Hi

ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীপুর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে চিকিৎসক,নার্সদের নাচ-গানের আসর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মার্চ ২০২৪
  • ১৭২ Time View

মাগুরা জেলা প্রতিনিধি মোঃ সাকিব খান: বার্ষিক বনভোজন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠান উদযাপন করতে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরী বিভাগের সামনে প্যান্ডেল বানিয়ে উচ্চস্বরে সাউন্ডবক্স বাজিয়ে ডিজে গানের তালে তালে ড্যান্স করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।০৬ মার্চ (বুধবার) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে উচ্চস্বরে চলে এই গান – বাজনা। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীরা।এই ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সরা।জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আশরাফুজ্জামান লিটনের উদ্যেগে বার্ষিক বনভোজন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ২০২৪ উদযাপনের নামে হাসপাতালে কর্মরত সকলের বিনোদনের জন্য গান-বাজনার আসর ও রাতের খাবারের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন হাসপাতালের চিকিৎসক,নার্স এবং কর্মচারীরা।

হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে দীর্ঘ সময় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করার
কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের।এছাড়াও হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে ঔষধের দোকানসহ অন্যান্য দোকানিরা অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।হাসপাতালের অভ্যন্তরে রোগীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়টিকে কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে চলছে সমালোচনা।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আশরাফুজ্জামান লিটনের মোবাইলে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।মাগুরার সিভিল সার্জন ডা.শামিম কবিরের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি ফোন দিছিলাম ওরা বলেছে ওদের একটা বার্ষিক অনুষ্ঠান আছে, বাচ্চারা কবিতা আবৃত্তি করছে অনুষ্ঠান যেটা করে সেটা করছে।আমি বলছি রোগীরা কষ্ট পায় সেটা করা যাবে না।যদি অনুষ্ঠান করতেই হয় তাহলে সাউন্ড কমিয়ে করতে হবে।এলাকার সচেতন মহল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন কর্মকান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানুষ বিপদে পড়ে চিকিৎসাসেবা নিতে হাসপাতাল আসে। কিন্তু সেখানে মধ্যরাত পর্যন্ত আনন্দ-উল্লাস করা হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

শ্রীপুর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে চিকিৎসক,নার্সদের নাচ-গানের আসর

Update Time : ০১:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মার্চ ২০২৪

মাগুরা জেলা প্রতিনিধি মোঃ সাকিব খান: বার্ষিক বনভোজন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠান উদযাপন করতে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরী বিভাগের সামনে প্যান্ডেল বানিয়ে উচ্চস্বরে সাউন্ডবক্স বাজিয়ে ডিজে গানের তালে তালে ড্যান্স করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।০৬ মার্চ (বুধবার) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে উচ্চস্বরে চলে এই গান – বাজনা। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীরা।এই ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সরা।জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আশরাফুজ্জামান লিটনের উদ্যেগে বার্ষিক বনভোজন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ২০২৪ উদযাপনের নামে হাসপাতালে কর্মরত সকলের বিনোদনের জন্য গান-বাজনার আসর ও রাতের খাবারের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন হাসপাতালের চিকিৎসক,নার্স এবং কর্মচারীরা।

হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে দীর্ঘ সময় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করার
কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের।এছাড়াও হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে ঔষধের দোকানসহ অন্যান্য দোকানিরা অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।হাসপাতালের অভ্যন্তরে রোগীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়টিকে কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে চলছে সমালোচনা।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আশরাফুজ্জামান লিটনের মোবাইলে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।মাগুরার সিভিল সার্জন ডা.শামিম কবিরের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি ফোন দিছিলাম ওরা বলেছে ওদের একটা বার্ষিক অনুষ্ঠান আছে, বাচ্চারা কবিতা আবৃত্তি করছে অনুষ্ঠান যেটা করে সেটা করছে।আমি বলছি রোগীরা কষ্ট পায় সেটা করা যাবে না।যদি অনুষ্ঠান করতেই হয় তাহলে সাউন্ড কমিয়ে করতে হবে।এলাকার সচেতন মহল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন কর্মকান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানুষ বিপদে পড়ে চিকিৎসাসেবা নিতে হাসপাতাল আসে। কিন্তু সেখানে মধ্যরাত পর্যন্ত আনন্দ-উল্লাস করা হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক।