Hi

ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যাসিস্ট ও দালাল মুক্ত চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চাই- আন্দোলনে বৈষম্যের স্বীকার একঝাঁক সাংবাদিক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪
  • ১৯৬ Time View

 মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধিঃ কোটা আন্দোলনের ইস্যু নিয়ে সমগ্র বাংলাদেশ যখন ফ্যাসিজমের উগ্র দালালদের বিতাড়িত করছে ঠিক তখনই কোটা আন্দোলনে অংশ নেয়া নিষ্পাপ সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের বুকের তাজা রক্তে ভেজা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ এর উপর দাঁড়িয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সংস্কারের বিরোধীতা করে যাচ্ছে স্বৈরাচারের পক্ষে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা চাটুকারের দল। যারা হল একুশে ফেব্রুয়ারির ন্যায় রক্তাক্ত জুলাইয়ের জন্মদাতা। এখনো তারা দালাল- চক্র নিয়ে গঠিত কমিটির সক্রিয়তায় সাধারণ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপ সংবাদ প্রচারে ব্যস্ত রয়েছে। নির্লজ্জ বেহায়া পনার মাধ্যমে আঁকড়ে ধরে পরে আছে সাংবাদিকদের সাথে আইনি লড়াইয়ে হেরে যাওয়া সংস্কার বিরোধী কমিটি নিয়ে। সরকারি তকমায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এর সাইনবোর্ড ব্যাবহার করে আন্দোলনরত সাংবাদিকদের নিয়ে বিভিন্ন গণ মাধ্যম ও সরকারি দপ্তরে চালিয়ে যাচ্ছে একের পর এক মিথ্যাচার। এই বিষয়গুলোকে আমলে নিয়ে সংস্কার আন্দোলনে বৈষম্যের স্বীকার একাধিক জাতীয়/আঞ্চলিক/ অনলাইন পোর্টালে কর্মরত সাংবাদিকরা যখন প্রতিবাদে এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে ঠিক তখনই তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে উগ্রতার পাশাপাশি কূট কৌশল এর আশ্রয় নিয়ে আন্দোলনরত সাধারণ সাংবাদিকের বিরুদ্ধাচরণে চালিয়ে যাচ্ছে অপপ্রচার। সাংবাদিকদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া কথা বলার শেষ স্থান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নিয়ে এখনো রঙ্গ তামাশায় লিপ্ত রয়েছে সাংবাদিক নামধারী একশ্রেণীর দালাল চক্র। কোটায় সাধারণ ছাত্রদের পাশে না থেকে বাতাবি লেবুর উপাধি প্রাপ্ত নামধারী সাংবাদিকদের নিয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কে নিজেদের কুক্ষিগত করে রাখার অসৎ চক্রান্তের হলি খেলায় মেতেছে আজ তারা। পবিত্র প্রেস ক্লাবের অভ্যন্তরে মদ জুয়ার আসর বসিয়ে রাখে হয় হর হামেশা। যা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও দুঃখ জনক বলে দাবি করছেন আন্দোলনরত সাংবাদিকেরা। তাই চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কে দালাল মুক্ত করার উদ্দেশ্যে শান্তিপূর্ণ ভাবে হালাল পথে আন্দোলন করছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত অস্থায়ী বৈষম্যমূলক আচরণ বিরোধী ভিন্ন ভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকেরা। বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিকদের অনেকেই তাদের জুয়ার আসর এবং মদের বোতলের আড্ডা হতে পবিত্র চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কে আন্দোলনের মাধ্যমে স্থায়ী ভাবে সংস্কার ও দালাল মুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে জোড়দার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। দালাল মুক্ত চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব গঠনে ইতিমধ্যে আন্দোলনে অংশ নেয়া সাংবাদিকেরা সরকারের উচ্চ পর্যায় হতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কে কুক্ষিগত করে রাখার বিষয়টিকে তদন্তের মাধ্যমে চিরতরে ফ্যাসিজমের অবসান ঘটবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন। সাংবাদিক সমাজ ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এর ফ্যাসিস্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দূর্বার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে ইতিমধ্যে সরকারি দফতরে কর্মরত কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চক্রান্তে জড়িত অপরাধী সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোড় দাবি জানিয়েছেন। তারা অধিকার আদায়ে ন্যায্য দাবি নিয়ে দূর্বার আন্দোলন চালিয়ে যাবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ সাংবাদিকের মাঝ থেকে বৈষম্যের বিরুদ্ধে ও সংস্কারের প্রতিবাদে আওয়াজ উঠানো হলে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদ পুষ্ট দীর্ঘ মেয়াদি রাষ্ট্র পরিচালনায় নিযুক্ত কর্তা বাবুদের মাধ্যমে সহজেই ঐ সব প্রতিবাদি সাংবাদিকদের ভিন্ন ভিন্ন অপ কৌশলে একাধিক মামলার আসামি বানিয়ে দেয়া হতো। ফলে বৈষম্যের স্বীকার অধিকাংশ সাংবাদিকেরা তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়নি এত বছর। সম্পূর্ণ দেশ এখন সংস্কারের পক্ষে। কাজেই চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকেও সংস্কার ও দালাল মুক্ত করে সব সাংবাদিকদের জন্য উম্মুক্ত করে দিতে হবে এমনটাই দাবি বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত আন্দোলনকারী সব সাংবাদিকের।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ফ্যাসিস্ট ও দালাল মুক্ত চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চাই- আন্দোলনে বৈষম্যের স্বীকার একঝাঁক সাংবাদিক

