Hi

ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে বিএডিসির উপ-সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩
  • ১৩৭ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রংপুর সার গুদাম থেকে ১৪৫ টন ২৮০ কেজি সার আতœসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) রংপুরের সাবেক উপ-সহকারী পরিচালক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। প্রমাণ পাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে, ওই সারের আমদানি মূল্য প্রায় ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। এ ঘটনায় দুদকের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. বেলাল হোসেন বাদী হয়ে গত ২৬ জুলাই মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ফেব্রæয়ারি মাসে রংপুর সার গুদামে সার গণনাকালে ৩ দশমিক ১৫ টন টিএসপি, ১০ দশমিক ৯৪ টন এমওপি সার ঘাটতি পাওয়া যায়। এছাড়া ১৪ দশমিক ৩৭ টন ডিএপি সার মজুত অতিরিক্তসহ কিছু গরমিল পাওয়া যায়। মজুত সারের গরমিলের কারণে দায়িত্বে নিয়োজিত উপ-সহকারী পরিচালক শামসুজ্জামানকে গত ৫ মার্চ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই দিনই সারের গুদাম সিলগালা করা হয়। এরপর গত ১৭ মার্চ আবারও সার গণনাকালে দেখা যায়, খামালের বাইরের দিকে বিন্যাস সাজানো আছে, খামালের ভেতরে সেই বিন্যাসের স্তর নেই। এছাড়াও খামালের ভেতরে বস্তা খাঁড়া করে খালি জায়গা তৈরি করে কম বস্তা ব্যবহার করে পূর্ণাঙ্গ খামাল দেখানো হয়েছে। এভাবে প্রকৃত মজুতের চেয়ে টিএসপি ৮১ দশমিক ৭০০ টন, এমওপি ৪৭ দশমিক ৮১০ টন ঘাটতি এবং ডিএপি ১৫ দশমিক ৭৭০ টন ঘাটতিসহ মোট ১৪৫ দশমিক ২৮০ টন সার ঘাটতি পাওয়া যায়। যার মোট আমদানি মূল্য ১ কোটি ২৯ লাখ ৮৮ হাজার ২৭৪ টাকা। এজাহারের আরও বলা হয়, সোয়া এক কোটি টাকা মূল্যের সার আত্মসাতের বিষয়টি অনুসন্ধানে প্রমাণ হওয়ায় দন্ডবিধির ৪০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

রংপুরে বিএডিসির উপ-সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

Update Time : ০২:৫০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রংপুর সার গুদাম থেকে ১৪৫ টন ২৮০ কেজি সার আতœসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) রংপুরের সাবেক উপ-সহকারী পরিচালক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। প্রমাণ পাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে, ওই সারের আমদানি মূল্য প্রায় ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। এ ঘটনায় দুদকের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. বেলাল হোসেন বাদী হয়ে গত ২৬ জুলাই মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ফেব্রæয়ারি মাসে রংপুর সার গুদামে সার গণনাকালে ৩ দশমিক ১৫ টন টিএসপি, ১০ দশমিক ৯৪ টন এমওপি সার ঘাটতি পাওয়া যায়। এছাড়া ১৪ দশমিক ৩৭ টন ডিএপি সার মজুত অতিরিক্তসহ কিছু গরমিল পাওয়া যায়। মজুত সারের গরমিলের কারণে দায়িত্বে নিয়োজিত উপ-সহকারী পরিচালক শামসুজ্জামানকে গত ৫ মার্চ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই দিনই সারের গুদাম সিলগালা করা হয়। এরপর গত ১৭ মার্চ আবারও সার গণনাকালে দেখা যায়, খামালের বাইরের দিকে বিন্যাস সাজানো আছে, খামালের ভেতরে সেই বিন্যাসের স্তর নেই। এছাড়াও খামালের ভেতরে বস্তা খাঁড়া করে খালি জায়গা তৈরি করে কম বস্তা ব্যবহার করে পূর্ণাঙ্গ খামাল দেখানো হয়েছে। এভাবে প্রকৃত মজুতের চেয়ে টিএসপি ৮১ দশমিক ৭০০ টন, এমওপি ৪৭ দশমিক ৮১০ টন ঘাটতি এবং ডিএপি ১৫ দশমিক ৭৭০ টন ঘাটতিসহ মোট ১৪৫ দশমিক ২৮০ টন সার ঘাটতি পাওয়া যায়। যার মোট আমদানি মূল্য ১ কোটি ২৯ লাখ ৮৮ হাজার ২৭৪ টাকা। এজাহারের আরও বলা হয়, সোয়া এক কোটি টাকা মূল্যের সার আত্মসাতের বিষয়টি অনুসন্ধানে প্রমাণ হওয়ায় দন্ডবিধির ৪০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছ।