বন্দর ইপিজেড–পতেঙ্গা এলাকায় সম্মিলিত প্রয়াসে যানজট নিরসনের উদ্যোগে মানববন্ধন
-
Reporter Name - Update Time : ০৪:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
- ১০২ Time View

মোঃ শহিদুল ইসলাম ,চট্টগ্রামঃ চট্টগ্রামের ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে সম্মিলিতভাবে এক ব্যতিক্রমী জনবান্ধন কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় নেতৃত্বে এই কর্মসূচি এক অনন্য সামাজিক ঐক্যের দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিভাত হয়েছে। সল্টগোলা থেকে সিমেন্ট ক্রসিং পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। পুরো কার্যক্রমে ছিল শৃঙ্খলা, আন্তরিকতা ও জনসচেতনতা। একজন সচেতন নাগরিকের ভাষ্যে উঠে আসে জনগণের মনের কথা— “যারা দিনরাত পরিশ্রম করে এই কর্মসূচিকে সফল করেছেন, তাঁদের প্রতি একজন বাসিন্দা হিসেবে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।” একসাথে চললে সমাধান সম্ভব—বক্তারামানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন: ডাঃ নুরুল আলম, ডাঃ মোঃ ইমতিয়াজ, বন্দর থানা সিটিজেন ফোরামের সভাপতি হানিফ সওদাগর, রোকন উদ্দীন মোঃ খলিল, শিক্ষক নাছিম উদ্দীন, শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যক্ষ বদিউল আলম বিজভী, সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসেন, জহির উদ্দীন, মোঃ শাহজাহান, মুজিবুল হক বকুল, মোঃ আজম উদ্দীন, তাজ উদ্দীন তাজু, মোঃ সেলিম, সাংবাদিক ফয়সাল হাসান জনি, আব্দুল্লাহ ওমর বাহাদুর, নাহিদুল ইসলাম, শাহেদা খানম, মোঃ নুরুদ্দিন, হাজী মোঃ হোসেন প্রমুখ। তাঁরা বলেন, এই সমস্যা একদিনে তৈরি হয়নি, তবে সম্মিলিত উদ্যোগে সমাধান অবশ্যই সম্ভব। বক্তারা অবৈধ পার্কিং, হকার উচ্ছেদ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ফুটপাত মুক্ত রাখার জোর দাবি জানান। এই কর্মসূচিকে বাস্তবায়নের নেপথ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেনঃ—৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী ও সাংবাদিক হোসাইন,,৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াত সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী এডভোকেট শাহেদ আলী বিশিষ্ট সমাজসেবক মুজিবুল হক বকুল,,দারুস সালাম জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি ও রাজনীতিবিদ মিজান খান,, এছাড়াও আরও অনেক স্থানীয় প্রতিনিধি ও জনসাধারণ নিজ নিজ জায়গা থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। সমাধান চাই বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনায়✓এলাকাবাসীর অভিমত— কেবল আয়োজন করলেই হবে না, প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক সমন্বয়। জনগণের সম্মিলিত চেতনা ও জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্ব থাকলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন,-“ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচিতে জনগণের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে এবং জনপ্রতিনিধিদের কার্যকর নেতৃত্বে সমাজ গঠনের ইতিবাচক ধারা আরও বেগবান হবে।” সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনায় কিছু বক্তারা বলেন -এই কর্মসূচি দেখিয়ে দিয়েছে— সংকট যত গভীরই হোক, জনসম্পৃক্ততা থাকলে সেটার সমাধান সম্ভব। প্রশাসনকে এখন দায়িত্ব নিতে হবে স্থায়ী ব্যবস্থার। যানজট নিরসন হোক এখনই, নয়তো এই ভোগান্তি আরও দীর্ঘতর হবে।