Update Time : ০৪:১৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪

 মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধিঃ কোটা আন্দোলনের ইস্যু নিয়ে সমগ্র বাংলাদেশ যখন ফ্যাসিজমের উগ্র দালালদের বিতাড়িত করছে ঠিক তখনই কোটা আন্দোলনে অংশ নেয়া নিষ্পাপ সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের বুকের তাজা রক্তে ভেজা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ এর উপর দাঁড়িয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সংস্কারের বিরোধীতা করে যাচ্ছে স্বৈরাচারের পক্ষে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা চাটুকারের দল। যারা হল একুশে ফেব্রুয়ারির ন্যায় রক্তাক্ত জুলাইয়ের জন্মদাতা। এখনো তারা দালাল- চক্র নিয়ে গঠিত কমিটির সক্রিয়তায় সাধারণ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপ সংবাদ প্রচারে ব্যস্ত রয়েছে। নির্লজ্জ বেহায়া পনার মাধ্যমে আঁকড়ে ধরে পরে আছে সাংবাদিকদের সাথে আইনি লড়াইয়ে হেরে যাওয়া সংস্কার বিরোধী কমিটি নিয়ে। সরকারি তকমায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এর সাইনবোর্ড ব্যাবহার করে আন্দোলনরত সাংবাদিকদের নিয়ে বিভিন্ন গণ মাধ্যম ও সরকারি দপ্তরে চালিয়ে যাচ্ছে একের পর এক মিথ্যাচার। এই বিষয়গুলোকে আমলে নিয়ে সংস্কার আন্দোলনে বৈষম্যের স্বীকার একাধিক জাতীয়/আঞ্চলিক/ অনলাইন পোর্টালে কর্মরত সাংবাদিকরা যখন প্রতিবাদে এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে ঠিক তখনই তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে উগ্রতার পাশাপাশি কূট কৌশল এর আশ্রয় নিয়ে আন্দোলনরত সাধারণ সাংবাদিকের বিরুদ্ধাচরণে চালিয়ে যাচ্ছে অপপ্রচার। সাংবাদিকদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া কথা বলার শেষ স্থান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নিয়ে এখনো রঙ্গ তামাশায় লিপ্ত রয়েছে সাংবাদিক নামধারী একশ্রেণীর দালাল চক্র। কোটায় সাধারণ ছাত্রদের পাশে না থেকে বাতাবি লেবুর উপাধি প্রাপ্ত নামধারী সাংবাদিকদের নিয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কে নিজেদের কুক্ষিগত করে রাখার অসৎ চক্রান্তের হলি খেলায় মেতেছে আজ তারা। পবিত্র প্রেস ক্লাবের অভ্যন্তরে মদ জুয়ার আসর বসিয়ে রাখে হয় হর হামেশা। যা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও দুঃখ জনক বলে দাবি করছেন আন্দোলনরত সাংবাদিকেরা। তাই চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কে দালাল মুক্ত করার উদ্দেশ্যে শান্তিপূর্ণ ভাবে হালাল পথে আন্দোলন করছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত অস্থায়ী বৈষম্যমূলক আচরণ বিরোধী ভিন্ন ভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকেরা। বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিকদের অনেকেই তাদের জুয়ার আসর এবং মদের বোতলের আড্ডা হতে পবিত্র চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কে আন্দোলনের মাধ্যমে স্থায়ী ভাবে সংস্কার ও দালাল মুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে জোড়দার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। দালাল মুক্ত চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব গঠনে ইতিমধ্যে আন্দোলনে অংশ নেয়া সাংবাদিকেরা সরকারের উচ্চ পর্যায় হতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কে কুক্ষিগত করে রাখার বিষয়টিকে তদন্তের মাধ্যমে চিরতরে ফ্যাসিজমের অবসান ঘটবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন। সাংবাদিক সমাজ ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এর ফ্যাসিস্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দূর্বার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে ইতিমধ্যে সরকারি দফতরে কর্মরত কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চক্রান্তে জড়িত অপরাধী সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোড় দাবি জানিয়েছেন। তারা অধিকার আদায়ে ন্যায্য দাবি নিয়ে দূর্বার আন্দোলন চালিয়ে যাবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ সাংবাদিকের মাঝ থেকে বৈষম্যের বিরুদ্ধে ও সংস্কারের প্রতিবাদে আওয়াজ উঠানো হলে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদ পুষ্ট দীর্ঘ মেয়াদি রাষ্ট্র পরিচালনায় নিযুক্ত কর্তা বাবুদের মাধ্যমে সহজেই ঐ সব প্রতিবাদি সাংবাদিকদের ভিন্ন ভিন্ন অপ কৌশলে একাধিক মামলার আসামি বানিয়ে দেয়া হতো। ফলে বৈষম্যের স্বীকার অধিকাংশ সাংবাদিকেরা তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়নি এত বছর। সম্পূর্ণ দেশ এখন সংস্কারের পক্ষে। কাজেই চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকেও সংস্কার ও দালাল মুক্ত করে সব সাংবাদিকদের জন্য উম্মুক্ত করে দিতে হবে এমনটাই দাবি বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত আন্দোলনকারী সব সাংবাদিকের।