Hi

ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের মারপিটে এক যুবক গুরুত্বর আহত

শামীম আখতার, বিভাগীয় প্রধান (খুলনা) যশোরের কেশবপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের বেধড়ক মারপিটে আয়ুব আলী খাঁ (৩৫) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছে। সে বর্তমানে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত মঙ্গলবার (২১ মে) বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কাবিলপুর গ্রামে। মারপিটের ঘটনায় আহতের আপন বড় ভাই কায়েম আলী খাঁ বাদী হয়ে প্রতিবেশী হযরত আলী খাঁ ও তার স্ত্রী রেক্সনা খাতুন এবং কামরুল খাঁ ও তার স্ত্রী আসমা বেগমের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। থানার অভিযোগ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের তাহের আলী খাঁর ছেলে কায়েম আলী খাঁ (৪৫) এর সাথে জমিজমা নিয়ে একই গ্রামের নওশের আলী খাঁর ছেলে হযরত আলী খাঁ ও কামরুল খাঁর (৫০) দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ হযরত আলী খাঁ ও কামরুল খাঁ গত মঙ্গলবার (২১ মে) বিকেলে কায়েম আলীর জমি থেকে কলা গাছ কেটে দেয়। ওই সময় কায়েম আলীর আপন ছোট ভাই আয়ুব আলী খাঁ ও তার স্ত্রী ছায়েরা বেগম প্রতিবাদ করলে তাদের হাতে থাকা লোহার শাবল দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে আয়ুব আলী শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম এবং গাছ কাটা দাঁ দিয়ে কপালে কোপ দিয়ে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে। ওইসময় তাদের ডাক-চিৎকারে কায়েম আলীর স্ত্রী ছালমা বেগম (৩৫) এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করে এবং আয়ুব আলীর স্ত্রীর শরীরের কাপড় চোপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে। পরে মারপিটকারিরা অশ্লীল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি এবং প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন গুরুতর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় আয়ুব আলীকে দ্রুত উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ভর্তি করেন। এর আগেও ওই পরিবারের উপর তারা অনেকবার নির্যাতন ও মারপিট করে আসছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল আলম বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের মারপিটে একজন গুরুত্বর আহতের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

মধুপুরে চাঁদের হাঁসি রেস্টুরেন্ট নিয়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

কেশবপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের মারপিটে এক যুবক গুরুত্বর আহত

Update Time : ০৪:২৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪

শামীম আখতার, বিভাগীয় প্রধান (খুলনা) যশোরের কেশবপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের বেধড়ক মারপিটে আয়ুব আলী খাঁ (৩৫) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছে। সে বর্তমানে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত মঙ্গলবার (২১ মে) বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কাবিলপুর গ্রামে। মারপিটের ঘটনায় আহতের আপন বড় ভাই কায়েম আলী খাঁ বাদী হয়ে প্রতিবেশী হযরত আলী খাঁ ও তার স্ত্রী রেক্সনা খাতুন এবং কামরুল খাঁ ও তার স্ত্রী আসমা বেগমের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। থানার অভিযোগ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের তাহের আলী খাঁর ছেলে কায়েম আলী খাঁ (৪৫) এর সাথে জমিজমা নিয়ে একই গ্রামের নওশের আলী খাঁর ছেলে হযরত আলী খাঁ ও কামরুল খাঁর (৫০) দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ হযরত আলী খাঁ ও কামরুল খাঁ গত মঙ্গলবার (২১ মে) বিকেলে কায়েম আলীর জমি থেকে কলা গাছ কেটে দেয়। ওই সময় কায়েম আলীর আপন ছোট ভাই আয়ুব আলী খাঁ ও তার স্ত্রী ছায়েরা বেগম প্রতিবাদ করলে তাদের হাতে থাকা লোহার শাবল দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে আয়ুব আলী শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম এবং গাছ কাটা দাঁ দিয়ে কপালে কোপ দিয়ে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে। ওইসময় তাদের ডাক-চিৎকারে কায়েম আলীর স্ত্রী ছালমা বেগম (৩৫) এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করে এবং আয়ুব আলীর স্ত্রীর শরীরের কাপড় চোপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে। পরে মারপিটকারিরা অশ্লীল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি এবং প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন গুরুতর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় আয়ুব আলীকে দ্রুত উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ভর্তি করেন। এর আগেও ওই পরিবারের উপর তারা অনেকবার নির্যাতন ও মারপিট করে আসছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল আলম বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের মারপিটে একজন গুরুত্বর আহতের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।