Hi

ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকারের গাড়িবহরে স’ন্ত্রা’সী চড়াও, আ’হ’ত ২০, ভাঙচুর-অ’গ্নিসংযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
  • ১৩০ Time View

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নতুন মাত্রা লাভ করেছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাউজান পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সত্তারঘাট এলাকায় ভয়াবহ হা’মলার শিকার হয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকার। প্রত্যক্ষদর্শী ও খোন্দকার অনুসারীদের বরাতে জানা যায়, সাবেক রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দীন আহমদের কবর জিয়ারতে যাওয়ার পথে তার গাড়িবহরের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। তারা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলায় খোন্দকারের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, বহরে থাকা একাধিক মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ও আতঙ্ক:এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার পর পরই খোন্দকারপন্থী নেতাকর্মীরা সত্তারঘাট এলাকায় অবস্থান নেন এবং তীব্র প্রতিবাদ জানান। রাউজান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খোন্দকারপন্থীরা জানান, “এটি পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করেই কাদের চৌধুরী পক্ষের লোকজন এই হামলা চালিয়েছে।” ঘটনার পরপরই চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল এবং হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। আইনি পদক্ষেপ:এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খোন্দকার অনুসারীরা। তবে পুলিশ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি এখনো। চট্টগ্রামের রাউজান বিএনপিতে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। মহিউদ্দীন আহমেদের মৃত্যুর পর তার অনুসারীরা একদিকে, অন্যদিকে গিয়াস কাদের চৌধুরীর নেতৃত্বে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয়। এই বিভক্তিই আজকের সহিংসতার মূল কারণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আরও বিস্তারিত আসছে…চোখ রাখুন খবরের পাতায়”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকারের গাড়িবহরে স’ন্ত্রা’সী চড়াও, আ’হ’ত ২০, ভাঙচুর-অ’গ্নিসংযোগ

Update Time : ১০:১৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নতুন মাত্রা লাভ করেছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাউজান পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সত্তারঘাট এলাকায় ভয়াবহ হা’মলার শিকার হয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকার। প্রত্যক্ষদর্শী ও খোন্দকার অনুসারীদের বরাতে জানা যায়, সাবেক রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দীন আহমদের কবর জিয়ারতে যাওয়ার পথে তার গাড়িবহরের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। তারা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলায় খোন্দকারের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, বহরে থাকা একাধিক মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ও আতঙ্ক:এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার পর পরই খোন্দকারপন্থী নেতাকর্মীরা সত্তারঘাট এলাকায় অবস্থান নেন এবং তীব্র প্রতিবাদ জানান। রাউজান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খোন্দকারপন্থীরা জানান, “এটি পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করেই কাদের চৌধুরী পক্ষের লোকজন এই হামলা চালিয়েছে।” ঘটনার পরপরই চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল এবং হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। আইনি পদক্ষেপ:এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খোন্দকার অনুসারীরা। তবে পুলিশ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি এখনো। চট্টগ্রামের রাউজান বিএনপিতে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। মহিউদ্দীন আহমেদের মৃত্যুর পর তার অনুসারীরা একদিকে, অন্যদিকে গিয়াস কাদের চৌধুরীর নেতৃত্বে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয়। এই বিভক্তিই আজকের সহিংসতার মূল কারণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আরও বিস্তারিত আসছে…চোখ রাখুন খবরের পাতায়”