ধুনটে ইউএনও এর অফিস সহকারী হাতে এক কর্মকর্তা লাঞ্চিত
-
Reporter Name - Update Time : ০৪:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩
- ১৫৬ Time View

মিজানুর রহমান মিলন, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি :
বগুড়ার ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর অফিসের অফিস সহকারী আব্দুর রহিমের হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন আল জুবায়ের আসিব নামের এক প্রকৌশলী অফিসার সহকারী। সরকারী অফিস কক্ষে একজন কর্মচারী একজন কর্মকর্তাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করার বিষয়টি অফিস পাড়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।
আল জুবায়ের আসিব জানান, তিনি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী পদে কর্মরত। তিনি ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের গোয়ালভাগ গ্রামে আসেন। তার নিকট আত্মীয়র একটি সেচ পাম্পের লাইসেন্স এর জন্য রবিবার সকাল ১০ টার দিকে তার বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ধুনট ইউএনও অফিসে যান। ইউএনও অফিসের অফিস সহকারী আব্দুর রহিমের কাছে সেচ পাম্পের লাইসেন্স বিষয়ে জানাতে চাইলে আব্দুর রহিম তার উপর চড়াও হয়ে ওঠে। ঘটনার প্রতিবাদ করায় অফিস সহকারী আব্দুর রহিম ও সুমন নামের এক কর্মচারী সহকারী প্রকৌশলী আল জুবায়ের আসিবকে গলা ধাক্কা দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় মুহুর্তের মধ্যে লোকজন জড়ো হয়ে যায় এবং তোলপাড়া শুরু হয়। লাঞ্চিত হওয়া কর্মকর্তা ওই ব্যক্তি ধুনট উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ জানে আলমের কাছে বিচার প্রার্থী হয়েছেন।
অফিস সহকারী আব্দুর রহিম ইতি পুর্বে রোকেয়া নামের এক পরিচ্ছন্ন কর্মীকে মারধর করে ছিলেন। নির্যাতনের স্বীকার রোকেয়া খাতুন বলেন, অফিস সহকারী আব্দুর রহিম আমাকে বিনা কারনে মারধর করেছিলেন, আমি বদলী হয়ে যাওয়া ইউএনও সঞ্জয় কুমার স্যারের কাছে বিচার দিয়ে বিচার পাইনি। উল্টো রহিম আমার চাকুরী চুত্য করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করেছেন। ছাতিয়ানী গ্রামের শাহজাহান আলী বলেন, মতোয়াল্লীর জমি জমা নিয়ে ইউএনও অফিসে তদন্তধীন বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে গিয়ে তিনিও আব্দুর রহিমের হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন। সূত্র জানায়, আব্দুর রহিম এর আসার ব্যবহার ও অনিয়ম দুর্নীতির কারণে ইতিপুর্বে চাকুরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন।
অফিস সহকারী আব্দুর রহিম লাঞ্চিত করার কথা অস্বীকার বলেন, প্রকৌশলীর সাথে কথা কাটাকাটির হয়েছে । এবিষয়ে ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ জানে আলম বলেন, আমি ডিসি অফিসে মিটিং বগুড়ায় আছি । বিষয়টি শুনেছি আগামী কাল প্রকৌশলী আল জুবায়ের আসিবকে অফিসে আসতে বলেছি।






















