Hi

ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোনার বাংলাদেশের তারুণ্যেরা কি ভাবছেন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৮৪ Time View

মাগুরা জেলা প্রতিনিধি মোঃ সাকিব খান সোনার বাংলাদেশের তারুণ্যেরা কি ভাবছেন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য তাদের ভাবনা তুলে ধরতে আমি সাকিব খান বাংলার নবকন্ঠ এর সাংবাদিক একজন স্বেচ্ছাসেবীর সাথে কথা বলেছি তিনি একাধিক মানবিক ও পরিবেশের সংগঠনের সাথে জড়িত।তিনি বলেন আমরা তারুণ্য আমাদেরকে সোনার বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বলা হয়। এই দেশ আমার মায়ের দেশ। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ। দেশের ভালো রাখার দায়িত্ব আমার আমাদের।
আমি একাধিক সংগঠনের সাথে জড়িত।যেমন বিডি ক্লিন একটি সুন্দর ও সুস্থ পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে সারাদেশে। ২৩ সালে বিজায়ের ৫৩ বছর পর ৫৩ টি ময়লায় পরিণত ভাগাড়কে বিডি ক্লিন তারুণ্য ফুলের বাগানে রূপান্তরিত করেছে। বিডি ক্লিন এমন একটি সংগঠন তারুণ্যদের দেশ প্রেম শেখাই এবং দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হতে অনুপ্রেরণা যোগায়। বিডি ক্লিন তারুণ্য পরিচ্ছন্নতা কাজের মধ্যে দিয়ে মানুষের মধ্যে সু নাগরিক ও সুস্থ পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার চিন্তা ভাবনা বিকাশে সহায়তা করে।বিডি ক্লিন তারুণ্যরা সপ্তাহে একদিন একটি নির্দিষ্ট যায়গাই ইভেন্ট করে একটি ময়লা আবর্জনা যুক্ত যায়গাকে পরিস্কার যায়গাই হিসেবে রূপান্তরিত করে। তাদের ইভেন্টের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপলোড করা হয়। সেখান অনেক মানুষ আমাদের কমেন্ট করে অনুপ্রেরণা যোগায় এবং অনেকই আমাদের সাথে যুক্ত হতে আগ্রহী হন।
যেমন ব্লাডের সংগঠন।আমাদের মাগুরা জেলায় একাধিক স্বেচ্ছাসেবী কাজ করে যাচ্ছে। শুধু মাগুরাতে নয় সারা বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে।স্বেচ্ছাসেবীরা মনে করেন আমরা তরুন প্রজন্ম আমাদের দায়িত্ব ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত দেশের মানুষের পাশে থাকা।
স্বেচ্ছাসেবীদের কাছে রোগীর লোকরা ব্লাড রিকোয়েস্টের দিয়ে থাকেন।স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের বন্ধু পরিচিত মানুষ এবং যারা নিজের ইচ্ছায় ব্লাড দিয়ে রোগীদের পাশে দাঁড়ায় তাদের ফোন নাম্বার ও ব্লাড গ্রুপ নিয়ে রাখেন। এবং স্বেচ্ছাসেবীরা নিজে ডোনার নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে রোগীকে ব্লাড দিয়ে আসেন। এভাবেই স্বেচ্ছাসেবীরা যুগের পর যুগ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।পরিবেশ বিপর্যয়ে ও বিপন্ন বন্য প্রাণীদের তরে কাজ করে যাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবীরা।বর্তমানে সময়ে অনেক পাখি বিলুপ্ত এর পথে।স্বেচ্ছাসেবীরা যুগের পর যুগ বিপাদ গ্রস্ত বিপন্ন প্রাণীদের উদ্ধার করে ফিরিয়েছেন প্রকৃতিতে। যেমন গুইসাপ, খরগোশ, বাগডাশ, শিয়াল ছানা, বনবিড়াল, এবং বিভিন্ন প্রজাতির নির্বিষ সাপ নেউল অতিথি এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীরা বিপন্ন প্রাণীদের ভালোবাসার জন্য মানুষের কাছে থেকে নিয়ে আসে উন্মুক্ত করেছে সব ধরনের প্রাণীদের।বর্তমান তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মেকে সোনার বাংলাদেশের উপহার দিতে চাই। এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মানবিক কাজ অবহিত রাখেন সেই আশাই করে বর্তমান সময়ের তরুণ প্রজন্ম।আমরা তারুণ্য আমরাই পারবো বাংলাদেশ কে বিশ্বেরমঞ্চে তুলে ধরতে।দেশকে নিয়ে সুন্দর চিন্তা ধারা কথা শুনতে ছিলাম মুজাহিদ মুসল্লী এর কাছ থেকে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ঈদ-গ্রীষ্মের ছুটি শেষে খুলছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

