Hi

ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চর বড়বিলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে ইউপি সদস্য শহিদুলকে হয়রানির অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩
  • ১৩৭ Time View

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের বড়বিলা গ্রামে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে শহিদুল ইসলাম মেম্বার। অল্প বয়সে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ইউপি সদস্য হন শহিদুল ইসলাম। মেম্বার হওয়ার পর থেকে একটি কুচক্রী মহল শহিদুল মেম্বারের বিভিন্ন দিকদিয়ে হয়রানি করে আসছে।

এমনকি মেম্বারের জনবলদের উপর বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা হামলা দিয়ে দাবীয়ে রাখতে চাচ্ছে কিছু চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী গুষ্ঠি যারা বিএনপি ও জামাতের দলবল। অথচ শহিদুল ইসলাম আওয়ামী লীগ পরিবারের ছেলে। নিজে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নিয়মিত মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।

উপর দিকে বিএনপি ও জামাতের কিছু চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের মিথ্যা ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে নিয়মিত। এ বিষয়ে চর বড়বিলা মোড়সহ স্থানীয় লোকদের নিকট জানতে চাইলে সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন সময় উসকানি মূলক বক্তব্যসহ কোন কিছু ঘটার আগেই একটি ঝগড়া ও বিবাদের সৃষ্টি করে কিছু চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী গুষ্ঠি।

এদের বিপক্ষে আমরা কিছু বলবো না। কারণ পরে শান্তিতে থাকতে পারবো না। আপনারা চলে যাবেন পরে আমাদের নিরাপত্তা দিবে কে। গত (২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩) তারিখ আনুমানিক বিকাল ৫ টায় একটি উসকানি মূলক ঝগড়া হয় যে ঝগড়াটার ব্যাপারে মেম্বার বা মেম্বারের পরিবারের কেউ জানে না। পরে জানতে পারে মেম্বারের চাচাতো ভাইদের ও ভাইয়ের স্ত্রী ও বোনদের দা ও দেশীয় অস্ত্রসহ সজ্জিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে কুপিয়ে আহত করে ৪/৫জনকে।

উল্টো নিজেদের শরীর নিজেরাই আঘাত করে নাটকীয় কায়দায় মিথ্যা মামলা দিয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় রেকর্ডভুক্ত করে। এদিকে ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি ছিলামই না কিছু জানলাম না তার পরেও আমাকে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে।

উপর দিকে আহত মোর্শেদা বলেন, আমাকে চুলের মুঠি ধরে টেনেহিঁচড়ে কিল ঘুষি মেরে বিভিন্ন জায়গায় নিলাফুলা জখম করে। এমনকি আমাকে খুন করার উদ্দেশ্যে দা’ দিয়ে কুপ দেয়ার পর আমার হাত দিয়ে ফিরিয়ে ফেললে আমার হাত হাড় ভাঙা জখম হয়। আমার গলায় থাকা সর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় আহত মিজান বলেন, আমাকে খুন করার উদ্দেশ্যে দা দিয়ে আমার মাথায় কুপ দেয়। পরে আমি মাটিতে ঢলে পড়লে। রড দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। আমি বার বার প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছি। কিন্তু নিষ্ঠুর মানুষ এরা আমাকে মেরেই ফেলতে চেয়েছিল। মৃত্যুর মূখ থেকে আমাকে আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় আব্দুল কাদের এর স্ত্রী ও মিজানের মা ছুলেমা খাতুন বাদী মামলা দেয়ের করে। ছুলেমা খাতুন বলেন, আমার ননদের গলা থেকে সর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। আমার একটি লাল গাভী গরু বাছুর সহ নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে উক্ত মামলার বাদী ও এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দূষিদের আইনের আওতায় এনে বিচার দাবী করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভালুকায় মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ

চর বড়বিলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে ইউপি সদস্য শহিদুলকে হয়রানির অভিযোগ

Update Time : ০৩:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের বড়বিলা গ্রামে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে শহিদুল ইসলাম মেম্বার। অল্প বয়সে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ইউপি সদস্য হন শহিদুল ইসলাম। মেম্বার হওয়ার পর থেকে একটি কুচক্রী মহল শহিদুল মেম্বারের বিভিন্ন দিকদিয়ে হয়রানি করে আসছে।

এমনকি মেম্বারের জনবলদের উপর বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা হামলা দিয়ে দাবীয়ে রাখতে চাচ্ছে কিছু চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী গুষ্ঠি যারা বিএনপি ও জামাতের দলবল। অথচ শহিদুল ইসলাম আওয়ামী লীগ পরিবারের ছেলে। নিজে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নিয়মিত মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।

উপর দিকে বিএনপি ও জামাতের কিছু চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের মিথ্যা ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে নিয়মিত। এ বিষয়ে চর বড়বিলা মোড়সহ স্থানীয় লোকদের নিকট জানতে চাইলে সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন সময় উসকানি মূলক বক্তব্যসহ কোন কিছু ঘটার আগেই একটি ঝগড়া ও বিবাদের সৃষ্টি করে কিছু চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী গুষ্ঠি।

এদের বিপক্ষে আমরা কিছু বলবো না। কারণ পরে শান্তিতে থাকতে পারবো না। আপনারা চলে যাবেন পরে আমাদের নিরাপত্তা দিবে কে। গত (২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩) তারিখ আনুমানিক বিকাল ৫ টায় একটি উসকানি মূলক ঝগড়া হয় যে ঝগড়াটার ব্যাপারে মেম্বার বা মেম্বারের পরিবারের কেউ জানে না। পরে জানতে পারে মেম্বারের চাচাতো ভাইদের ও ভাইয়ের স্ত্রী ও বোনদের দা ও দেশীয় অস্ত্রসহ সজ্জিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে কুপিয়ে আহত করে ৪/৫জনকে।

উল্টো নিজেদের শরীর নিজেরাই আঘাত করে নাটকীয় কায়দায় মিথ্যা মামলা দিয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় রেকর্ডভুক্ত করে। এদিকে ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি ছিলামই না কিছু জানলাম না তার পরেও আমাকে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে।

উপর দিকে আহত মোর্শেদা বলেন, আমাকে চুলের মুঠি ধরে টেনেহিঁচড়ে কিল ঘুষি মেরে বিভিন্ন জায়গায় নিলাফুলা জখম করে। এমনকি আমাকে খুন করার উদ্দেশ্যে দা’ দিয়ে কুপ দেয়ার পর আমার হাত দিয়ে ফিরিয়ে ফেললে আমার হাত হাড় ভাঙা জখম হয়। আমার গলায় থাকা সর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় আহত মিজান বলেন, আমাকে খুন করার উদ্দেশ্যে দা দিয়ে আমার মাথায় কুপ দেয়। পরে আমি মাটিতে ঢলে পড়লে। রড দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। আমি বার বার প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছি। কিন্তু নিষ্ঠুর মানুষ এরা আমাকে মেরেই ফেলতে চেয়েছিল। মৃত্যুর মূখ থেকে আমাকে আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় আব্দুল কাদের এর স্ত্রী ও মিজানের মা ছুলেমা খাতুন বাদী মামলা দেয়ের করে। ছুলেমা খাতুন বলেন, আমার ননদের গলা থেকে সর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। আমার একটি লাল গাভী গরু বাছুর সহ নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে উক্ত মামলার বাদী ও এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দূষিদের আইনের আওতায় এনে বিচার দাবী করেন।