Hi

ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সড়ক নিরাপদ করতে হলে কমপক্ষে ৬৭ লাখ চালককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ মার্চ ২০২৩
  • ১৫০ Time View

মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু

এফবিসিসিআই ষ্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য টেলিলিংক গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু বলেছেন সড়ক নিরাপদ করতে হলে কমপক্ষে ৬৭ লাখ চালককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অবহেলার কারণে এই সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে এগিয়ে আসতে হবে এবং এই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
শুক্রবার রাজধানীর বারিধায় সেইফ ড্রাইভ সংগঠনের আয়োজনে চালকদের প্রশিক্ষন ও সনদ বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন আজ গাড়িচালকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এটি একটি চমৎকার উদ্যোগ। আমরা মনে করি যারা এখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন তারা আশে পাশের চালকদেরও সবগুলো বিষয় নিয়ে অবহিত এবং সচেতন করে তুলবেন। তাহলে পর্যায়ক্রমে চালকদের হাত ধরেই সড়ক নিরাপদ হয়ে উঠবে।”
গাড়ির চালকের আসনে বসে অসম প্রতিযোগিতা করাটা প্র্রশিক্ষণের বিষয় নয়। এটা নিজের বিবেক-বিবেচনা এবং নৈতিকতার বিষয়। তাই কখনো অসম প্রতিযোগিতা কিংবা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ওভারটেক করাটা কোনোভাবেই উচিত নয়। বিষয়টি চালকদের সবসময় মনে রাখা জরুরি।”

সচেতনতা ও সতর্কতার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা মোকাবেলা করা সম্ভব। এতে আমরা নিজেরা যেমন সড়কে নিরাপদ থাকব তেমনি শিশু, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রিয়মুখগুলোও নিরাপদ থাকবে আর আমাদের দেখতে হবে না রাস্তায় স্বজন হারানোর আহাজারি। তাই সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক, পথচারী ও যাত্রীদের মধ্যে বেশি সচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা এবং আইন-কানুন মেনে চলার সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন এছাড়া দেশে চালকদের নিরাপদ কাজের পরিবেশ নেই। চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রতিদিন চালকদেরকে একটা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। মালিকদের দেওয়া এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে অনেক সময় বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে চালকরা দুর্ঘটনা ঘটায়।

সংগঠনের সভাপতি ইন্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কেরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের অধ্যক্ষ ইন্জিনিয়ার লুৎফর রহমান ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ জাকির হোসেন বাংলাদেশ যাত্রি কল্যান সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী মুসলিম এইড ইন্সটিটিউট এর অধ্যক্ষ গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত দুই শতাধিক চালককে প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরন করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভালুকায় মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ

সড়ক নিরাপদ করতে হলে কমপক্ষে ৬৭ লাখ চালককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে

Update Time : ১০:৪১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ মার্চ ২০২৩

মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু

এফবিসিসিআই ষ্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য টেলিলিংক গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু বলেছেন সড়ক নিরাপদ করতে হলে কমপক্ষে ৬৭ লাখ চালককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অবহেলার কারণে এই সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে এগিয়ে আসতে হবে এবং এই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
শুক্রবার রাজধানীর বারিধায় সেইফ ড্রাইভ সংগঠনের আয়োজনে চালকদের প্রশিক্ষন ও সনদ বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন আজ গাড়িচালকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এটি একটি চমৎকার উদ্যোগ। আমরা মনে করি যারা এখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন তারা আশে পাশের চালকদেরও সবগুলো বিষয় নিয়ে অবহিত এবং সচেতন করে তুলবেন। তাহলে পর্যায়ক্রমে চালকদের হাত ধরেই সড়ক নিরাপদ হয়ে উঠবে।”
গাড়ির চালকের আসনে বসে অসম প্রতিযোগিতা করাটা প্র্রশিক্ষণের বিষয় নয়। এটা নিজের বিবেক-বিবেচনা এবং নৈতিকতার বিষয়। তাই কখনো অসম প্রতিযোগিতা কিংবা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ওভারটেক করাটা কোনোভাবেই উচিত নয়। বিষয়টি চালকদের সবসময় মনে রাখা জরুরি।”

সচেতনতা ও সতর্কতার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা মোকাবেলা করা সম্ভব। এতে আমরা নিজেরা যেমন সড়কে নিরাপদ থাকব তেমনি শিশু, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রিয়মুখগুলোও নিরাপদ থাকবে আর আমাদের দেখতে হবে না রাস্তায় স্বজন হারানোর আহাজারি। তাই সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক, পথচারী ও যাত্রীদের মধ্যে বেশি সচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা এবং আইন-কানুন মেনে চলার সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন এছাড়া দেশে চালকদের নিরাপদ কাজের পরিবেশ নেই। চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রতিদিন চালকদেরকে একটা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। মালিকদের দেওয়া এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে অনেক সময় বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে চালকরা দুর্ঘটনা ঘটায়।

সংগঠনের সভাপতি ইন্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কেরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের অধ্যক্ষ ইন্জিনিয়ার লুৎফর রহমান ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ জাকির হোসেন বাংলাদেশ যাত্রি কল্যান সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী মুসলিম এইড ইন্সটিটিউট এর অধ্যক্ষ গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত দুই শতাধিক চালককে প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরন করা হয়।