Hi

ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাজাহানপুরে শতবর্ষী বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও সাইদা খানম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩
  • ২০২ Time View

মিজানুর রহমান মিলন, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোট গ্রামের বামনদিঘী পাড়ার শতবর্ষী বৃদ্ধ হামেদ আলী আকন্দ। বয়সের ভারে নুহ্য পা রেখেছেন ১০১ বছরে। স্ত্রী, সন্তান’সহ ছিল ৮ সদস্যর পরিবার। সৃষ্টিকর্তার ডাকে তিন সন্তান ও প্রিয়তমা স্ত্রী পরপারে চলে গেছে অনেক আগে ।

বর্তমানে জীবিত ২ ছেলে ও ১ মেয়ে। ছেলেরা বিয়ে করে গড়েছে আলাদা সংসার। বিয়ে দিয়েছেন মেয়েকেও। বৃদ্ধ বয়সে ছেলেদের সংসারে আশ্রয় না হলেও আশ্রয় মিলেছে মেয়ের ঘরে। নানাবিধ শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে দিনাতিপাত করছেন তিনি।

সরকারি ভাবে বয়স্ক ভাতার জন্য দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে। জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিলেও মেলেনি বয়স্ক ভাতা।

উপজেলার চোপিনগর ইউনিয়নের বিরিকুল্ল্যা গ্রামে মেয়ের জরাজীর্ণ বাড়িতে বসবাস করেন শতবর্ষী হামেদ আলী। মেয়ে সালেহা খাতুনের অভাবী সংসারে যেখানে নিজেদের দু’বেলা অন্ন যোগানোই ভার, সেখানে বৃদ্ধ বাবার চিকিৎসা খরচ’সহ ভরনপোষণ অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ব্যাপার!

শতবর্ষী হামেদ আলীর অসহায়ত্বের কথা জানতে পারেন উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইদা খানম। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন শতবর্ষী হামেদ আলীর দিকে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অসহায় হামেদ আলীকে একটি হুইল চেয়ার ও নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদা খানম।

ইউএনও সাইদা খানম জানান, শতবর্ষী বৃদ্ধ হামেদ আলী’র পরিবারে পাশে দাঁড়াতে পেরে আমার ভালো লাগছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে একটি হুইল চেয়ার, নগদ দশ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে । এবং একটি বয়স্কভাতার কার্ড করে দেওয়া হচ্ছে ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শাজাহানপুরে শতবর্ষী বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও সাইদা খানম

Update Time : ০১:১৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩

মিজানুর রহমান মিলন, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোট গ্রামের বামনদিঘী পাড়ার শতবর্ষী বৃদ্ধ হামেদ আলী আকন্দ। বয়সের ভারে নুহ্য পা রেখেছেন ১০১ বছরে। স্ত্রী, সন্তান’সহ ছিল ৮ সদস্যর পরিবার। সৃষ্টিকর্তার ডাকে তিন সন্তান ও প্রিয়তমা স্ত্রী পরপারে চলে গেছে অনেক আগে ।

বর্তমানে জীবিত ২ ছেলে ও ১ মেয়ে। ছেলেরা বিয়ে করে গড়েছে আলাদা সংসার। বিয়ে দিয়েছেন মেয়েকেও। বৃদ্ধ বয়সে ছেলেদের সংসারে আশ্রয় না হলেও আশ্রয় মিলেছে মেয়ের ঘরে। নানাবিধ শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে দিনাতিপাত করছেন তিনি।

সরকারি ভাবে বয়স্ক ভাতার জন্য দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে। জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিলেও মেলেনি বয়স্ক ভাতা।

উপজেলার চোপিনগর ইউনিয়নের বিরিকুল্ল্যা গ্রামে মেয়ের জরাজীর্ণ বাড়িতে বসবাস করেন শতবর্ষী হামেদ আলী। মেয়ে সালেহা খাতুনের অভাবী সংসারে যেখানে নিজেদের দু’বেলা অন্ন যোগানোই ভার, সেখানে বৃদ্ধ বাবার চিকিৎসা খরচ’সহ ভরনপোষণ অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ব্যাপার!

শতবর্ষী হামেদ আলীর অসহায়ত্বের কথা জানতে পারেন উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইদা খানম। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন শতবর্ষী হামেদ আলীর দিকে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অসহায় হামেদ আলীকে একটি হুইল চেয়ার ও নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদা খানম।

ইউএনও সাইদা খানম জানান, শতবর্ষী বৃদ্ধ হামেদ আলী’র পরিবারে পাশে দাঁড়াতে পেরে আমার ভালো লাগছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে একটি হুইল চেয়ার, নগদ দশ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে । এবং একটি বয়স্কভাতার কার্ড করে দেওয়া হচ্ছে ।