Hi

ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবাবগঞ্জে দেহ ব্যাবসার সাথে জমজমাট চলছে মাদক ব্যাবসা দেখার যেন কেউ নেই

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪
  • ২৭৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের মহব্বতপুর চাঁদ মসজিদ সংলগ্ন চিহ্নিত দেহ ব্যাবসায়ী ও মাদক ব্যাবসায়ী শেখ হাসেম এর মেয়ে সেলিনা আক্তার ওরফে শিলা নামে এক মাদক দেহ ব্যবসায়ী তাঁর একমাত্র ভাই মুরাদ কে দিয়ে করান মাদক ব্যবসা।খবর নিয়ে জানা যায় শিলার যুবতী মেয়ে রিফা (১৭) মহব্বতপুর উচ্চবিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী এখন এমন অবস্থায় স্কুল ছাত্রী রিফাও সন্দেহজনক অবস্থায় আছেন এলাকাবাসীর কাছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ এরা দুই ভাই বোন মিলে দীর্ঘদিন যাবত এলাকার যুব সমাজকে দংশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যক্তি বলেন শিলা আমাদের এলাকায় বাড়ি করার পর থেকেই প্রতি নিয়ত দিন শেষে সন্ধ্যা হতে না হতেই গভির রাত পর্যন্ত ভিবিন্ন এলাকার যুবকদের ঐ বাড়িতে আসা যাওয়া করতে দেখা যায়।গোপনে দারণকৃত ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায় সেলিনা আক্তার শিলা নিজ ঘরে খাটের উপরে বসে মাদক সেবন করছে।শিলা সন্ধ্যা হতে রাতের আধাঁরে এলাকার ভিবিন্ন জঙ্গলে ও ফসলি খেতে যেতে দেখা যায়।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন ও নির্জন জায়গাতে কি এমন কাজ করেন শিলা।এসব উপকর্মের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে নবাবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি গনসাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ হয়েছে বলেও যানান এলাকাবাসী।এ বিষয় শিলার কাছে এলাকার বেশ কয়েকজন সন্মানীয় ব্যাক্তিরা জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসীদের বলেন আমার উপর মহলের প্রতাপশালী ব্যাক্তিরা রয়েছে আমি কাউকে কৈফিয়ত দিতে রাজি না,
আমি তাদের দিয়ে আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিব বলে এলাকাবাসী কে হুমকিও দেন মাদক ও দেহ ব্যবসায়ী শিলা।
শিলা আরো বলেন আমি আপনাদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দিবো বলে হুমকি দেয়।গোপন সূত্রে জানা যায় শিলার ও ভাই মুরাদ দুইজনই সু শিক্ষিত ইচ্ছা করলে ভালো চাকরী করতে পারে, কিন্ত সে দিকে না গিয়ে দেহ ব্যাবসা ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।এক জন বলেন তাদের ব্যবসা ভালোয় চলে ভাই খরিদ্দার সংগ্রহ করে এনে দেয়, বোন ও ভাগনীর জন্য ।
তাদের কিছু দালালও আছে যারা খরিদ্দার ও মাদক ক্রেতা এনে দেয়।গোপন সূত্রে জানা যায় শিলা ও তার ভাই বাংলাদেশ সরকারের নিষেধ ঘোষিত ভারতীয় ফেনসিডিল সহ মরন ব্যাদি ইয়াবা নাসক ট্যাবলেট, এর ব্যাবসা এখন রমরমা ।বিষয়টি এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টী হলে বিগত কয়েকদিন যাবত তার ভাই লোক দেখানো দিন মজুরী কাজ করে!অন্যদিকে শিলার একমাত্র মেয়ের লেখা পড়ার খরচ সংসার খরচ কি করে এতোদিন পর্যন্ত চলছে বা চলে আসছে প্রশ্ন এলাকাবাসীর!

