Hi

ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুবির আবাসিক হলগুলোতে বিদ্যুৎ লাগামহীন বসানো হচ্ছে জেনারেটর

মনিরা আক্তার শিলা কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলগুলোতে দুর্যোগকালীন সময়ে পানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে বিদ্যুৎ নির্ভরতার বিকল্প হিসেবে ব্যবস্থা করা হচ্ছে জেনারেটরের। ফলে হলগুলোতে আপৎকালীন সময়ে বিদুৎ না থাকলেও পানির জন্য কোনো দুর্ভোগ পোহাতে হবে না শিক্ষার্থীদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৪ই মে জেনারেটর প্রকল্পের ফাইল অনুমোদন দেয় প্রশাসন। এবং গত ১৮ মে টেন্ডার প্রকাশ হয়, যা বর্তমানে অনলাইনে লাইভে রয়েছে এবং আগামী ১১ জুন বিডিংয়ের জন্য প্রস্তুত হবে। সামনের বর্ষাকালে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা মাথায় রেখে জেনারেটর স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়া যতদ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করার কথা জানায় প্রশাসন।

এর আগে, গত ২৬ এপ্রিল প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে পরদিন আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ২৭ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুহীন ছিল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা। এর ফলে আবাসিক হলগুলোতে বিদুৎ না থাকার পাশাপাশি দেখা দেয় পানিশূন্যতা। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে সবগুলো হলের ট্যাংকি পানিশূন্য হয়ে পড়ে। ফলে শিক্ষার্থীদের নিত্যদিনের কার্যক্রম স্থবির হয় পড়ে। পাশের হোটেলগুলোতেও দেখা দেয় তীব্র পানিশূন্যতা। বাধ্য হয়ে পানি ক্রয় করে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এর থেকেই আপদকালীন সময়ে জেনারেটর ব্যবস্থার প্রসঙ্গটি উঠে আসে।

প্রশাসন থেকে মোট ছয়টি জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি হল– বিজয়-২৪ হল, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল, সুনীতি-শান্তি হল, নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল এবং উপাচার্যের বাসভবনে স্থাপন করা হবে। এই জেনারেটরগুলো বিদ্যুৎ না থাকা অবস্থায় ট্যাংকিগুলোতে পানি ভর্তির কাজে ব্যবহৃত হবে।

এনিয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মাহমুদুল হাসান খান বলেন, ‘সম্প্রতি দীর্ঘক্ষণ বিদুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে। সেখান থেকেই আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করি। পরে প্রশাসন সেটি আমলে নিয়েছে। আশা করি, শিক্ষার্থীদের পানির কষ্ট সামনে লাঘব হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, মোট ছয়টি জেনারেটরের ব্যবস্থা হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সরবরাহ করার।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

কুবির আবাসিক হলগুলোতে বিদ্যুৎ লাগামহীন বসানো হচ্ছে জেনারেটর

কুবির আবাসিক হলগুলোতে বিদ্যুৎ লাগামহীন বসানো হচ্ছে জেনারেটর

Update Time : ০৯:১৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

মনিরা আক্তার শিলা কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলগুলোতে দুর্যোগকালীন সময়ে পানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে বিদ্যুৎ নির্ভরতার বিকল্প হিসেবে ব্যবস্থা করা হচ্ছে জেনারেটরের। ফলে হলগুলোতে আপৎকালীন সময়ে বিদুৎ না থাকলেও পানির জন্য কোনো দুর্ভোগ পোহাতে হবে না শিক্ষার্থীদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৪ই মে জেনারেটর প্রকল্পের ফাইল অনুমোদন দেয় প্রশাসন। এবং গত ১৮ মে টেন্ডার প্রকাশ হয়, যা বর্তমানে অনলাইনে লাইভে রয়েছে এবং আগামী ১১ জুন বিডিংয়ের জন্য প্রস্তুত হবে। সামনের বর্ষাকালে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা মাথায় রেখে জেনারেটর স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়া যতদ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করার কথা জানায় প্রশাসন।

এর আগে, গত ২৬ এপ্রিল প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে পরদিন আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ২৭ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুহীন ছিল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা। এর ফলে আবাসিক হলগুলোতে বিদুৎ না থাকার পাশাপাশি দেখা দেয় পানিশূন্যতা। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে সবগুলো হলের ট্যাংকি পানিশূন্য হয়ে পড়ে। ফলে শিক্ষার্থীদের নিত্যদিনের কার্যক্রম স্থবির হয় পড়ে। পাশের হোটেলগুলোতেও দেখা দেয় তীব্র পানিশূন্যতা। বাধ্য হয়ে পানি ক্রয় করে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এর থেকেই আপদকালীন সময়ে জেনারেটর ব্যবস্থার প্রসঙ্গটি উঠে আসে।

প্রশাসন থেকে মোট ছয়টি জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি হল– বিজয়-২৪ হল, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল, সুনীতি-শান্তি হল, নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল এবং উপাচার্যের বাসভবনে স্থাপন করা হবে। এই জেনারেটরগুলো বিদ্যুৎ না থাকা অবস্থায় ট্যাংকিগুলোতে পানি ভর্তির কাজে ব্যবহৃত হবে।

এনিয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মাহমুদুল হাসান খান বলেন, ‘সম্প্রতি দীর্ঘক্ষণ বিদুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে। সেখান থেকেই আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করি। পরে প্রশাসন সেটি আমলে নিয়েছে। আশা করি, শিক্ষার্থীদের পানির কষ্ট সামনে লাঘব হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, মোট ছয়টি জেনারেটরের ব্যবস্থা হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সরবরাহ করার।