টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাৎসব
-
Reporter Name - Update Time : ০১:৪৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩
- ১৩৬ Time View

আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রতিমা বিসর্জ্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হিন্দু ধর্মালম্বীদের সব চেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপুজা।
এবার ঘোড়ায় চড়ে এসেছেন দেবী দূর্গা আবার চলে গেলেন ঘোড়ায় চড়ে যা শুভ লক্ষ্মণ নয়। বাবার বাড়ি বেড়ানো শেষে আনন্দময়ী দেবীদুর্গা ফিরে গেলেন কৈলাসের দেবালয়ে। ঢাকের বাদ্য আর আবির খেলায় বিসর্জনের মধ্যদিয়ে সাঙ্গ হল বাঙ্গালি হিন্দু পরিবারের সনাতন ধর্মালম্বিদের সবচেয়ে বড় পার্বণ শারদীয় দুর্গাৎসবের।
এবার মধুপুরে ৫৪টি মন্ডপে এ উৎসবের সূচনা হয় ২০ অক্টোবর থেকে এবং ২৪শে অক্টোবর মঙ্গলবার বিজয়া দশমীতে ‘বিহিত পূজা’ আর ‘দর্পণ বিসর্জনে’ দুর্গা পূজার শাস্ত্রীয় মন্ত্রে সমাপ্তি হলো এই উৎসব।
সনাতন ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী মহালয়ার দিন ‘কন্যারূপে’ ধরায় আসেন দশভূজা দেবী; বিসর্জনের মধ্য দিয়ে তাকে এক বছরের জন্য বিদায় জানানো হয়। তার এই ‘আগমন ও প্রস্থানের’ মাঝে আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী থেকে দশমী তিথি পর্যন্ত পাঁচ দিন চলে দুর্গা উৎসব।
মধুপুর পুজা উদযাপন কমিটির আয়োজনে বিকেলে মদন গোপাল আঙিনায় একে একে বিভিন্ন পাড়া মহল্লা থেকে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নিয়ে উপস্থিত হতে থাকে পুজা মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তরা। আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে শেষ বিদায় দিতে শতশত ভক্তগন সিঁদুর নিয়ে হাজির হন দেবী দুর্গার কপাল রাঙাতে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর পিতা সিদ্দিক হোসেন খান, থানা ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান, পূজাঁ উদযাপন কমিটির সভাপতি সুশীল কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক সাধন কুমার মজুমদার সহ বিভিন্ন পুজা মণ্ডপের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক, যেকোনো দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীবৃন্দ, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক ও শতশত দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন। মদনগোপাল আঙিনার কেন্দ্রীয় পুকুরে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবীকে বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে এক বছরের জন্য ইতি টনা হয় প্রতিমা বির্সজনের মহা উৎসব।























