Hi

ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গফরগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনায় ৩ ডাকাত গ্রেফতার, লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩
  • ১৫২ Time View

 গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে ১৬ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় তিন ডাকাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডাকাতদলের কাছ থেকে লুন্ঠিত ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার, ডিবির কটি এবং ওয়াকিটকি উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার রাতভর ঢাকা ও গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করে। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা শনিবার দুপুরে তার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। পুলিশ সুপার জানান, নান্দাইলের এজেন্ট ব্যাংক ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন গত ৮ অক্টোবর ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ভালুকা শাখা থেকে ১৬ লাখ টাকা তুলে সিএনজি যোগে যাওয়ার সময় গফরগাঁও এলাকায় একদল ডাকাত টাকাসহ বাদীকে তুলে নিয়ে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় গিয়ে টাকা ও ব্যবহৃত ২ টি মোবাইল ফোন রেখে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে প্রাইভেটকারটি নিয়ে চলে যায়। উক্ত ঘটনায় ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে গফরগাও থানায় মামলা করেন। এসপির নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে এসআই শাহ্ মিনহাজ উদ্দিন, এসআই রেজাউল আমীন বর্ষন, এসআই পরিমল চন্দ্র সরকার, এসআই কমল সরকার, এসআই রূপন কুমার সরকার ও সঙ্গীয় ফোর্সসসহ একটি চৌকশ টিম ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটনের নিমিত্তে অভিযানে নামেন। ধারাবাহিকভাবে অভিযানে ডিবি পুলিশের এ টিম গাজীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুক্রবার রাতে ডাকাতদলের অন্যতম সদস্য সিরাজগঞ্জের মোঃ আনোয়ার হোসেনকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ডাকাতের তথ্য মতে, ভোর রাতে ঢাকার সাভার ব্যাংক টাউন থেকে উক্ত ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী রাজবাড়ীর লিটন কাজী ওরফে দেলোয়ার কাজী গ্রেফতার করে এবং আশুলিয়ার ভাড়াবাগ থেকে অপর ডাকাত গোপালগঞ্জের মোঃ রুবেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এর মাঝে মোঃ আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে লুন্ঠিত ৮০ হাজার টাকা, লিটন কাজী ওরফে দেলোয়ার কাজীর কাছ থেকে লুণ্ঠিত আড়াই লাখ টাকা এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ১টি ওয়াকিটকি, ১টি হ্যান্ডকাফ ও ৩২টি ডিবির কটি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ডাকাত রুবেল মিয়ার কাছ থেকে লুণ্ঠিত ১লাখ ৪০ হাজার উদ্ধার করা হয়। ডাকাতদলের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার আরো বলেন, গত ৮ অক্টোবর গাজীপুর চৌরাস্তায় বসে গ্রেফতারকৃত আনোয়ার, লিটন, রুবেল ও পলাতক আসামী