Hi

ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন ঋণসীমা বাড়াতে একমত বাইডেন-ম্যাককার্থি

হাকিকুল ইসলাম খোকন, সিনিয়র প্রতিনিধিঃ

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণসীমা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থি। শনিবার (২৭ মে) বাইডেন ও ম্যাককার্থি এটি সমঝোতা হওয়ার বিষয়ে ঘোষণা দেন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেনের ভাষ্য অনুসারে, মার্কিন কোষাগারে আর মাত্র দিন দশেক সরকারি ব্যয় মেটানোর অর্থ রয়েছে। ফলে এই সময়ের মধ্যে বর্তমান ঋণ গ্রহণ সীমা ৩১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে না বাড়ানো হলে দেশটির কোষাগার শূন্য হয়ে যাবে। ফলে দেশটি দেউলিয়া হয়ে যাবে।যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণসীমা বাড়ানোর শেষ তারিখ আগামী ৫ জুন। নির্ধারিত এই সময়ের (এক্স-ডেট) আগে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে বাইডেন ও ম্যাককার্থি কয়েক দফায় বৈঠক করেন। অবশেষে তারা সমঝোতায় পৌঁছালেন। জাতীয় ঋণসীমা বাড়ানোর বিষয়ে আগামী বুধবার কংগ্রেসে ভোট হবে।রিপাবলিকান ম্যাককার্থি বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহের আলোচনার পর আমরা নীতিগতভাবে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছি। ’ আলোচনায় বড় সাফল্য এলেও ম্যাককার্থি সতর্ক করে বলেছেন, বিলটিতে কংগ্রেসের সমর্থন পেতে এখনো অনেক কাজ করতে হবে।ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ আখ্যা দিয়ে এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা দেউলিয়াত্বের বিষয়ে আলোচনা এখনো টেবিলে রয়েছে এবং এখানে একমাত্র উপায় হলো দুই পক্ষেরই পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস নিয়ে চুক্তিতে আসা।’ এদিকে, ম্যাকার্থি আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আমরা একসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি এবং একটি সাধারণ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো বিশ্বাস করি যে, এখনো ঐক্যমত্যে পৌঁছানোর সময় রয়েছে।’ এক বিবৃতিতে বাইডেন এ সমঝোতাকে মার্কিন জনগণের জন্য একটি সুসংবাদ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

মার্কিন ঋণসীমা বাড়াতে একমত বাইডেন-ম্যাককার্থি

Update Time : ০৭:৩২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩

হাকিকুল ইসলাম খোকন, সিনিয়র প্রতিনিধিঃ

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণসীমা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থি। শনিবার (২৭ মে) বাইডেন ও ম্যাককার্থি এটি সমঝোতা হওয়ার বিষয়ে ঘোষণা দেন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেনের ভাষ্য অনুসারে, মার্কিন কোষাগারে আর মাত্র দিন দশেক সরকারি ব্যয় মেটানোর অর্থ রয়েছে। ফলে এই সময়ের মধ্যে বর্তমান ঋণ গ্রহণ সীমা ৩১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে না বাড়ানো হলে দেশটির কোষাগার শূন্য হয়ে যাবে। ফলে দেশটি দেউলিয়া হয়ে যাবে।যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণসীমা বাড়ানোর শেষ তারিখ আগামী ৫ জুন। নির্ধারিত এই সময়ের (এক্স-ডেট) আগে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে বাইডেন ও ম্যাককার্থি কয়েক দফায় বৈঠক করেন। অবশেষে তারা সমঝোতায় পৌঁছালেন। জাতীয় ঋণসীমা বাড়ানোর বিষয়ে আগামী বুধবার কংগ্রেসে ভোট হবে।রিপাবলিকান ম্যাককার্থি বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহের আলোচনার পর আমরা নীতিগতভাবে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছি। ’ আলোচনায় বড় সাফল্য এলেও ম্যাককার্থি সতর্ক করে বলেছেন, বিলটিতে কংগ্রেসের সমর্থন পেতে এখনো অনেক কাজ করতে হবে।ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ আখ্যা দিয়ে এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা দেউলিয়াত্বের বিষয়ে আলোচনা এখনো টেবিলে রয়েছে এবং এখানে একমাত্র উপায় হলো দুই পক্ষেরই পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস নিয়ে চুক্তিতে আসা।’ এদিকে, ম্যাকার্থি আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আমরা একসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি এবং একটি সাধারণ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো বিশ্বাস করি যে, এখনো ঐক্যমত্যে পৌঁছানোর সময় রয়েছে।’ এক বিবৃতিতে বাইডেন এ সমঝোতাকে মার্কিন জনগণের জন্য একটি সুসংবাদ হিসেবে অভিহিত করেছেন।