Hi

ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামীলীগের নির্যাতিত নেতা কর্মীদের পরিবারের পাশে এম এ ওয়াহেদ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ২৬ Time View

ভালুকা প্রতিনিধি:-

ভালুকায় অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসা নির্মান সহ উন্নয়ন মূলক কাজে করেছেন আর্থিক সহায়তা। সচেতন মহলে আলোচনা একটাই ওয়াহেদ এর মত নেতা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

সারা বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের উপর নির্যাতন চলছে ৫আগষ্ট ২০২৪ ইং সাল থেকে ওই সময় থেকেই ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার নিযার্তীত নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সহ—সভাপতি ১৫৬ময়মনসিংহ ভালুকা আসনের সাবেক এমপি আলহাজ এমএ ওয়াহেদ। তিনি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া নেতা কর্মীদের জামিন করানো অসচ্ছল পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব পালন করছেন এ মহান নেতা। পলাতক নেতা কর্মীদের ও দিচ্ছেন আর্থিক সহায়তা। অসুস্থদের দিচ্ছেন চিকিৎসার সহায়তা । এমন নেতা পাওয়া খুবই ভাগ্যোর ব্যাপার বলে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যাম ফেইজবুকে। যে সকল নেতা—কর্মীরা জেল থেকে বের হচ্ছেন তাহারাই কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছেন আলহাজ এমএ ওয়াহেদ সাহেবকে । উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দফতর সম্পাদক সাংবাদিক নেতা আ খ ম রফিকুল ইসলাম লিখেন গত ২০২৪ সালে জাতীয় সংমদ নির্বাচনে ভালুকা থেকে ২৪ জন মনোনয়ন ফরম কিনেন। আমি গ্রেফতারের পর ওয়াহেদ সাহেব ব্যাতিত আর কেউ খোঁজ খবর নেননি। সাবেক ছাত্রনেতা, জাতীয় শ্রমিকলীগ ভালুকা আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন একটি হত্যা মামলার ২১ নম্বর আসামী হিসেবে তিনি প্রায় ৫ মাস হাজত বাস করেছেন ।আফসোস করে খলিল বলেন, যাকে হত্যার অভিযোগে ৫মাস হাজত বাস করলাম, তাকে তো চিনিইনা এমন কি তার পরিবারের লোকজন কেও চিনিনা। তিনি হাজত বাস করাকালিন সময়ে সাবেক এমপি আলহাজ্ব এম এ ওয়াহেদ সাহেব তার ও তার পরিবারের নিয়মিত খোঁজ খবর রেখেছেন। আমি জেলে যাওয়ার পর তার স্ত্রীর নাম্বার সংগ্রহ করে ওয়াহেদ সাহেব কথা বলেছেন, শক্তি সাহস দিয়েছেন ছেলে মেয়ের লেখা পড়ার খোঁজ খবর নিয়েছেন। তার স্ত্রী সন্তনদের সাথে কথা বলেছেন, নিয়মিত যোগাযোগ করেছেন তাদের সাহস শক্তি দিয়েছেন। মামলা থেকে জামিন পেতে আইনী সহযোগীতাসহ সব রকম সহযোগীতা দিয়েছেন। তিনি জানান, মামলায় জামিন পেতে তার ব্যক্তিগত কোন টাকা পয়সা লাগেনি। এবং জেল খানায় পিসিতেও অর্থনৈতিক সহযোগিতা করেছে,আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন। আমার ছেলে—মেয়ে নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে কি না সব কিছুর খোঁজ খবর তিনি রেখেছেন। খলিল বলেন, আমি এতো কিছু আশা করি নাই। আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি ও আমার পরিবার তার প্রতি চির কৃতজ্ঞ। খলিল বলেন, শুধু আমি নই, আমার মত শত শত আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী যারা হাজতে আছেন তাদের পরিবারের সার্বিক খোঁজ—খবর রাখা, যারা বাড়ি—ঘর ছেড়ে পালিয়ে জীবন রক্ষা করছেন, তাদের পরিবারেরও খোঁজ—খবর ওয়াহেদ সাহেব নিয়মিত রাখছেন। প্রতিটি নেতা—কর্মীকে আইনী সহযোগীতা সহ আর্থিক সহযোগীতা করে যাচ্ছেন।শুধু আমি নই আমার শত শত আওয়ামীলীগের কর্মীরা আশ্রয়স্থল ওয়াহেদ সাহেব।
এছাড়াও আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ কর্মী মরহুম শেখ জালাল উদ্দিন এর পরিবারের জন্য প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে এবং নগদ ৫০০০০/—টাকা দিয়েছেন।উনার কাছ থেকে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নেতার কিভাবে কর্মী মূল্যায়ন করতে হয় তার শিক্ষা নেওয়া উচিত। ময়মসিংহ জেলার ও অনেক নেতা কমীদের জামিন করানোসহ পরিবারের খোঁজ খবর নিচ্ছেন ওয়াহেদ সাহেব । ময়মসিংহের আওয়ামীলীগ নিরপদ ওয়াহেদ সাহেবের কাছে। আলহাজ এম এ ওয়াহেদ সাহেব নির্বাচনের পূর্বে বক্তিতায় বলেছিলেন আমি নিতে নয় দিতে এসেছি। এটাই হচ্ছে তার প্রমান।

ভালুকায় অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসা নির্মান সহ উন্নয়ন মূলক কাজে করেছেন আর্থিক সহায়তা। সচেতন মহলে আলোচনা একটাই ওয়াহেদ এর মত নেতা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ভালুকায় মহান মে দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

