Hi

ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসহায় হত দরিদ্র কিশোরী সাদিয়ার আকুতি সুস্হ্য হয়ে পুনরায় লেখাপড়া করতে চায়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩
  • ১৮৫ Time View

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ
আমি সকলের কাছে একটু দয়া চাই ও সহযোগিতা চাই, আমি সুস্থ্য হয়ে পুনরায় লেখাপড়া করতে চাই আবার স্কুলে যেতে চাই। বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে কোমরে ও মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত সাদিয়া আক্তার (১৬) এভাবেই কথা গুলো বলছে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার ১৩ নং চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের ও মোছাঃ হাজেরা খাতুনের মেয়ে সাদিয়ার।

সে বসত ঘরের পাশে একটি জাম্বুরা গাছে পুরাতন শাড়ী দিয়ে একটি দোলনা বানিয়ে খেলা করার সময় হঠাৎ ছিরে নীচে পড়ে গিয়ে কোমর ও মেরুদন্ডে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে চিৎকার শুরু করলে তার মা ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করলে ঢাকা মেডিফেয়ার হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার জানান তার পুরোপুরি সুস্থ হতে ৫/৭ লক্ষ টাকা লাগবে।

এদিকে সাদিয়ার মা বিধবা হাজেরা খাতুন বলেন আমার স্বামী ৮ বছর আগে মারা যায়। আমি ৪টি মেয়ে ১টি ছেলেকে নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করে আসছি। আমার একমাত্র ছেলে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে কোন প্রকার বেঁচে আছি। বর্তমানে ছেলে একটি মাহিন্দ্র গাড়ির গেরেজে কাজ করে ৬ জনের সংসার অনাহারে অর্ধাহারে চালিয়ে আসছে। সংসারের খরচ মেটাতে না পারায় সাদিয়াকে তার নানার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হলে সেখানে একটি মাদ্রাসায় মক্তব শাখায় ২/৩ বৎসর পড়াশোনা করে কোরআন শরীফ পড়ে।

তখনি নানীর বাড়িতে সংসারে অভাব দেখা দেওয়ায় চলে আসে বাড়িতে।গত তিন মাস পূর্বে সাদিয়া দোলনা থেকে পড়ে গিয়ে কোমর ও মেরুদন্ডে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে আর অজর ধারায় কাঁদছে। প্রতিবেশী রেনু বলেন ,এত সুন্দর ফুটফুটে মেয়েটি আজ অসহায়। আমরা প্রাথমিক অবস্থায় সকলে মিলে তার চিকিৎসা করেছি। এখন ৫/৭ লক্ষ টাকা লাগবে এত টাকা কোথায় পাবে একমাত্র সম্বল বাড়ি ভিটা।

খুব সুন্দর ফুটফুটে মেয়েটার টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছিনা। সাদিয়ার মা আকুতি মিনতি করে বলেন দয়া করে আপনারা আমার মেয়েটাকে বাচাতে একটু সহযোগিতা করুন ০১৬৩১ ৩২৮৮১০ এই নম্বরে।মেয়েটি আবার সুস্থ হয়ে যাতে স্কুলে যেতে পারে পড়াশোনা করতে পারে। সাদিয়ার জীবন বাঁচাতে ও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ সহ ‌সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন অসহায় পরিবারটি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভালুকা উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় শাহনেওয়াজ মল্লিক সেলিম

অসহায় হত দরিদ্র কিশোরী সাদিয়ার আকুতি সুস্হ্য হয়ে পুনরায় লেখাপড়া করতে চায়

Update Time : ০২:৫৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ
আমি সকলের কাছে একটু দয়া চাই ও সহযোগিতা চাই, আমি সুস্থ্য হয়ে পুনরায় লেখাপড়া করতে চাই আবার স্কুলে যেতে চাই। বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে কোমরে ও মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত সাদিয়া আক্তার (১৬) এভাবেই কথা গুলো বলছে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার ১৩ নং চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের ও মোছাঃ হাজেরা খাতুনের মেয়ে সাদিয়ার।

সে বসত ঘরের পাশে একটি জাম্বুরা গাছে পুরাতন শাড়ী দিয়ে একটি দোলনা বানিয়ে খেলা করার সময় হঠাৎ ছিরে নীচে পড়ে গিয়ে কোমর ও মেরুদন্ডে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে চিৎকার শুরু করলে তার মা ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করলে ঢাকা মেডিফেয়ার হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার জানান তার পুরোপুরি সুস্থ হতে ৫/৭ লক্ষ টাকা লাগবে।

এদিকে সাদিয়ার মা বিধবা হাজেরা খাতুন বলেন আমার স্বামী ৮ বছর আগে মারা যায়। আমি ৪টি মেয়ে ১টি ছেলেকে নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করে আসছি। আমার একমাত্র ছেলে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে কোন প্রকার বেঁচে আছি। বর্তমানে ছেলে একটি মাহিন্দ্র গাড়ির গেরেজে কাজ করে ৬ জনের সংসার অনাহারে অর্ধাহারে চালিয়ে আসছে। সংসারের খরচ মেটাতে না পারায় সাদিয়াকে তার নানার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হলে সেখানে একটি মাদ্রাসায় মক্তব শাখায় ২/৩ বৎসর পড়াশোনা করে কোরআন শরীফ পড়ে।

তখনি নানীর বাড়িতে সংসারে অভাব দেখা দেওয়ায় চলে আসে বাড়িতে।গত তিন মাস পূর্বে সাদিয়া দোলনা থেকে পড়ে গিয়ে কোমর ও মেরুদন্ডে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে আর অজর ধারায় কাঁদছে। প্রতিবেশী রেনু বলেন ,এত সুন্দর ফুটফুটে মেয়েটি আজ অসহায়। আমরা প্রাথমিক অবস্থায় সকলে মিলে তার চিকিৎসা করেছি। এখন ৫/৭ লক্ষ টাকা লাগবে এত টাকা কোথায় পাবে একমাত্র সম্বল বাড়ি ভিটা।

খুব সুন্দর ফুটফুটে মেয়েটার টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছিনা। সাদিয়ার মা আকুতি মিনতি করে বলেন দয়া করে আপনারা আমার মেয়েটাকে বাচাতে একটু সহযোগিতা করুন ০১৬৩১ ৩২৮৮১০ এই নম্বরে।মেয়েটি আবার সুস্থ হয়ে যাতে স্কুলে যেতে পারে পড়াশোনা করতে পারে। সাদিয়ার জীবন বাঁচাতে ও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ সহ ‌সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন অসহায় পরিবারটি।