ফুলপুরে খাল খনন করলে বাঁচবে দুই ইউনিয়নের হাজারো কৃষক
-
Reporter Name - Update Time : ১১:১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২
- ২৭১ Time View

ফুলপুর( ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ মোঃ কামরুল ইসলাম খান
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের মাড়াদেওড়া গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ মাড়াদেওড়া খালটি এখন বিলীন হওয়ার পথে। খালের তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। সেইসাথে দখল হয়ে যাচ্ছে খালের দু’পাশ।
খালের বুকে চলছে চাষাবাদ। এক সময় এই খালটি ছিল এলাকার অনেক মানুষের জীবিকার উৎস। ভরাট হয়ে যাওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময়ই খালে পানি থাকে না। খালের কোন কোন জায়গায় মাছের পুকুরও করা রয়েছে। এক সময় মাড়াওদেড়া, শিববাড়ী, চাঁনপুর, মোকামিয়া, বালিচান্দা গ্রামে উপচে পড়া পানি এই খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বালিচান্দা বিলে পড়তো। এতে বিপুল এলাকা জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত থাকতো। সারা বছর নাব্যতার কারণে তীব্র গরমে এই খালে গ্রামের ছোট ছেলেমেয়েরা সাঁতার কাটতো। সময়ের বিবর্তনে খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় এমন দৃশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। তৎকালীন জিয়াউর রহমানের আমলে এই খালটি খনন করা হয়েছিল।
এরপর থেকে এই খালটি বাঁচানোর জন্য কোন সরকারই এগিয়ে আসেনি।
এ বিষয়ে ভাইটকান্দি ইউনিয়নের মাড়াদেওড়া গ্রামের হয়যত আলী জানান, মাড়াদেওড়া খালটি ভরাট হওয়ায় বর্ষাকালে অল্পতেই খালটি উপচে পড়ে। পর্যাপ্ত পানি প্রবাহের সুযোগ না থাকায় মাড়া বিলের কচুরিপানা এই খালের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী ফসলের জমিতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ফসলের ব্যাপক তিসাধিত হয়। এতেও মাড়া বিলটি কচুরীপানায় ঢাকা থাকে।
এক সময় মাড়াদেওড়া খালটি ৫০ থেকে ১০০ ফুট ফুট প্রশস্ত ছিল।
বর্তমানে তা সংকোচিত হয়ে ৫ থেকে ১০ ফুটে দাঁড়িয়েছে। অনেক জায়গায় খাল দখল করে মাছের পুকুর করেছেন প্রভাবশালীরা। এই খালের জমি পুনরুদ্ধার করে খনন করা হলে মাছের উৎস হিসাবে আবারো ফিরে পাবে পুরনো ঐতিহ্য। সেইসাথে এলাকার মৎস্যজীবীদের আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
ভাইটকান্দি মাড়াদেওড়া গ্রামের আবুল খায়ের বাদল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা উন্নয়ন মূলক কাজ করে আসছেন।
তাই বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি
আমাদের এই মাড়াদেওড়া খাল খননের দিকে একটু নজর দেন তাহলে ভাইটকান্দি ইউনিয়ন ও সিংহেশ্বর ইউনিয়নে অনেক লোকের উপকার হত।
এ ব্যাপারে ভাইটকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাল উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, এই খালটি পুনরায় খনন করা হলে বোরো আবাদে এলাকার চাষীরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। সেই সাথে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।


















