Hi

ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরের জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কর্তনের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩
  • ১৮৩ Time View

শামীম আখতার, বিভাগীয় প্রধান (খুলনা)

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ১নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরের জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কর্তন এবং কালী মন্দিরের নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং কালী মন্দির রক্ষার স্বার্থে এলাকার ভক্তবৃন্দরা গণস্বাক্ষর করে মঙ্গলবার (২ মে) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার ১নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরে এলাকাবাসী প্রায় ৮০ বছর যাবত বিভিন্ন ধরণের পূজা অর্চনা করে আসছে। বর্তমানে এলাকার প্রভাবশালী সুশান্ত মল্লিকের নেতৃত্বে সুব্রত নন্দী, বরুণ মল্লিক, শান্ত মল্লিক ও জয়ন্ত মল্লিক গত ৩০ মার্চ বহুকালের নির্মিত সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরের পাশ থেকে জোরপূর্বক মাটি কর্তন করে নিয়ে যায়। মন্দিরের ভক্তবৃন্দ মাটি কর্তন করা বন্ধ করতে গেলে তাদের উপর চড়া হয়ে বিভিন্ন ধরণের অশ্লীল কথাবার্তা এবং মারধর করার হুমকি-ধামকিসহ মন্দিরটি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেছে। এ ঘটনার বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত পূর্বক সুষ্ঠু বিচার এবং কালী মন্দিরটি রক্ষার স্বার্থে এলাকার ভক্তবৃন্দরা গণস্বাক্ষর করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের একটি লিখিত আবেদন করেছেন।

সরাপুপর সার্বজনীন কালী মন্দিরের জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কর্তন করার বিষয়ে জয়ন্ত মল্লিকের মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, কালী মন্দিরের জমি থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়নি এবং মন্দিরের নির্মাণ কাজে কোন বাঁধা দেওয়া হয়নি। অহেতুক আমাদের উপর মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করেছে।
বরুণ মল্লিকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, সুশান্ত মল্লিক আমাদের মাটি কাটার জন্য দিনমজুর হিসেবে কাজে নিয়েছিলেন। তিনি তার জমির সীমানা দেখিয়ে দিলে আমরা মাটি কেটেছি।
এ বিষয়ে সুশান্ত মল্লিক বলেন, আমি মন্দিরের জমি থেকে মাটি কাটেনি, আমার জমি থেকে মাটি কেটেছি। দিলীপ মল্লিক, অলোক মল্লিকরা মন্দিরের নামে রেকর্ডকৃত সম্পত্তি জবরদখল করে পুকুর কেটেছে। যার কারণে সরকারি রাস্তার জমি ও আমার জমিতে জোরপূর্বক মন্দির স্থাপনা করতে চাচ্ছে। আমার জমিতে এলাকাবাসী পূজা অর্চনা করুক, তাতে আমার কোন বাধা নেই। তবে, মন্দিরের স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ কাজে আমার বাধা আছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরের মাটি কর্তন করার অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ফুলপুরে শনিবার  বৃক্ষরোপন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

কেশবপুরে সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরের জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কর্তনের অভিযোগ

Update Time : ০৫:২৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩

শামীম আখতার, বিভাগীয় প্রধান (খুলনা)

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ১নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরের জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কর্তন এবং কালী মন্দিরের নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং কালী মন্দির রক্ষার স্বার্থে এলাকার ভক্তবৃন্দরা গণস্বাক্ষর করে মঙ্গলবার (২ মে) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার ১নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরে এলাকাবাসী প্রায় ৮০ বছর যাবত বিভিন্ন ধরণের পূজা অর্চনা করে আসছে। বর্তমানে এলাকার প্রভাবশালী সুশান্ত মল্লিকের নেতৃত্বে সুব্রত নন্দী, বরুণ মল্লিক, শান্ত মল্লিক ও জয়ন্ত মল্লিক গত ৩০ মার্চ বহুকালের নির্মিত সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরের পাশ থেকে জোরপূর্বক মাটি কর্তন করে নিয়ে যায়। মন্দিরের ভক্তবৃন্দ মাটি কর্তন করা বন্ধ করতে গেলে তাদের উপর চড়া হয়ে বিভিন্ন ধরণের অশ্লীল কথাবার্তা এবং মারধর করার হুমকি-ধামকিসহ মন্দিরটি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেছে। এ ঘটনার বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত পূর্বক সুষ্ঠু বিচার এবং কালী মন্দিরটি রক্ষার স্বার্থে এলাকার ভক্তবৃন্দরা গণস্বাক্ষর করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের একটি লিখিত আবেদন করেছেন।

সরাপুপর সার্বজনীন কালী মন্দিরের জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কর্তন করার বিষয়ে জয়ন্ত মল্লিকের মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, কালী মন্দিরের জমি থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়নি এবং মন্দিরের নির্মাণ কাজে কোন বাঁধা দেওয়া হয়নি। অহেতুক আমাদের উপর মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করেছে।
বরুণ মল্লিকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, সুশান্ত মল্লিক আমাদের মাটি কাটার জন্য দিনমজুর হিসেবে কাজে নিয়েছিলেন। তিনি তার জমির সীমানা দেখিয়ে দিলে আমরা মাটি কেটেছি।
এ বিষয়ে সুশান্ত মল্লিক বলেন, আমি মন্দিরের জমি থেকে মাটি কাটেনি, আমার জমি থেকে মাটি কেটেছি। দিলীপ মল্লিক, অলোক মল্লিকরা মন্দিরের নামে রেকর্ডকৃত সম্পত্তি জবরদখল করে পুকুর কেটেছে। যার কারণে সরকারি রাস্তার জমি ও আমার জমিতে জোরপূর্বক মন্দির স্থাপনা করতে চাচ্ছে। আমার জমিতে এলাকাবাসী পূজা অর্চনা করুক, তাতে আমার কোন বাধা নেই। তবে, মন্দিরের স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ কাজে আমার বাধা আছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, সরাপপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরের মাটি কর্তন করার অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।