Hi

ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে নদীতে ডুবে এক যুবতীর মৃত্যু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩
  • ১৫০ Time View

আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন কুড়ালিয়া ইউনিয়নের কুড়ালিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের আবুল হোসেন মাস্টারের মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ে আফসানা মিমি(১৮) নদীতে ডুবে মৃত্যু বরণ করেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত কুড়ালিয়া বিকে উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এসএসসির প্রস্তুতি পরিক্ষায় উর্ত্তীন হতে না পেড়ে মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে।
দীর্ঘদিন চিকিৎসা করেও তাকে আর সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। সবার অজান্তে এদিক ওদিক চলে যাওয়ার কারণে তাকে শিকল দিয়ে বেধে রাখতে হতো।
রবিবার (১৬জুলাই) দুপুরে শিকল খুলে গোসল করানোর জন্য তার মা কাপড়চোপড় আনতে গেলে সে এই সুযোগে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পড়ে।
বিকেল পর্যন্ত খুঁজাখুঁজি করে তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পার্শ্ববর্তী বংশাই নদীতে তার মৃতদেহ ভাসতে দেখা যায়। সে সাঁতার জানতোনা বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আমি তাকে দুপুরের দিকে দৌড়ে নদীতে নামতে দেখেছি কিন্তু সে পাগল কিনা জানতাম না।
তার এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমেে এসেছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

খালপাড় ও সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ, মেয়রের হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলের মধুপুরে নদীতে ডুবে এক যুবতীর মৃত্যু

Update Time : ০৩:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩

আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন কুড়ালিয়া ইউনিয়নের কুড়ালিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের আবুল হোসেন মাস্টারের মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ে আফসানা মিমি(১৮) নদীতে ডুবে মৃত্যু বরণ করেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত কুড়ালিয়া বিকে উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এসএসসির প্রস্তুতি পরিক্ষায় উর্ত্তীন হতে না পেড়ে মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে।
দীর্ঘদিন চিকিৎসা করেও তাকে আর সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। সবার অজান্তে এদিক ওদিক চলে যাওয়ার কারণে তাকে শিকল দিয়ে বেধে রাখতে হতো।
রবিবার (১৬জুলাই) দুপুরে শিকল খুলে গোসল করানোর জন্য তার মা কাপড়চোপড় আনতে গেলে সে এই সুযোগে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পড়ে।
বিকেল পর্যন্ত খুঁজাখুঁজি করে তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পার্শ্ববর্তী বংশাই নদীতে তার মৃতদেহ ভাসতে দেখা যায়। সে সাঁতার জানতোনা বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আমি তাকে দুপুরের দিকে দৌড়ে নদীতে নামতে দেখেছি কিন্তু সে পাগল কিনা জানতাম না।
তার এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমেে এসেছে।