Hi

ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধুনটে বাঙালি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩
  • ১৬০ Time View

 মিজানুর রহমান মিলন,  বগুড়া জেলা প্রতিনিধি :   বগুড়ার ধুনট উপজেলার হেউটনগর গ্রামের গফুরের খেয়াঘাট এলাকার বাঙালি নদীর উত্তোলন করা বালু জোরপূর্বক ক্ষমতার দাপটে শাজাহানপুর উপজেলার শৈলধুকড়ী গ্রামের কয়েক সন্ত্রাসী ব্যক্তি অবৈধভাবে ধুনটের সীমানা থেকে বালু বিক্রয় করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধুনট উপজেলার ২নং কালের পাড়া ইউনিয়নের হেউটনগর গ্রামের কান্তনগর মৌজায় অবস্থিত বাঙালি নদী ওই নদী থেকে জোরপূর্বক ক্ষমতার দাপটে শাজাহানপুর উপজেলার শৈলধুকড়ী গ্রামের কিছু সন্ত্রাসী ব্যক্তি নদীর কলকৃত জমির মালিকদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে অবৈধভাবে বালু বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।              অবৈধ বালু বিক্রয়কারীরা হলেন, শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের শৈলধুকড়ী গ্রামের আনছার আলীর ছেলে খয়রাত আলী মিস্টার (৪২), আকরাম আলীর ছেলে মন্তেজার রহমান (৩৮), আখের আলীর ছেলে মিঠুল আহমেদ (৩৮), বিলায়ত আলীর ছেলে শাজাহান আলী (৪৪), আনছার আলীর ছেলে মামুন মিয়া (৩৭), বিলায়ত আলীর ছেলে রায়হান (৩৫), আফজাল এর ছেলে আব্দুল মিয়া (৪০), ও আব্দুল এর ছেলে জিহাদ (২২)সহ অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জন ব্যক্তি।   স্থানীয় প্রভাবশালীরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গত দু’মাস ধরে অবাধে বালু বিক্রয় করে যাচ্ছেন।  বালু বিক্রয় বন্ধ দাবিতে ধুনট উপজেলার কান্তনগর মৌজার জমির মালিক মোকলেছুর রহমান, নুরুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন আলম, জিয়ারুল ইসলাম, সহ একাধিক ব্যক্তি বাদিকদেরকে বলেন, আমাদের বাপ-দাদার রেকর্ডকৃত সম্পত্তির মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ধুনটের বাঙালি নদী, নদীর পার্শ্ববর্তী জমিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন ফসল ফলে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি, এমত অবস্থায় মাস দুয়েক হলো আমাদের সম্পত্তি নষ্ট করে অবৈধভাবে জোরপূর্বক ক্ষমতার দাপটে বালু নিয়ে আমাদের সম্পত্তি নষ্ট করছেন। তাদেরকে কোন কিছু বললে তারা আমাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন এই জমিতে বালু নিতে আসলে বাধা দিলে তারা আমাদেরকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিচ্ছে । তাই আমরা নিরুপায় হইয়া বালু বিক্রয় বন্ধের দাবিতে ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছি। ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জানে আলম বলেন, আমার উপজেলার মধ্যে অবস্থিত হেউটনগর গ্রামের গফুরের খেয়াঘাট এলাকার বাঙালি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রয় বিষয়টি আমার জানা ছিল না, আমি বিষয়টা অবগত হলাম অতি শীগ্রই অবৈধ বালু বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে । অবৈধ বালু বিক্রয়কারী, শাজাহানপুরউপজেলার শৈলধুকড়ী গ্রামের আনছার আলীর ছেলে গনমাধ্যমকর্মীদেরকে বলেন, আমার নাম কিন্তু খয়রাত আলী মিস্টার, আমি কাউকে হিসাব করি না, এমন কোন ম্যান নাই আমার উপরে কথা বলে, আমি বর্তমান ক্ষমতাশালীল দলের নেতা আমার ছেলে পেলে ওখানে বালু বিক্রয় করবে কারো ক্ষমতা থাকলে ঠেকাবে ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ধুনটে বাঙালি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা

