ভাগ্নের উপর মামার নির্মম নির্যাতন, মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
-
Reporter Name - Update Time : ০৫:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩
- ১৮৯ Time View

শফিকুল ইসলাম ময়মনসিংহঃ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় সহোদর ভাগ্নেকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভাগ্নেকে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাসানো, পিটিয়ে ভাগ্নেসহ তার স্ত্রী পা ভেঙে দেয়া, পুকুরের মাছ মেরে ফেলা, ভাগ্নের ছেলেদের পেটানো, মিথ্যা মাদক ব্যবসায়ী বলে সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশসহ বাড়ি ছাড়া করার অভিযোগও উঠেছে।এমন ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার ঘোগা ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত লাল মিয়ার ছেলে শরীফ হোসেন ও তার পরিবারের সাথেএসব ঘটনায় ভাগ্নে শরীফ আদালতে ও থানায় পৃথক মামলা করেছেন। তারপরেও কোন সুফল পাচ্ছে না ভাগ্নে শরীফ।মামলার নথির বরাতে জানা যায়, ভিক্টিম শরীফ হোসেন ও তার মামা আব্দুর রশিদ পাশাপাশি বাড়িতে বসববাস করেন। বিভিন্ন কারণে মামা আব্দুর রশিদ তার ভাগ্নে শরীফ ও তার পরিবারের লোকজনকে বাড়িছাড়া করার জন্য বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে আসছে। সম্প্রতি শরীফ হোসেন একর সম্পত্তি লীজ নিয়ে ফিসারী করি। ফিসারিতে বাংলা রুই, কাতল, মৃগেল সিলভার ইত্যাদি মাছ চাষ করছিলেন। গত ৪ নভেম্বর মামা আব্দুর রশিদ ও তার লোকজন ফিসারিতে বিষ দিয়ে দেড় লক্ষ টাকার মাছ মেরে ফেলে। পরে শরীফ হোসেন তার মামাকে মাছ মেরে ফেলার জিজ্ঞাসা করলে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে বাড়িতে ডুকে মারধর করে। এই ঘটনার পর আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করে মুক্তাগাছা থানায় অভিযোগ করেন। হাসপাতাল থেকে আমাকে দেখে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুর রশিদ ও তার লোকজন বাড়ির কাছে আসলে স্ত্রী পপি আক্তারকে মেরে পা ভেঙে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে এবং বলে সুযোগ মতো পাইলে আমাকে ও পরিবারের লোকজনকে খুন করে গুম করে ফেলবে।
ভিক্টিম শরীফ মিয়া বলেন, আমার মামা আমার আমাকে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাসিয়ে জেল খাটিয়েছে। ওই মামলায় আদালত কোন সাক্ষী না পেয়ে খালাস দিয়েছে। এরপরেও আমার নামে পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে, আমি নাকি মাদক ব্যবসা করি। এসব করে আমাকে বাড়ি ছাড়া করে আমার সম্পতি হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। আমি মামলা করেও কোন সুরাহা পাচ্ছি না। আমি সরকারের কাছে এর কঠিন বিচার চাই।এবিষয়ে মামা আব্দুর রশিদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যা করা হচ্ছে, সব মিথ্যা ও বানোয়াট। তার সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই।এবিষয়ে থানায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) মো. শাহিন মিয়া বলেন, হাসপাতালের রিপোর্ট ও সাক্ষীপ্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছি। পরবর্তী তদন্ত করে মামলার প্রতিবেদন দেয়া হবে।






