আওয়ামীলীগের নির্যাতিত নেতা কর্মীদের পরিবারের পাশে এম এ ওয়াহেদ

Update Time : ০৪:৩৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

ভালুকা প্রতিনিধি:-

ভালুকায় অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসা নির্মান সহ উন্নয়ন মূলক কাজে করেছেন আর্থিক সহায়তা। সচেতন মহলে আলোচনা একটাই ওয়াহেদ এর মত নেতা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

সারা বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের উপর নির্যাতন চলছে ৫আগষ্ট ২০২৪ ইং সাল থেকে ওই সময় থেকেই ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার নিযার্তীত নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সহ—সভাপতি ১৫৬ময়মনসিংহ ভালুকা আসনের সাবেক এমপি আলহাজ এমএ ওয়াহেদ। তিনি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া নেতা কর্মীদের জামিন করানো অসচ্ছল পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব পালন করছেন এ মহান নেতা। পলাতক নেতা কর্মীদের ও দিচ্ছেন আর্থিক সহায়তা। অসুস্থদের দিচ্ছেন চিকিৎসার সহায়তা । এমন নেতা পাওয়া খুবই ভাগ্যোর ব্যাপার বলে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যাম ফেইজবুকে। যে সকল নেতা—কর্মীরা জেল থেকে বের হচ্ছেন তাহারাই কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছেন আলহাজ এমএ ওয়াহেদ সাহেবকে । উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দফতর সম্পাদক সাংবাদিক নেতা আ খ ম রফিকুল ইসলাম লিখেন গত ২০২৪ সালে জাতীয় সংমদ নির্বাচনে ভালুকা থেকে ২৪ জন মনোনয়ন ফরম কিনেন। আমি গ্রেফতারের পর ওয়াহেদ সাহেব ব্যাতিত আর কেউ খোঁজ খবর নেননি। সাবেক ছাত্রনেতা, জাতীয় শ্রমিকলীগ ভালুকা আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন একটি হত্যা মামলার ২১ নম্বর আসামী হিসেবে তিনি প্রায় ৫ মাস হাজত বাস করেছেন ।আফসোস করে খলিল বলেন, যাকে হত্যার অভিযোগে ৫মাস হাজত বাস করলাম, তাকে তো চিনিইনা এমন কি তার পরিবারের লোকজন কেও চিনিনা। তিনি হাজত বাস করাকালিন সময়ে সাবেক এমপি আলহাজ্ব এম এ ওয়াহেদ সাহেব তার ও তার পরিবারের নিয়মিত খোঁজ খবর রেখেছেন। আমি জেলে যাওয়ার পর তার স্ত্রীর নাম্বার সংগ্রহ করে ওয়াহেদ সাহেব কথা বলেছেন, শক্তি সাহস দিয়েছেন ছেলে মেয়ের লেখা পড়ার খোঁজ খবর নিয়েছেন। তার স্ত্রী সন্তনদের সাথে কথা বলেছেন, নিয়মিত যোগাযোগ করেছেন তাদের সাহস শক্তি দিয়েছেন। মামলা থেকে জামিন পেতে আইনী সহযোগীতাসহ সব রকম সহযোগীতা দিয়েছেন। তিনি জানান, মামলায় জামিন পেতে তার ব্যক্তিগত কোন টাকা পয়সা লাগেনি। এবং জেল খানায় পিসিতেও অর্থনৈতিক সহযোগিতা করেছে,আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন। আমার ছেলে—মেয়ে নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে কি না সব কিছুর খোঁজ খবর তিনি রেখেছেন। খলিল বলেন, আমি এতো কিছু আশা করি নাই। আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি ও আমার পরিবার তার প্রতি চির কৃতজ্ঞ। খলিল বলেন, শুধু আমি নই, আমার মত শত শত আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী যারা হাজতে আছেন তাদের পরিবারের সার্বিক খোঁজ—খবর রাখা, যারা বাড়ি—ঘর ছেড়ে পালিয়ে জীবন রক্ষা করছেন, তাদের পরিবারেরও খোঁজ—খবর ওয়াহেদ সাহেব নিয়মিত রাখছেন। প্রতিটি নেতা—কর্মীকে আইনী সহযোগীতা সহ আর্থিক সহযোগীতা করে যাচ্ছেন।শুধু আমি নই আমার শত শত আওয়ামীলীগের কর্মীরা আশ্রয়স্থল ওয়াহেদ সাহেব।
এছাড়াও আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ কর্মী মরহুম শেখ জালাল উদ্দিন এর পরিবারের জন্য প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে এবং নগদ ৫০০০০/—টাকা দিয়েছেন।উনার কাছ থেকে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নেতার কিভাবে কর্মী মূল্যায়ন করতে হয় তার শিক্ষা নেওয়া উচিত। ময়মসিংহ জেলার ও অনেক নেতা কমীদের জামিন করানোসহ পরিবারের খোঁজ খবর নিচ্ছেন ওয়াহেদ সাহেব । ময়মসিংহের আওয়ামীলীগ নিরপদ ওয়াহেদ সাহেবের কাছে। আলহাজ এম এ ওয়াহেদ সাহেব নির্বাচনের পূর্বে বক্তিতায় বলেছিলেন আমি নিতে নয় দিতে এসেছি। এটাই হচ্ছে তার প্রমান।

ভালুকায় অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসা নির্মান সহ উন্নয়ন মূলক কাজে করেছেন আর্থিক সহায়তা। সচেতন মহলে আলোচনা একটাই ওয়াহেদ এর মত নেতা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।