Hi

ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিসি হিলে পিন্টু হত্যা: মাত্র ১৬ ঘণ্টায় র‍্যাব-৭-এর অভিযানে প্রধান ৪ আসামি গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২০৪ Time View

মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের ডিসি হিলে আলোচিত পিন্টু হত্যাকাণ্ডের প্রধান চার আসামিকে মাত্র ১৬ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। গত শনিবার রাতের এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারির পর টানা অভিযান চালিয়ে সোমবার বিকেলে তাদের ধরা হয়। গত ৩০ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার হিলভিউ এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় সন্ত্রাসী দেলোয়ার হোসেন দিলুর নেতৃত্বে চার–পাঁচজন মিলে আবদুল্লাহ আল মনির ওরফে পিন্টুকে (৩২) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত পিন্টু মূলত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা হলেও শ্বশুরবাড়ি বার্মা কলোনিতে বসবাস করতেন। তিনি পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় একটি থাই দোকানে মিস্ত্রির কাজ করতেন। স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাঁর সঙ্গে দেলু গ্যাংয়ের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। ৩১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টায় র্যাব-৭ এর একটি দল খেলবীও এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মো. দেলোয়ার হোসেন দেলু (৩৬) এবং তার সহযোগী কিরিচ হাসান (৩০)–কে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে একই দিন বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে আলীনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাহিন (২৮) ও মোবারক হোসেন বাপ্পি (৩৬) নামের আরও দুজনকে আটক করা হয়। পিন্টুর স্ত্রী বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলাটিতে ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ৪–৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৬২, তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫, ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড। গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বায়েজিদ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পিন্টু হত্যাকাণ্ডে ডিসি হিল ও আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। তবে র্যাবের দ্রুত অভিযানে স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দেলু গ্যাংয়ের তৎপরতা দমন না করলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বাড়তেই থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ফুলপুরে ফেলে যাওয়া ছোট্ট ইয়াছিনকে  তার মায়ের  কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে ছাত্রদল নেতা ওমর ফারুক সরকার 

ডিসি হিলে পিন্টু হত্যা: মাত্র ১৬ ঘণ্টায় র‍্যাব-৭-এর অভিযানে প্রধান ৪ আসামি গ্রেপ্তার

Update Time : ০৯:০০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের ডিসি হিলে আলোচিত পিন্টু হত্যাকাণ্ডের প্রধান চার আসামিকে মাত্র ১৬ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। গত শনিবার রাতের এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারির পর টানা অভিযান চালিয়ে সোমবার বিকেলে তাদের ধরা হয়। গত ৩০ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার হিলভিউ এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় সন্ত্রাসী দেলোয়ার হোসেন দিলুর নেতৃত্বে চার–পাঁচজন মিলে আবদুল্লাহ আল মনির ওরফে পিন্টুকে (৩২) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত পিন্টু মূলত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা হলেও শ্বশুরবাড়ি বার্মা কলোনিতে বসবাস করতেন। তিনি পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় একটি থাই দোকানে মিস্ত্রির কাজ করতেন। স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাঁর সঙ্গে দেলু গ্যাংয়ের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। ৩১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টায় র্যাব-৭ এর একটি দল খেলবীও এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মো. দেলোয়ার হোসেন দেলু (৩৬) এবং তার সহযোগী কিরিচ হাসান (৩০)–কে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে একই দিন বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে আলীনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাহিন (২৮) ও মোবারক হোসেন বাপ্পি (৩৬) নামের আরও দুজনকে আটক করা হয়। পিন্টুর স্ত্রী বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলাটিতে ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ৪–৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৬২, তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫, ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড। গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বায়েজিদ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পিন্টু হত্যাকাণ্ডে ডিসি হিল ও আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। তবে র্যাবের দ্রুত অভিযানে স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দেলু গ্যাংয়ের তৎপরতা দমন না করলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বাড়তেই থাকবে।