Update Time : ০২:৫২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩

 মিজানুর রহমান মিলন,  বগুড়া জেলা প্রতিনিধি :   বগুড়ার ধুনট উপজেলার হেউটনগর গ্রামের গফুরের খেয়াঘাট এলাকার বাঙালি নদীর উত্তোলন করা বালু জোরপূর্বক ক্ষমতার দাপটে শাজাহানপুর উপজেলার শৈলধুকড়ী গ্রামের কয়েক সন্ত্রাসী ব্যক্তি অবৈধভাবে ধুনটের সীমানা থেকে বালু বিক্রয় করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধুনট উপজেলার ২নং কালের পাড়া ইউনিয়নের হেউটনগর গ্রামের কান্তনগর মৌজায় অবস্থিত বাঙালি নদী ওই নদী থেকে জোরপূর্বক ক্ষমতার দাপটে শাজাহানপুর উপজেলার শৈলধুকড়ী গ্রামের কিছু সন্ত্রাসী ব্যক্তি নদীর কলকৃত জমির মালিকদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে অবৈধভাবে বালু বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।              অবৈধ বালু বিক্রয়কারীরা হলেন, শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের শৈলধুকড়ী গ্রামের আনছার আলীর ছেলে খয়রাত আলী মিস্টার (৪২), আকরাম আলীর ছেলে মন্তেজার রহমান (৩৮), আখের আলীর ছেলে মিঠুল আহমেদ (৩৮), বিলায়ত আলীর ছেলে শাজাহান আলী (৪৪), আনছার আলীর ছেলে মামুন মিয়া (৩৭), বিলায়ত আলীর ছেলে রায়হান (৩৫), আফজাল এর ছেলে আব্দুল মিয়া (৪০), ও আব্দুল এর ছেলে জিহাদ (২২)সহ অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জন ব্যক্তি।   স্থানীয় প্রভাবশালীরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গত দু’মাস ধরে অবাধে বালু বিক্রয় করে যাচ্ছেন।  বালু বিক্রয় বন্ধ দাবিতে ধুনট উপজেলার কান্তনগর মৌজার জমির মালিক মোকলেছুর রহমান, নুরুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন আলম, জিয়ারুল ইসলাম, সহ একাধিক ব্যক্তি বাদিকদেরকে বলেন, আমাদের বাপ-দাদার রেকর্ডকৃত সম্পত্তির মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ধুনটের বাঙালি নদী, নদীর পার্শ্ববর্তী জমিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন ফসল ফলে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি, এমত অবস্থায় মাস দুয়েক হলো আমাদের সম্পত্তি নষ্ট করে অবৈধভাবে জোরপূর্বক ক্ষমতার দাপটে বালু নিয়ে আমাদের সম্পত্তি নষ্ট করছেন। তাদেরকে কোন কিছু বললে তারা আমাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন এই জমিতে বালু নিতে আসলে বাধা দিলে তারা আমাদেরকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিচ্ছে । তাই আমরা নিরুপায় হইয়া বালু বিক্রয় বন্ধের দাবিতে ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছি। ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জানে আলম বলেন, আমার উপজেলার মধ্যে অবস্থিত হেউটনগর গ্রামের গফুরের খেয়াঘাট এলাকার বাঙালি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রয় বিষয়টি আমার জানা ছিল না, আমি বিষয়টা অবগত হলাম অতি শীগ্রই অবৈধ বালু বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে । অবৈধ বালু বিক্রয়কারী, শাজাহানপুরউপজেলার শৈলধুকড়ী গ্রামের আনছার আলীর ছেলে গনমাধ্যমকর্মীদেরকে বলেন, আমার নাম কিন্তু খয়রাত আলী মিস্টার, আমি কাউকে হিসাব করি না, এমন কোন ম্যান নাই আমার উপরে কথা বলে, আমি বর্তমান ক্ষমতাশালীল দলের নেতা আমার ছেলে পেলে ওখানে বালু বিক্রয় করবে কারো ক্ষমতা থাকলে ঠেকাবে ।