Hi

ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়- ডি.সি. ট্রাফিক দক্ষিণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১২৭ Time View

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ঢাকার পরে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম হলো অন্যতম যানজটের নগরী। সময়ের মূল্যায়নে জন-জীবন এ স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে নিরাপদ গন্তব্যের জন্য সড়কে সব ধরনের ব্যবস্থা হাতে নিয়েছেন ডি.সি ট্রাফিক দক্ষিণ। সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় ডি.সি ট্রাফিক দক্ষিণের নির্দেশে দায়িত্ব রত টিআই এডমিন, প্রসিকিউশন অফিসার, সড়কের বিভিন্ন স্পটে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা টিআই অফিসারেরা সহ দায়িত্ব পালনরত সার্জেন্ট ও ট্রাফিকগণ নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন পরিবহণ সেক্টরে পূর্ণাঙ্গ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে। নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা বাস্তবায়নে পরিপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছেন তারা। চট্টগ্রাম নগরীকে যানজট মুক্ত করতে দক্ষিণ ও উত্তরের ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্ব পালনরত সার্জেন্টদের আচার- ব্যবহারে পরিবহণ মালিকেরা আগের তুলনায় অনেক বেশি সন্তুষ্ট। মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের একাধিক পরিকল্পনা ইতিমধ্যে জনসাধারণের মনে স্থান করে নিয়েছে। বিগত ফ্যাসিবাদ জুলুম নির্যাতন পরবর্তীতে সড়ক ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থার উপর সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী তথ্য সংগ্রহে দেশের জন্য গঠন মূলক পরিকল্পনা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে দায়িত্বশীলতার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। পরিচয় গোপন রেখে অনুসন্ধানী সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকেরা সড়ক পথের বিভিন্ন স্পটে কর্তব্য পরায়নরত সার্জেন্টদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে পরিক্ষা করে দেখার পর সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের এসব তথ্য জানিয়েছেন। সড়কের দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট সহ সকল অফিসারদের কোথাও কোন ধরনের অবহেলা কিংবা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ অন্যায় জুলুম এর সুযোগ নিতে দেখা যায়নি। চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর এবং দক্ষিণের সড়ক পথে এমন বাস্তবতা ফুটে উঠেছে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দায়িত্বে।প্রতি মূহুর্তে শান্ত ভাষায় প্রত্যেক বিষয়ের উপর আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা প্রকাশ পেয়েছে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে। বিগত ফ্যাসিবাদ সময়ে জন সাধারণের সাথে পুলিশের যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল, তার ঠিক উল্টো চিত্রই ফুটে উঠছে সড়কে। অনুসন্ধানী তদন্ত প্রতিবেদনে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে প্রশাসনের কর্মকর্তারা যদি বাংলাদেশ বিনির্মাণে এভাবে ভূমিকা রাখেন, তবে আগামীর বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময়ী উন্নত বিশ্বের কাতারে গিয়ে পৌঁছাতে খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন হবেনা। তাদের এমন আচরণে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে অনেকাংশে। তাদের পরিকল্পনায় সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে বলে মনে করেন লোকাল বাসের যাত্রী স্কুল শিক্ষক আনোয়ার হোসেন। তিনি তার মন্তব্যে বলেন বিগত সময়ের দৃশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। আগে দেখতাম গাড়ি দাঁড় করিয়ে চালকের হাত হতে অর্থ উৎকোচ নেয়ার মত দৃশ্য। যা এখন বিলুপ্ত বললেই চলে। স্কুল শিক্ষক বলেন বর্তমান পুলিশ এর দায়িত্বে থাকা অফিসারদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা বহুগুণ বেড়ে গেলো।এছাড়াও পরিবহণ ও একাধিক যাত্রীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশায় নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা নিয়ে অচিরেই জন সাধারণের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নে যানজট মুক্ত নগরীতে পরিণত হবে চট্টগ্রাম নগরী এমনটাই প্রত্যাশা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে। জীভন জীবিকার তাগিদে অধিকাংশ মানুষ কোন কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে কর্মরত। তাই সকাল হতে রাত অবধি গণ পরিবহণের উপর নির্ভর করে চলতে হয় ৯৫ ভাগ মানুষের। এসব সেক্টরে যাত্রী সেবা দিয়ে জাতীয় রাজস্ব আয়ের বৃহৎ একটি অংশ জুড়ে আছে পরিবহণ সেক্টর। একটা সময় অনিয়ম দুর্নীতি ও কম ছিল না এই সব সেক্টরে। সম্প্রতি এসব বিষয় মাথায় রেখে ডিসি ট্রাফিক দক্ষিণের নির্দেশে আমুল পরিবর্তন এসেছে গণ পরিবহনে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে কেউ যেমন সুবিধা ভোগ করার সুযোগ নেই, তেমনি নিয়মের মধ্যেও যেন কাউকে হয়রানির শিকার হতে না হয়, বিষয় গুলোর উপর তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এসময় বলেন আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। আমরা যারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছি, প্রত্যেককেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভাবে পালনে সচেষ্ট ও সতর্ক থাকতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণকে সাথে নিয়েই আমরা নিরাপদ সড়ক গড়তে চাই।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ভালুকায় মহান মে দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়- ডি.সি. ট্রাফিক দক্ষিণ

