জয়হরিস্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ট শ্রেণি ছাত্রীকে অভিনব কৌশলে হুমকি
-
আতিক - Update Time : ০৬:১৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪
- ১৭৭ Time View

আতিক- কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ-
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার কেন্দুয়া পৌরসভার শহরের শান্তিবাগের বাসিন্দা ও এক সময়ের কেন্দুয়া বাজারে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিজন কুমার এস এর কাছ থেকে সুদের টাকা আদায়ে অভিনব কৌশল হুমকি অবলম্বন করে।গড়াডোবা আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুন অর রশিদ।গত মঙ্গলবার (৩০শে এপ্রিল) মোঃ হারুন অর রশিদের মেয়ে কর্তৃক বিজন কুমার এস এর মেয়ে পূজা রাণী এস (১২) মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে দু’দিন যাবত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।বুধবার (১লা মে) দুপুরে সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুটিকে দেখতে যান কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি -সৈয়দ আব্দুল ওয়াহাব, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক কিশোর কুমার শর্মাসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ । কথা হয় পূজা রাণী এস ও তাঁর মা সুইটি রাণী এস এর সাথে । পূজা রাণী এস বলেন, হারুনের মেয়ে আমাকে যা ইচ্ছে তাই বলে খারাপ ভাষা গালিগালাজ করে, এমনকি সিঁড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে এবং হুমকি দেয়, চাইলে দৌঁড়ে চলে আসি এবং ধাক্কা দেয় ।কারণ হিসেবে উল্লেখ করে, আমার বাবা তোর বাবার কাছে টাকা পায় এ গুলো না দিলে শান্তিতে থাকতে পারবে না ।এই বলে খারাপ ভাষায় গালি দেয়।সুইটি রাণী এস বলেন, আমার বাচ্চাকে নিয়ে ভীষণ ভয়ে আছি । হারুন সাব সুদের টাকার জন্যে বাচ্চাদের ব্যবহার করছে । এর আগেও হারুন ও তাঁর লোকজন সুদের টাকা আদায়ের নামে দোকানে এসে আমার ছেলেকে মারধর করার চেষ্টা করে ।কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ এনামুল হকের কাছে গেলে তিনি অভিযোগ বা জিডি নেননি ।গড়াডোবা আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই । তবে বিজন কুমার এস এর পরিবারের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক ছিলো । আমার কাছ থেকে প্রায় একুশ লাখ টাকা নিয়েছিলো । কিন্তু সেটা সঠিক সময়ে পরিশোধ না করে তালবাহানা শুরু করে ।এ দিকে বিজন কুমার এস এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রতি মাসে সুদসহ চল্লিশ হাজার করে টাকা পরিশোধ করে আসছি ।কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আব্দুল ওয়াহাব বলেন, পূজা রাণী এস মানসিক ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে । আমি গতকাল রাতে বিষয়টি কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ এনামুল হককে জানিয়েছি ।এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ এনামুল হক (পিপিএম-সেবা) বলেন, আমি এ বিষয়ে পরস্পর শুনেছি এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।জয়হরিস্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকে সাথে যোগাযোগ করিলে তিনি বলেন – আমি এই বিষয় কিছু জানিনা।এই এখন শুনেছি।























