সাইফুল হত্যাকান্ডে বাদী পক্ষকে জামিনে মুক্তি পেয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ
-
Reporter Name - Update Time : ১২:২১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২
- ১৭৭ Time View

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহ।
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের লক্ষীপুরে গত ১০/০৭/২০২১ তারিখে বিবাদী তানভীর, ফয়জল হক, শাকিল, নজরুল, লিটন, আলাল, জামাল গংরা কুপিয়ে আহত করে স্কুল ছাত্র সাইফুলকে। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে আহত সাইফুলকে। আহত সাইফুলের অবনতি হতে দেখে রেফার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সাইফুলের। এ ঘটনায় নিহত সাইফুল এর মা’ রহিমা বাদী হয়ে মামলা করে আদালতে।
মামলার বিবরণে জানা যায় ময়মনসিংহ সদর থানার এফআইআর নং-৩১/৭৬৩ তারিখ ১৪/০৭/২০২১ সময় ০০.১০ ঘটিকা ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/১১৪ পেনাল কোড-১৮৬০ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। উক্ত মামলা ২৩/০৩/২০২২ তারিখ চার্জশিট করে কোতোয়ালি মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলম। দোষী পত্র নংঃ- ২৬০(ক) ধারাঃ ১৪৩/৪৪৭/৩৪১/৩২৩/৩০২/৩০৭/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ এ অন্তর্ভুক্ত করে চার্জশিট হয়।
সাইফুল হত্যা কান্ডে আসামীগণ বিভিন্ন সময় মামলা আপোষ হতে বাদী পক্ষকে বিভিন্ন লোকজন দিয়ে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে প্রতিদিন। পাশাপাশি মিথ্যা ও বানোয়াট হয়রানি মূলক মামলা দিয়ে বাদীপক্ষকে গায়েল করতে পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে বিবাদীগণ। এরই মাঝে কোতোয়ালি মডেল থানায় বিবাদীগণ একটি মিথ্যা অভিযোগ পত্র দাখিল করে। অভিযোগ পত্র পেয়ে তদন্তে আসে কোতোয়ালী মডেল থানার এসআই আরিফ ও রহুল আমিন।
এরই মাঝে ১৯/০৮/২০২২ তারিখ বিজ্ঞা নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ১নং অঞ্চল আদালত ময়মনসিংহে আরেকটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে বিবাদী নজরুল ইসলাম। অথচ সরেজমিনে এ মামলায় উল্লেখ করা বিবরণের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। বাদী রহিমা খাতুন বলেন, আমাকে ও আমার পরিবারের আরো ক্ষতি করতে পারে যে কোন সময়। আমি প্রশাসনের নিকট পূর্ণ নিরাপত্তা চাই। সেই সাথে কিছু অসাধু লোভী প্রকৃতির লোকদিয়ে আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করে আসছে প্রতিদিন।
আমার ও আমার পরিবারের বড় ধরণের ক্ষতি হওয়ার আগে পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ করছি। সেই সাথে আসামীদের গ্রেফতার করে পুনরায় জেলহাজতে পেরন করার অনুরোধ করছি। আমার ও পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলা করবে গুম খুনের হুমকি দিয়ে আসছে নজরুল গং। এ ঘটনায় বাদী রহিমা খাতুন কোতোয়ালি মডেল থানায় আরেকটি অভিযোগ করেছেন।
কোতোয়ালী মডেল থানার এসআই আনোয়ার হোসেন এ অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বলেও জানা যায়। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলছি আমার পরিবার উপর আর কোন মিথ্যা মামলা যেন না করতে পারে বিবাদীগণ। এ ব্যপারে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

















