প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ক্যাবল চুরি ইস্যুতে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, অভিযোগ অস্বীকার করলেন প্রকৌশলী ফজলে রাব্বী
-
Reporter Name - Update Time : ০৬:৫১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
- ০ Time View

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’—প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ক্যাবল চুরির ঘটনায় নিজের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতা ও বিটিসিএলের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আহম্মদ ফজলে রাব্বী।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি একটি দৈনিক পত্রিকায় ‘ঢাকা দক্ষিণের ক্যাবল বিভাগের ফজলে রাব্বী দায় এড়াতে পারেন না’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ফজলে রাব্বী বলেন, তিনি বর্তমানে বিটিসিএলের ডিজিএম ফোনস-১ (নীলক্ষেত) বিভাগের ক্যাবল ইউনিটে কর্মরত। অন্যদিকে বাংলাদেশ সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংশ্লিষ্ট টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো রমনা এলাকার আওতাধীন হওয়ায় ওই স্থানের ক্যাবল ব্যবস্থাপনার সঙ্গে তার কোনো প্রশাসনিক বা কারিগরি দায়িত্ব নেই।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ক্যাবল চুরির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় তাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা অনভিপ্রেত ও বিভ্রান্তিকর।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি অভিযোগ করেন, বিটিসিএলের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত পূর্ববর্তী ক্যাবল চুরির ঘটনাগুলোর সঙ্গেও তাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তার কোনো পেশাগত বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই বলেও তিনি দাবি করেন।
ফজলে রাব্বী বলেন, তিনি মূলত টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রেষণে বিটিসিএলে দায়িত্ব পালন করেছেন। কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে নয়, বরং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে তার বদলি হয়েছে। কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে মতবিরোধের জের ধরে একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার বিরুদ্ধে যেসব সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে অধিকাংশ গণমাধ্যম তার বক্তব্য বা মতামত গ্রহণ না করেই একপাক্ষিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ করা উচিত ছিল বলে তিনি মনে করেন।
তিনি দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়—এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ক্যাবল চুরির ঘটনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।





