সোনার বাংলাদেশের তারুণ্যেরা কি ভাবছেন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার

Update Time : ১১:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

মাগুরা জেলা প্রতিনিধি মোঃ সাকিব খান সোনার বাংলাদেশের তারুণ্যেরা কি ভাবছেন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য তাদের ভাবনা তুলে ধরতে আমি সাকিব খান বাংলার নবকন্ঠ এর সাংবাদিক একজন স্বেচ্ছাসেবীর সাথে কথা বলেছি তিনি একাধিক মানবিক ও পরিবেশের সংগঠনের সাথে জড়িত।তিনি বলেন আমরা তারুণ্য আমাদেরকে সোনার বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বলা হয়। এই দেশ আমার মায়ের দেশ। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ। দেশের ভালো রাখার দায়িত্ব আমার আমাদের।
আমি একাধিক সংগঠনের সাথে জড়িত।যেমন বিডি ক্লিন একটি সুন্দর ও সুস্থ পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে সারাদেশে। ২৩ সালে বিজায়ের ৫৩ বছর পর ৫৩ টি ময়লায় পরিণত ভাগাড়কে বিডি ক্লিন তারুণ্য ফুলের বাগানে রূপান্তরিত করেছে। বিডি ক্লিন এমন একটি সংগঠন তারুণ্যদের দেশ প্রেম শেখাই এবং দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হতে অনুপ্রেরণা যোগায়। বিডি ক্লিন তারুণ্য পরিচ্ছন্নতা কাজের মধ্যে দিয়ে মানুষের মধ্যে সু নাগরিক ও সুস্থ পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার চিন্তা ভাবনা বিকাশে সহায়তা করে।বিডি ক্লিন তারুণ্যরা সপ্তাহে একদিন একটি নির্দিষ্ট যায়গাই ইভেন্ট করে একটি ময়লা আবর্জনা যুক্ত যায়গাকে পরিস্কার যায়গাই হিসেবে রূপান্তরিত করে। তাদের ইভেন্টের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপলোড করা হয়। সেখান অনেক মানুষ আমাদের কমেন্ট করে অনুপ্রেরণা যোগায় এবং অনেকই আমাদের সাথে যুক্ত হতে আগ্রহী হন।
যেমন ব্লাডের সংগঠন।আমাদের মাগুরা জেলায় একাধিক স্বেচ্ছাসেবী কাজ করে যাচ্ছে। শুধু মাগুরাতে নয় সারা বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে।স্বেচ্ছাসেবীরা মনে করেন আমরা তরুন প্রজন্ম আমাদের দায়িত্ব ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত দেশের মানুষের পাশে থাকা।
স্বেচ্ছাসেবীদের কাছে রোগীর লোকরা ব্লাড রিকোয়েস্টের দিয়ে থাকেন।স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের বন্ধু পরিচিত মানুষ এবং যারা নিজের ইচ্ছায় ব্লাড দিয়ে রোগীদের পাশে দাঁড়ায় তাদের ফোন নাম্বার ও ব্লাড গ্রুপ নিয়ে রাখেন। এবং স্বেচ্ছাসেবীরা নিজে ডোনার নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে রোগীকে ব্লাড দিয়ে আসেন। এভাবেই স্বেচ্ছাসেবীরা যুগের পর যুগ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।পরিবেশ বিপর্যয়ে ও বিপন্ন বন্য প্রাণীদের তরে কাজ করে যাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবীরা।বর্তমানে সময়ে অনেক পাখি বিলুপ্ত এর পথে।স্বেচ্ছাসেবীরা যুগের পর যুগ বিপাদ গ্রস্ত বিপন্ন প্রাণীদের উদ্ধার করে ফিরিয়েছেন প্রকৃতিতে। যেমন গুইসাপ, খরগোশ, বাগডাশ, শিয়াল ছানা, বনবিড়াল, এবং বিভিন্ন প্রজাতির নির্বিষ সাপ নেউল অতিথি এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীরা বিপন্ন প্রাণীদের ভালোবাসার জন্য মানুষের কাছে থেকে নিয়ে আসে উন্মুক্ত করেছে সব ধরনের প্রাণীদের।বর্তমান তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মেকে সোনার বাংলাদেশের উপহার দিতে চাই। এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মানবিক কাজ অবহিত রাখেন সেই আশাই করে বর্তমান সময়ের তরুণ প্রজন্ম।আমরা তারুণ্য আমরাই পারবো বাংলাদেশ কে বিশ্বেরমঞ্চে তুলে ধরতে।দেশকে নিয়ে সুন্দর চিন্তা ধারা কথা শুনতে ছিলাম মুজাহিদ মুসল্লী এর কাছ থেকে।