সামাজিক ও প্রশাসনিক জুলুমের শিকার, ১ বছর পর মামলার এক আসামি জেল হাজতে
-
Reporter Name - Update Time : ০৭:০০:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
- ২২২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কিশোরগঞ্জের ইটনা থানাধীন রায়টুটি ইউনিয়নের একটি আলোচিত মামলায় দীর্ঘ ১ বছর পর অবশেষে ৭ আসামির মধ্যে এক আসামি পারুল মিয়াকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তিনি রাজনৈতিক ও গ্রাম্য প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সামাজিক ও প্রশাসনিক জুলুমের মুখে পড়েছেন। গত ২৭ আগস্ট (বুধবার) কিশোরগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ মামলাটির শুনানি শেষে আসামি পারুল মিয়াকে সি/ডব্লিউ মূলে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার নম্বর ইটনা CR-358(1)25, বাদী আলম বনাম শামসুল গং। অভিযুক্ত আসামিরা হলেন—১. শামসুল ইসলাম, ২. পারুল মিয়া, ৩. মাজু মিয়া, ৪. গাজী মিয়া, ৫. রহমত উল্লাহ, ৬. সায়েম ও ৭. শাহীন। ভুক্তভোগী আলম জানান, তিনি ও তার তিন ভাই চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা হলেও কিশোরগঞ্জের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অন্যান্য অভিযোগে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, মূল আসামি শামসুল ইসলাম আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে জেল থেকে রেহাই পাচ্ছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় একটি প্রভাবশালী চক্র তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষকে দ্বন্দ্বে জড়ায় এবং গ্রাম্য সালিশের নামে অর্থ আদায় করে। অনেক নিরীহ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না। আলম অভিযোগ করেন, মামলার তদন্ত ও আদালতের শুনানি চলাকালে তিনি একাধিকবার হুমকি ও মীমাংসার প্রলোভন পেয়েছেন। মামলা না তুললে ভয়ঙ্কর পরিণতির হুমকিও দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে উল্টো গাজী মিয়ার পক্ষ থেকে দুটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার একটি পিবিআই কর্তৃক পুনঃতদন্তাধীন। ভুক্তভোগীর দাবি, পূর্বের পুলিশ তদন্তে এসব মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলেও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নতুন করে তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও কিশোরগঞ্জের সাধারণ মানুষ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন— মিথ্যা মামলাবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং আইন-আদালতকে জনগণমুখী রাখতে হবে।














