নিশ্চিত না হয়, তাহলে আইন কাগজে থাকবে, আর ঝুঁকি থেকে যাবে রাস্তায়।
সহযাত্রীর জন্য দেওয়া হেলমেটকে তাই আর “অতিরিক্ত একটি হেলমেট” হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি কারও অফিস থেকে নিরাপদে বাড়ি ফেরার পথ, কারও সন্তানের কাছে ফিরে যাওয়ার পথ, কারও পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষের জীবন রক্ষার অংশ।
হেলমেট আছে এটি অবশ্যই ভালো খবর।
কিন্তু হেলমেটটি সত্যিই সুরক্ষা দেয় কি না, সেই প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর পাওয়া এখন আরও জরুরি।