Update Time : ১২:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ঢাকার পরে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম হলো অন্যতম যানজটের নগরী। সময়ের মূল্যায়নে জন-জীবন এ স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে নিরাপদ গন্তব্যের জন্য সড়কে সব ধরনের ব্যবস্থা হাতে নিয়েছেন ডি.সি ট্রাফিক দক্ষিণ। সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় ডি.সি ট্রাফিক দক্ষিণের নির্দেশে দায়িত্ব রত টিআই এডমিন, প্রসিকিউশন অফিসার, সড়কের বিভিন্ন স্পটে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা টিআই অফিসারেরা সহ দায়িত্ব পালনরত সার্জেন্ট ও ট্রাফিকগণ নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন পরিবহণ সেক্টরে পূর্ণাঙ্গ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে। নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা বাস্তবায়নে পরিপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছেন তারা। চট্টগ্রাম নগরীকে যানজট মুক্ত করতে দক্ষিণ ও উত্তরের ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্ব পালনরত সার্জেন্টদের আচার- ব্যবহারে পরিবহণ মালিকেরা আগের তুলনায় অনেক বেশি সন্তুষ্ট। মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের একাধিক পরিকল্পনা ইতিমধ্যে জনসাধারণের মনে স্থান করে নিয়েছে। বিগত ফ্যাসিবাদ জুলুম নির্যাতন পরবর্তীতে সড়ক ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থার উপর সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী তথ্য সংগ্রহে দেশের জন্য গঠন মূলক পরিকল্পনা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে দায়িত্বশীলতার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। পরিচয় গোপন রেখে অনুসন্ধানী সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকেরা সড়ক পথের বিভিন্ন স্পটে কর্তব্য পরায়নরত সার্জেন্টদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে পরিক্ষা করে দেখার পর সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের এসব তথ্য জানিয়েছেন। সড়কের দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট সহ সকল অফিসারদের কোথাও কোন ধরনের অবহেলা কিংবা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ অন্যায় জুলুম এর সুযোগ নিতে দেখা যায়নি। চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর এবং দক্ষিণের সড়ক পথে এমন বাস্তবতা ফুটে উঠেছে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দায়িত্বে।প্রতি মূহুর্তে শান্ত ভাষায় প্রত্যেক বিষয়ের উপর আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা প্রকাশ পেয়েছে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে। বিগত ফ্যাসিবাদ সময়ে জন সাধারণের সাথে পুলিশের যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল, তার ঠিক উল্টো চিত্রই ফুটে উঠছে সড়কে। অনুসন্ধানী তদন্ত প্রতিবেদনে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে প্রশাসনের কর্মকর্তারা যদি বাংলাদেশ বিনির্মাণে এভাবে ভূমিকা রাখেন, তবে আগামীর বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময়ী উন্নত বিশ্বের কাতারে গিয়ে পৌঁছাতে খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন হবেনা। তাদের এমন আচরণে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে অনেকাংশে। তাদের পরিকল্পনায় সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে বলে মনে করেন লোকাল বাসের যাত্রী স্কুল শিক্ষক আনোয়ার হোসেন। তিনি তার মন্তব্যে বলেন বিগত সময়ের দৃশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। আগে দেখতাম গাড়ি দাঁড় করিয়ে চালকের হাত হতে অর্থ উৎকোচ নেয়ার মত দৃশ্য। যা এখন বিলুপ্ত বললেই চলে। স্কুল শিক্ষক বলেন বর্তমান পুলিশ এর দায়িত্বে থাকা অফিসারদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা বহুগুণ বেড়ে গেলো।এছাড়াও পরিবহণ ও একাধিক যাত্রীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশায় নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা নিয়ে অচিরেই জন সাধারণের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নে যানজট মুক্ত নগরীতে পরিণত হবে চট্টগ্রাম নগরী এমনটাই প্রত্যাশা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে। জীভন জীবিকার তাগিদে অধিকাংশ মানুষ কোন কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে কর্মরত। তাই সকাল হতে রাত অবধি গণ পরিবহণের উপর নির্ভর করে চলতে হয় ৯৫ ভাগ মানুষের। এসব সেক্টরে যাত্রী সেবা দিয়ে জাতীয় রাজস্ব আয়ের বৃহৎ একটি অংশ জুড়ে আছে পরিবহণ সেক্টর। একটা সময় অনিয়ম দুর্নীতি ও কম ছিল না এই সব সেক্টরে। সম্প্রতি এসব বিষয় মাথায় রেখে ডিসি ট্রাফিক দক্ষিণের নির্দেশে আমুল পরিবর্তন এসেছে গণ পরিবহনে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে কেউ যেমন সুবিধা ভোগ করার সুযোগ নেই, তেমনি নিয়মের মধ্যেও যেন কাউকে হয়রানির শিকার হতে না হয়, বিষয় গুলোর উপর তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এসময় বলেন আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। আমরা যারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছি, প্রত্যেককেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভাবে পালনে সচেষ্ট ও সতর্ক থাকতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণকে সাথে নিয়েই আমরা নিরাপদ সড়ক গড়তে চাই।