সিরাজ, আরিফ, পলান, রফিক, বাবু, সালাম, শহীদসহ ১০ ডাকাত একত্রে ইসলামী ব্যাংক ভালুকা শাখায় ডাকাতি করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক তিন ভাগে ভাগ হয়ে ভালুকার উদ্দেশ্যে প্রথমে পলান, রফিক, সালাম মোটর সাইকেলযোগে, বাবু আর আরিফ লোকাল বাসে করে এবং আনোয়ার, লিটন, রুবেল, শহীন ও সিরাজ প্রাইভেটকারযোগে প্রায় একটারদিকে ভালুকা ইসলামী ব্যাংকে পৌঁছায়। প্রাইভেটকারে থাকা ৫ ডাকাত ইসলামী ব্যাংক হতে আনুমানিক ১০০ গজ দূরে অবস্থান করে। পলান, রফিক, বাবু, আরিফ ব্যাংকের গেইটের বাহিরে পাহারা দেয় এবং সালাম ব্যাংকের ভিতরে ক্যাশিয়ারের আশেপাশে অবস্থান করে। সালাম ব্যাংকে অবস্থান করে মোবাইলে বাবুকে জানায়, একজন লোক গেঞ্জি পরা ও মুখে মাক্স লাগানো হাতে একটি নীল রংয়ের টাকার ব্যাগ নিয়ে ব্যাংক থেকে নীচে নামছে। পরে ডাকাত দলের সদস্যরা ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেনকে নজরে রাখে। কিছুক্ষনপর সাদ্দাম হোসেন টাকা নিয়ে অন্যান্য যাত্রীদের সাথে একটি অজ্ঞাতনামা ভাড়ায় চালিত সিএনজিতে উঠে গফরগাঁওয়ের দিকে রওনা করে। ডাকাতরা মোটর সাইকেল ও প্রাইভেটকার যোগে সাদ্দামকে বহনকারী সিএনজিকে অনুসরণ করতে থাকে। গফরগাঁওয়ের শান্তিগঞ্জ নামক নির্জন স্থানে পৌঁছলে প্রাইভেটকারটি দ্রুত গতিতে গিয়ে সিএনজির সামনে দাঁড় করিয়ে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং ডিবি পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেনকে টাকার ব্যাগসহ সিএনজি হতে জোরপূর্বক নামিয়ে হাতে হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে প্রাইভেট কারে উঠিয়ে গামছা দ্বারা চোখ বেঁধে গাড়ীটি পাগলা থানা এলাকার ভিতর দিয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এর বাচ্চারা গ্রামে রাস্তার পাশে ১৬ লাখ টাকার ব্যাগ ও সাদ্দাম হোসেনের ব্যবহৃত ২টি মোবাইল রেখে সাদ্দাম হোসেনকে প্লাস্টিকের ক্লিপ ও চোখে গামছা বাঁধা অবস্থায় গাড়ী থেকে পেলে পালিয়ে যায়। পুলিশ সুপার আরো জানান, গ্রেফতারকৃত ও আসামীরা এর আগে ভালুকার জামিরদিয়া এমএল ডাইংয়ের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রাইভেটকার যোগে র্যাবের পরিচয় দিয়ে জনৈক শুভান আলীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৩১ টি মোবাইল এবং ভালুকার হবিরবাড়ী সীডষ্টোর বাদশাগ্রুপের কামাল ইয়ার্ল্ড লিমিটেডের সামনে প্রাইভেটকার যোগে র্যাবের পরিচয়ে জনৈক কানাই চন্দ্র বর্মনকে গতিরোধ করে তার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ চক্রের মুলহোতা গ্রেফতারকৃত লিটন কাজী ওরফে দেলোয়ার কাজীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টির অধিক ডাকাতিসহ দস্যুতা ও মাদক মামলা এবং মোঃ রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে ২টি ডাকাতি মামলা রয়েছে। ডিবির ওসি ফারুক হোসেন বলেন, তাদেরকে শনিবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর মাঝে আনোয়ার ও রুবেল মিয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। মামলাটি তদন্ত চলছে। অবশিষ্ট লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

গফরগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনায় ৩ ডাকাত গ্রেফতার, লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার

Update Time : ০৪:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩

 গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে ১৬ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় তিন ডাকাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডাকাতদলের কাছ থেকে লুন্ঠিত ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার, ডিবির কটি এবং ওয়াকিটকি উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার রাতভর ঢাকা ও গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করে। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা শনিবার দুপুরে তার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। পুলিশ সুপার জানান, নান্দাইলের এজেন্ট ব্যাংক ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন গত ৮ অক্টোবর ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ভালুকা শাখা থেকে ১৬ লাখ টাকা তুলে সিএনজি যোগে যাওয়ার সময় গফরগাঁও এলাকায় একদল ডাকাত টাকাসহ বাদীকে তুলে নিয়ে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় গিয়ে টাকা ও ব্যবহৃত ২ টি মোবাইল ফোন রেখে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে প্রাইভেটকারটি নিয়ে চলে যায়। উক্ত ঘটনায় ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে গফরগাও থানায় মামলা করেন। এসপির নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে এসআই শাহ্ মিনহাজ উদ্দিন, এসআই রেজাউল আমীন বর্ষন, এসআই পরিমল চন্দ্র সরকার, এসআই কমল সরকার, এসআই রূপন কুমার সরকার ও সঙ্গীয় ফোর্সসসহ একটি চৌকশ টিম ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটনের নিমিত্তে অভিযানে নামেন। ধারাবাহিকভাবে অভিযানে ডিবি পুলিশের এ টিম গাজীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুক্রবার রাতে ডাকাতদলের অন্যতম সদস্য সিরাজগঞ্জের মোঃ আনোয়ার হোসেনকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ডাকাতের তথ্য মতে, ভোর রাতে ঢাকার সাভার ব্যাংক টাউন থেকে উক্ত ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী রাজবাড়ীর লিটন কাজী ওরফে দেলোয়ার কাজী গ্রেফতার করে এবং আশুলিয়ার ভাড়াবাগ থেকে অপর ডাকাত গোপালগঞ্জের মোঃ রুবেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এর মাঝে মোঃ আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে লুন্ঠিত ৮০ হাজার টাকা, লিটন কাজী ওরফে দেলোয়ার কাজীর কাছ থেকে লুণ্ঠিত আড়াই লাখ টাকা এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ১টি ওয়াকিটকি, ১টি হ্যান্ডকাফ ও ৩২টি ডিবির কটি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ডাকাত রুবেল মিয়ার কাছ থেকে লুণ্ঠিত ১লাখ ৪০ হাজার উদ্ধার করা হয়। ডাকাতদলের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার আরো বলেন, গত ৮ অক্টোবর গাজীপুর চৌরাস্তায় বসে গ্রেফতারকৃত আনোয়ার, লিটন, রুবেল ও পলাতক আসামী সিরাজ, আরিফ, পলান, রফিক, বাবু, সালাম, শহীদসহ ১০ ডাকাত একত্রে ইসলামী ব্যাংক ভালুকা শাখায় ডাকাতি করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক তিন ভাগে ভাগ হয়ে ভালুকার উদ্দেশ্যে প্রথমে পলান, রফিক, সালাম মোটর সাইকেলযোগে, বাবু আর আরিফ লোকাল বাসে করে এবং আনোয়ার, লিটন, রুবেল, শহীন ও সিরাজ প্রাইভেটকারযোগে প্রায় একটারদিকে ভালুকা ইসলামী ব্যাংকে পৌঁছায়। প্রাইভেটকারে থাকা ৫ ডাকাত ইসলামী ব্যাংক হতে আনুমানিক ১০০ গজ দূরে অবস্থান করে। পলান, রফিক, বাবু, আরিফ ব্যাংকের গেইটের বাহিরে পাহারা দেয় এবং সালাম ব্যাংকের ভিতরে ক্যাশিয়ারের আশেপাশে অবস্থান করে। সালাম ব্যাংকে অবস্থান করে মোবাইলে বাবুকে জানায়, একজন লোক গেঞ্জি পরা ও মুখে মাক্স লাগানো হাতে একটি নীল রংয়ের টাকার ব্যাগ নিয়ে ব্যাংক থেকে নীচে নামছে। পরে ডাকাত দলের সদস্যরা ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেনকে নজরে রাখে। কিছুক্ষনপর সাদ্দাম হোসেন টাকা নিয়ে অন্যান্য যাত্রীদের সাথে একটি অজ্ঞাতনামা ভাড়ায় চালিত সিএনজিতে উঠে গফরগাঁওয়ের দিকে রওনা করে। ডাকাতরা মোটর সাইকেল ও প্রাইভেটকার যোগে সাদ্দামকে বহনকারী সিএনজিকে অনুসরণ করতে থাকে। গফরগাঁওয়ের শান্তিগঞ্জ নামক নির্জন স্থানে পৌঁছলে প্রাইভেটকারটি দ্রুত গতিতে গিয়ে সিএনজির সামনে দাঁড় করিয়ে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং ডিবি পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেনকে টাকার ব্যাগসহ সিএনজি হতে জোরপূর্বক নামিয়ে হাতে হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে প্রাইভেট কারে উঠিয়ে গামছা দ্বারা চোখ বেঁধে গাড়ীটি পাগলা থানা এলাকার ভিতর দিয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এর বাচ্চারা গ্রামে রাস্তার পাশে ১৬ লাখ টাকার ব্যাগ ও সাদ্দাম হোসেনের ব্যবহৃত ২টি মোবাইল রেখে সাদ্দাম হোসেনকে প্লাস্টিকের ক্লিপ ও চোখে গামছা বাঁধা অবস্থায় গাড়ী থেকে পেলে পালিয়ে যায়। পুলিশ সুপার আরো জানান, গ্রেফতারকৃত ও আসামীরা এর আগে ভালুকার জামিরদিয়া এমএল ডাইংয়ের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রাইভেটকার যোগে র্যাবের পরিচয় দিয়ে জনৈক শুভান আলীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৩১ টি মোবাইল এবং ভালুকার হবিরবাড়ী সীডষ্টোর বাদশাগ্রুপের কামাল ইয়ার্ল্ড লিমিটেডের সামনে প্রাইভেটকার যোগে র্যাবের পরিচয়ে জনৈক কানাই চন্দ্র বর্মনকে গতিরোধ করে তার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ চক্রের মুলহোতা গ্রেফতারকৃত লিটন কাজী ওরফে দেলোয়ার কাজীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টির অধিক ডাকাতিসহ দস্যুতা ও মাদক মামলা এবং মোঃ রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে ২টি ডাকাতি মামলা রয়েছে। ডিবির ওসি ফারুক হোসেন বলেন, তাদেরকে শনিবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর মাঝে আনোয়ার ও রুবেল মিয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। মামলাটি তদন্ত চলছে। অবশিষ্ট লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।