Hi

ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুলবাড়িয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশে অবৈধ করাত কল পরিবেশ হুমকীর মুখে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২
  • ২২৪ Time View

গোলাম কিবরিয়া পলাশ :-

কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র হলো গ্রামের মানুষজনের জন্য একটি চিকিৎসা কেন্দ্র। আর চিকিৎসা কেন্দ্র হবে সুন্দর একটা পরিবেশে। যাতে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষজনের কোন অসুবিধা না হয়। দেখা গেল এই কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিদিন সেবা গ্রহন করেন, এলাকার খেটে খাওয়া সাধারণ জনগন, সাথেই গড়ে উঠেছে অবৈধ করাত কল, যার কারনে পরিবেশ হুকমির মুখে।

ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১০নং কালাদহ ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত কমিনিউটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এ বিষয়ে কমিনিউটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রর কর্মী সিএইচইপি মোছাঃ খাদিজা বেগম জানান অবৈধ করাত কল থাকার কারনে স্বাস্থ্য কেন্দ্র সেবা দিতে অনেক অসুবিধা হয়।

এমন কি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে শুধু কাঠের, গুড়ি, আর কাঠের গুড়ি, এবং কি সামনে গাছের ডুম রাখায় অনেক রোগীর যাতায়াতের সমস্যা হয়। এ কমিউনিটি ক্লিনিকের উল্লেখযোগ্য সেবা সমূহ ১. মহিলাদের প্রসব -পূর্ব ( গর্ভকালীন, প্রসবকালীন, প্রসবোত্তর সেবা। ২. সদ্য প্রসতী মা ( ৬ সপ্তাহে মধ্যে) এবং কি শিশুদের ভিটামিন” এ” ক্যাপসুল প্রদান।

৩.কিশোর, কিশোরীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা, এবং পরামর্শ প্রদান। ৪. ইপিআই সিডিউল অনুযায়ী শিশুদের প্রতিষেধক টিকাদান। ৫.১থেকে ৫ বছরের শিশুদের ৬ মাস পরপর প্রয়োজনীয় পরিমাণ ভিটামিন ‘এ ‘ কেপসুল খাওয়ানো এবং রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুদের খুজে বের করে চিকিৎসা প্রদান। ৬.ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর খাওয়ার স্যালাইনও জিংক বড়ি প্রদান।

৭.সদ্য বিবাহিতা এবং গর্ভকালীন মহিলাদের নিবন্ধী করন,সম্ভাব্য প্রসব তারিখ সংরক্ষণ। ৭.জন্মও মৃত্যু নিবন্ধীকরন। ৮.মাতৃও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা পর্যালোচনা করার মাধ্যমে উক্ত জনগোষ্ঠির শিশু স্বাস্থ্য ওপুষ্টি পরামর্শ প্রদান। ৯.নবজাতকের অত্যাবশকীয় সেবা প্রদান। ১০. আগ্রহী মহিলাদের আই, ইউডি (lUD)স্হাপন, প্রথম ডোস গর্ভ নিরোধক ইনজেকশন প্রদান, জন্মনিরোধকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চিকিৎসা ওপরামর্শ প্রদান।

১২. আয়োডিনের স্বল্পতা,কৃমি শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমন,যক্ষা,কুষ্ঠ, ম্যালেরিয়া, আসেনিকের বিষক্রিয়া, ত্বকের ছত্রাক,ইত্যাদি রোগের ক্ষেত্রে লক্ষন বৃত্তিক চিকিৎসা প্রদান। রেফার কিংবা উন্নতর হাসপাতালে ক্লিনিকে ব্যবস্হাপত্র অনুসারে ঔষধ প্রদান /অনুসরণ।

এতে করে পরিবেশ হুমকীর মুখে, স্হানীয় পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন,বিষয়টি আমি দেখতেছি, হাসপাতালের সামনে যাতে কোন কাঠ না রাখে। এ বিষয়ে ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তফা মেম্বার বলেন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে।
এই অবৈধ করাত কলের অবস্থান বনায়নের অতি নিকটে একদিকে এনায়েতপুর বিট, অন্যদিকে সন্তুোষপুর বিট, রাঙ্গামাটির দুই বনায়নের মাঝ খানে এই অবৈধ করাত কল পরিবেশের হুমকী তৈরী করছে, পাশে অবস্থিত কালাদহ দাখিল মাদ্রাসা এবং নুরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা এবং কি অবৈধ করাত কলের মালিক সেলিম মিয়া জানান অতি তাড়াতাড়ি পরিবেশের ছাড়পত্র পেলে লাইসেন্স পাব।

এদিকে ওই রেঞ্জের দায়িত্বে এসি এফ হারুন উর রশিদ জানান করাত কল বিধিমালার বাহিরে কিছু হবে না।এবং সন্তোষপুর বিট কর্মকতা আব্দুর রফ বলেন, আমি শুধু দেখতে পারবো, লাইন্সের ব্যাপারে রেঞ্জ কর্মকতার কাজ, আমার নয়, রসুলপুর রেঞ্জ কর্মকতা সুমন বলেন -আমার কাছে সেলিম পিতা-মৃত জয়নাল আবেদীন এই নামে কোন আবেদন আসেনি, আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

এ ব্যাপারে বিভাগীয় বন কর্মকতা অফিসিয়াল মোবাইল নাম্বারে কল করিলে, তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি। এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করিলে তা সম্ভব হয়নি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ফুলবাড়িয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশে অবৈধ করাত কল পরিবেশ হুমকীর মুখে