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ফুলবাড়ীয়ায় হরেকৃষ্ণ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক-অভিভাবক সমাবেশ

নবাবগঞ্জে দেহ ব্যাবসার সাথে জমজমাট চলছে মাদক ব্যাবসা দেখার যেন কেউ নেই

Update Time : ০৫:১৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের মহব্বতপুর চাঁদ মসজিদ সংলগ্ন চিহ্নিত দেহ ব্যাবসায়ী ও মাদক ব্যাবসায়ী শেখ হাসেম এর মেয়ে সেলিনা আক্তার ওরফে শিলা নামে এক মাদক দেহ ব্যবসায়ী তাঁর একমাত্র ভাই মুরাদ কে দিয়ে করান মাদক ব্যবসা।খবর নিয়ে জানা যায় শিলার যুবতী মেয়ে রিফা (১৭) মহব্বতপুর উচ্চবিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী এখন এমন অবস্থায় স্কুল ছাত্রী রিফাও সন্দেহজনক অবস্থায় আছেন এলাকাবাসীর কাছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ এরা দুই ভাই বোন মিলে দীর্ঘদিন যাবত এলাকার যুব সমাজকে দংশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যক্তি বলেন শিলা আমাদের এলাকায় বাড়ি করার পর থেকেই প্রতি নিয়ত দিন শেষে সন্ধ্যা হতে না হতেই গভির রাত পর্যন্ত ভিবিন্ন এলাকার যুবকদের ঐ বাড়িতে আসা যাওয়া করতে দেখা যায়।গোপনে দারণকৃত ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায় সেলিনা আক্তার শিলা নিজ ঘরে খাটের উপরে বসে মাদক সেবন করছে।শিলা সন্ধ্যা হতে রাতের আধাঁরে এলাকার ভিবিন্ন জঙ্গলে ও ফসলি খেতে যেতে দেখা যায়।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন ও নির্জন জায়গাতে কি এমন কাজ করেন শিলা।এসব উপকর্মের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে নবাবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি গনসাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ হয়েছে বলেও যানান এলাকাবাসী।এ বিষয় শিলার কাছে এলাকার বেশ কয়েকজন সন্মানীয় ব্যাক্তিরা জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসীদের বলেন আমার উপর মহলের প্রতাপশালী ব্যাক্তিরা রয়েছে আমি কাউকে কৈফিয়ত দিতে রাজি না,
আমি তাদের দিয়ে আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিব বলে এলাকাবাসী কে হুমকিও দেন মাদক ও দেহ ব্যবসায়ী শিলা।
শিলা আরো বলেন আমি আপনাদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দিবো বলে হুমকি দেয়।গোপন সূত্রে জানা যায় শিলার ও ভাই মুরাদ দুইজনই সু শিক্ষিত ইচ্ছা করলে ভালো চাকরী করতে পারে, কিন্ত সে দিকে না গিয়ে দেহ ব্যাবসা ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।এক জন বলেন তাদের ব্যবসা ভালোয় চলে ভাই খরিদ্দার সংগ্রহ করে এনে দেয়, বোন ও ভাগনীর জন্য ।
তাদের কিছু দালালও আছে যারা খরিদ্দার ও মাদক ক্রেতা এনে দেয়।গোপন সূত্রে জানা যায় শিলা ও তার ভাই বাংলাদেশ সরকারের নিষেধ ঘোষিত ভারতীয় ফেনসিডিল সহ মরন ব্যাদি ইয়াবা নাসক ট্যাবলেট, এর ব্যাবসা এখন রমরমা ।বিষয়টি এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টী হলে বিগত কয়েকদিন যাবত তার ভাই লোক দেখানো দিন মজুরী কাজ করে!অন্যদিকে শিলার একমাত্র মেয়ের লেখা পড়ার খরচ সংসার খরচ কি করে এতোদিন পর্যন্ত চলছে বা চলে আসছে প্রশ্ন এলাকাবাসীর!