Hi

ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাগলাপীরে বালক শাহিনুর হত্যাকান্ডে জড়িতদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০২৩
  • ১৪১ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের পাগলাপীর নুরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদরাসার নাজরা বিভাগের ছাত্র শাহিনুর ইসলাম (১২) হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় পাগলাপীর বন্দরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন লিখনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন
শাহিনুরের পিতা মোঃ শাহ আলম, সমাজ সেবক রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য শওকত হোসেন যাদু, চান মিয়া, আবু হেনা মো: আনোয়ারুল ইসলাম, সৈয়দ আব্দুর রাসেল, হাফেজ হাবিবুর রহমানও সাংবাদিক মহিউদ্দিন মখদুমী প্রমুখ।
বক্তরা বলেন. কোন কারণে নিস্পাপ বালক শাহিনুরকে হত্যা করা হয়েছে? দুটি পক্ষের কেউ নাকি তৃতীয় পক্ষ? তবে মাষ্টার মাইন্ড আসামীকে ? কারা কারা, কতজন জড়িত ? হত্যাকান্ডটির নেপথ্য কারণ কী কী হতে পারে? নতুন চালু হওয়া হাফিজিয়া মাদরাসাটির কার্যক্রম শুরুতেই শেষ করার জন্যই কী এ জঘন্যতম হত্যাকান্ড? শিক্ষার্থী শুন্য করে ফেলার কি গোপন মিশন ছিল শাহিনুর ইসলাম হত্যাকান্ড? আমরা জানি না। তবে এতটুকু জেনেছি, শাহিনুর ইসলাম (১২) হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করতে কয়েকটি ক্লু নিয়ে মাঠে কাজ করছে পুলিশ। এরমধ্যে কমিটি গঠন কেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব, শিক্ষকদের মধ্যে কোন্দল,ছাত্রদের মাঝে বিরোধ এবং উপার্জিত টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বকে প্রধান্য দেয়া হয়েছে। এর আগে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে মাদরাসাটির মোহতামিম হাফেজ সাইফুল ইসলাম জিহাদী, শ্রেনি শিক্ষক নিয়ামুল ও বহিস্কৃত শিক্ষক ক্কারী আবু সাঈদকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছিল। তাদের দুইদিনের রিমান্ডে নিয়ে যেসব তথ্য পেয়েছে তাও যাচাই বাছাই করছে পুলিশ।
শাহিনুরের পিতা মোঃ শাহ আলম জানান, আমার সন্তান চলে গেছে। কেন আমার মাছুম বাচ্চাকে হত্যা করা হলো? এটা কারা করেছে? আমি দোষীদের বিচার চাই। তাদের নাম জানতে চাই। অনেকেই অনেক কথা বলে। আমার মাথা কাজ করছে না। আমি ন্যায় বিচার চাই।হত্যার মোটিভ কিংবা ক্লু বের করার জন্য পুলিশ দিনরাত কাজ করছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই হত্যাকান্ডের ক্লু বের হয়ে আসবে। মেনে নিতে পারিনি। শুরুতে ৮জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবদ করা হয়েছিল। তিনজনকে রিমান্ড আবেদন করে জিজ্ঞাসাবদ করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রধরে আমরা তদন্তের কাজ করছি। সব কথা বলা যায় না। তবে আমি কথা দিচ্ছি, শাহিনুর ইসলাম (১২) হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতরা কেউ রক্ষা পাবে না। তারা যারাই হোক আইনের আওতায় আসতে হবে।বক্তারা, নিস্পাপ বালক শাহিনুর হত্যাকান্ডের মাষ্টার মাইন্ড আসামীকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। গত ১৬ মে সদর উপজেলার পাগলাপীর এলাকার মডেল মসজিদের পাশের আখ ক্ষেত থেকে বালক শাহিনুরের (১২) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

পাগলাপীরে বালক শাহিনুর হত্যাকান্ডে জড়িতদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

Update Time : ০৩:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের পাগলাপীর নুরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদরাসার নাজরা বিভাগের ছাত্র শাহিনুর ইসলাম (১২) হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় পাগলাপীর বন্দরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন লিখনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন
শাহিনুরের পিতা মোঃ শাহ আলম, সমাজ সেবক রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য শওকত হোসেন যাদু, চান মিয়া, আবু হেনা মো: আনোয়ারুল ইসলাম, সৈয়দ আব্দুর রাসেল, হাফেজ হাবিবুর রহমানও সাংবাদিক মহিউদ্দিন মখদুমী প্রমুখ।
বক্তরা বলেন. কোন কারণে নিস্পাপ বালক শাহিনুরকে হত্যা করা হয়েছে? দুটি পক্ষের কেউ নাকি তৃতীয় পক্ষ? তবে মাষ্টার মাইন্ড আসামীকে ? কারা কারা, কতজন জড়িত ? হত্যাকান্ডটির নেপথ্য কারণ কী কী হতে পারে? নতুন চালু হওয়া হাফিজিয়া মাদরাসাটির কার্যক্রম শুরুতেই শেষ করার জন্যই কী এ জঘন্যতম হত্যাকান্ড? শিক্ষার্থী শুন্য করে ফেলার কি গোপন মিশন ছিল শাহিনুর ইসলাম হত্যাকান্ড? আমরা জানি না। তবে এতটুকু জেনেছি, শাহিনুর ইসলাম (১২) হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করতে কয়েকটি ক্লু নিয়ে মাঠে কাজ করছে পুলিশ। এরমধ্যে কমিটি গঠন কেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব, শিক্ষকদের মধ্যে কোন্দল,ছাত্রদের মাঝে বিরোধ এবং উপার্জিত টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বকে প্রধান্য দেয়া হয়েছে। এর আগে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে মাদরাসাটির মোহতামিম হাফেজ সাইফুল ইসলাম জিহাদী, শ্রেনি শিক্ষক নিয়ামুল ও বহিস্কৃত শিক্ষক ক্কারী আবু সাঈদকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছিল। তাদের দুইদিনের রিমান্ডে নিয়ে যেসব তথ্য পেয়েছে তাও যাচাই বাছাই করছে পুলিশ।
শাহিনুরের পিতা মোঃ শাহ আলম জানান, আমার সন্তান চলে গেছে। কেন আমার মাছুম বাচ্চাকে হত্যা করা হলো? এটা কারা করেছে? আমি দোষীদের বিচার চাই। তাদের নাম জানতে চাই। অনেকেই অনেক কথা বলে। আমার মাথা কাজ করছে না। আমি ন্যায় বিচার চাই।হত্যার মোটিভ কিংবা ক্লু বের করার জন্য পুলিশ দিনরাত কাজ করছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই হত্যাকান্ডের ক্লু বের হয়ে আসবে। মেনে নিতে পারিনি। শুরুতে ৮জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবদ করা হয়েছিল। তিনজনকে রিমান্ড আবেদন করে জিজ্ঞাসাবদ করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রধরে আমরা তদন্তের কাজ করছি। সব কথা বলা যায় না। তবে আমি কথা দিচ্ছি, শাহিনুর ইসলাম (১২) হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতরা কেউ রক্ষা পাবে না। তারা যারাই হোক আইনের আওতায় আসতে হবে।বক্তারা, নিস্পাপ বালক শাহিনুর হত্যাকান্ডের মাষ্টার মাইন্ড আসামীকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। গত ১৬ মে সদর উপজেলার পাগলাপীর এলাকার মডেল মসজিদের পাশের আখ ক্ষেত থেকে বালক শাহিনুরের (১২) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।