Update Time : ০৯:৪৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২

গোলাম কিবরিয়া পলাশ :-

কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র হলো গ্রামের মানুষজনের জন্য একটি চিকিৎসা কেন্দ্র। আর চিকিৎসা কেন্দ্র হবে সুন্দর একটা পরিবেশে। যাতে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষজনের কোন অসুবিধা না হয়। দেখা গেল এই কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিদিন সেবা গ্রহন করেন, এলাকার খেটে খাওয়া সাধারণ জনগন, সাথেই গড়ে উঠেছে অবৈধ করাত কল, যার কারনে পরিবেশ হুকমির মুখে।

ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১০নং কালাদহ ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত কমিনিউটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এ বিষয়ে কমিনিউটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রর কর্মী সিএইচইপি মোছাঃ খাদিজা বেগম জানান অবৈধ করাত কল থাকার কারনে স্বাস্থ্য কেন্দ্র সেবা দিতে অনেক অসুবিধা হয়।

এমন কি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে শুধু কাঠের, গুড়ি, আর কাঠের গুড়ি, এবং কি সামনে গাছের ডুম রাখায় অনেক রোগীর যাতায়াতের সমস্যা হয়। এ কমিউনিটি ক্লিনিকের উল্লেখযোগ্য সেবা সমূহ ১. মহিলাদের প্রসব -পূর্ব ( গর্ভকালীন, প্রসবকালীন, প্রসবোত্তর সেবা। ২. সদ্য প্রসতী মা ( ৬ সপ্তাহে মধ্যে) এবং কি শিশুদের ভিটামিন” এ” ক্যাপসুল প্রদান।

৩.কিশোর, কিশোরীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা, এবং পরামর্শ প্রদান। ৪. ইপিআই সিডিউল অনুযায়ী শিশুদের প্রতিষেধক টিকাদান। ৫.১থেকে ৫ বছরের শিশুদের ৬ মাস পরপর প্রয়োজনীয় পরিমাণ ভিটামিন ‘এ ‘ কেপসুল খাওয়ানো এবং রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুদের খুজে বের করে চিকিৎসা প্রদান। ৬.ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর খাওয়ার স্যালাইনও জিংক বড়ি প্রদান।

৭.সদ্য বিবাহিতা এবং গর্ভকালীন মহিলাদের নিবন্ধী করন,সম্ভাব্য প্রসব তারিখ সংরক্ষণ। ৭.জন্মও মৃত্যু নিবন্ধীকরন। ৮.মাতৃও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা পর্যালোচনা করার মাধ্যমে উক্ত জনগোষ্ঠির শিশু স্বাস্থ্য ওপুষ্টি পরামর্শ প্রদান। ৯.নবজাতকের অত্যাবশকীয় সেবা প্রদান। ১০. আগ্রহী মহিলাদের আই, ইউডি (lUD)স্হাপন, প্রথম ডোস গর্ভ নিরোধক ইনজেকশন প্রদান, জন্মনিরোধকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চিকিৎসা ওপরামর্শ প্রদান।

১২. আয়োডিনের স্বল্পতা,কৃমি শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমন,যক্ষা,কুষ্ঠ, ম্যালেরিয়া, আসেনিকের বিষক্রিয়া, ত্বকের ছত্রাক,ইত্যাদি রোগের ক্ষেত্রে লক্ষন বৃত্তিক চিকিৎসা প্রদান। রেফার কিংবা উন্নতর হাসপাতালে ক্লিনিকে ব্যবস্হাপত্র অনুসারে ঔষধ প্রদান /অনুসরণ।

এতে করে পরিবেশ হুমকীর মুখে, স্হানীয় পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন,বিষয়টি আমি দেখতেছি, হাসপাতালের সামনে যাতে কোন কাঠ না রাখে। এ বিষয়ে ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তফা মেম্বার বলেন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে।
এই অবৈধ করাত কলের অবস্থান বনায়নের অতি নিকটে একদিকে এনায়েতপুর বিট, অন্যদিকে সন্তুোষপুর বিট, রাঙ্গামাটির দুই বনায়নের মাঝ খানে এই অবৈধ করাত কল পরিবেশের হুমকী তৈরী করছে, পাশে অবস্থিত কালাদহ দাখিল মাদ্রাসা এবং নুরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা এবং কি অবৈধ করাত কলের মালিক সেলিম মিয়া জানান অতি তাড়াতাড়ি পরিবেশের ছাড়পত্র পেলে লাইসেন্স পাব।

এদিকে ওই রেঞ্জের দায়িত্বে এসি এফ হারুন উর রশিদ জানান করাত কল বিধিমালার বাহিরে কিছু হবে না।এবং সন্তোষপুর বিট কর্মকতা আব্দুর রফ বলেন, আমি শুধু দেখতে পারবো, লাইন্সের ব্যাপারে রেঞ্জ কর্মকতার কাজ, আমার নয়, রসুলপুর রেঞ্জ কর্মকতা সুমন বলেন -আমার কাছে সেলিম পিতা-মৃত জয়নাল আবেদীন এই নামে কোন আবেদন আসেনি, আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

এ ব্যাপারে বিভাগীয় বন কর্মকতা অফিসিয়াল মোবাইল নাম্বারে কল করিলে, তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি। এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করিলে তা সম্ভব হয়নি।