Hi

ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্যুরিস্ট পুলিশ–টিডিএবি ঐক্য: পর্যটনশিল্পে বিশ্বমান অর্জনের পথচলা শুরু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২০৪ Time View

বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ট্যুরিজম ডেভেলপারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিডিএবি) যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। রাজধানীর ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা হয়। সভায় ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান মোঃ মাইনুল হাসান, বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি, অতিরিক্ত আইজিপি’র সঙ্গে মতবিনিময় করেন টিডিএবি চেয়ারম্যান আসলাম খান নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রুহুল আমিন, বিপিএম, ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা); জনাব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন, অতিরিক্ত ডিআইজি (ঢাকা-সিলেট-ময়মনসিংহ ডিভিশন, অতিরিক্ত দায়িত্বে খুলনা-বরিশাল ডিভিশন); এবং বিধান ত্রিপুরা, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত ডিআইজি (চট্টগ্রাম বিভাগ)। টিডিএবি চেয়ারম্যান আসলাম খান ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধানের হাতে একটি সৌজন্য স্মারক তুলে দেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প শুধু অর্থনীতির চাকা ঘোরাবে না, বরং বিশ্বে আমাদের দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে। এজন্য নিরাপত্তা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান মোঃ মাইনুল হাসানও ট্যুরিস্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “দেশি-বিদেশি পর্যটকরা যেন নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে বাংলাদেশ ভ্রমণ করতে পারেন, সেজন্য ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। ট্যুরিজম খাতকে আরও শক্তিশালী করতে টিডিএবি’র সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ একটি মাইলফলক হবে।” বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ পর্যটক গ্রহণ করে থাকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকার ও বেসরকারি উদ্যোগ একসাথে কাজ করলে এই সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব। নিরাপত্তা, আধুনিক অবকাঠামো, পর্যটন স্পটের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক প্রচারণা—এসবই এখন সময়ের দাবি। এই সাক্ষাত বৈঠকের মধ্য দিয়ে দেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ক্যাপ্টেন (অব.) ডা. এম. এন. সাফাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ

ট্যুরিস্ট পুলিশ–টিডিএবি ঐক্য: পর্যটনশিল্পে বিশ্বমান অর্জনের পথচলা শুরু

Update Time : ০৬:০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ট্যুরিজম ডেভেলপারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিডিএবি) যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। রাজধানীর ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা হয়। সভায় ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান মোঃ মাইনুল হাসান, বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি, অতিরিক্ত আইজিপি’র সঙ্গে মতবিনিময় করেন টিডিএবি চেয়ারম্যান আসলাম খান নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রুহুল আমিন, বিপিএম, ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা); জনাব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন, অতিরিক্ত ডিআইজি (ঢাকা-সিলেট-ময়মনসিংহ ডিভিশন, অতিরিক্ত দায়িত্বে খুলনা-বরিশাল ডিভিশন); এবং বিধান ত্রিপুরা, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত ডিআইজি (চট্টগ্রাম বিভাগ)। টিডিএবি চেয়ারম্যান আসলাম খান ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধানের হাতে একটি সৌজন্য স্মারক তুলে দেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প শুধু অর্থনীতির চাকা ঘোরাবে না, বরং বিশ্বে আমাদের দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে। এজন্য নিরাপত্তা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান মোঃ মাইনুল হাসানও ট্যুরিস্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “দেশি-বিদেশি পর্যটকরা যেন নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে বাংলাদেশ ভ্রমণ করতে পারেন, সেজন্য ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। ট্যুরিজম খাতকে আরও শক্তিশালী করতে টিডিএবি’র সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ একটি মাইলফলক হবে।” বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ পর্যটক গ্রহণ করে থাকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকার ও বেসরকারি উদ্যোগ একসাথে কাজ করলে এই সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব। নিরাপত্তা, আধুনিক অবকাঠামো, পর্যটন স্পটের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক প্রচারণা—এসবই এখন সময়ের দাবি। এই সাক্ষাত বৈঠকের মধ্য দিয়ে দেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।