Hi

ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে প্রতারনা করে ১৩ বিয়ে অত:পর ডিবি’র হাতে গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১৭৭ Time View

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহে নৌবাহিনীর পরিচয় দিয়ে ১৩জন মেয়েকে,বিবাহের মাধ্যমে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক মহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারী) দুপুর সারে ১২ টায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা প্রেস বিফ্রিং এর মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি জানান মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মুহিদুল ইসলাম (মইদুল)।তিনি আরো জানান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এমএলএসএস হিসাবে ২ বছর চাকুরি করার পর বিধি বহির্ভূতভাবে বাল্যবিবাহ করার অপরাধে হয়ে আসামী মহিদুল প্রতারনার মাধ্যমে বিবাহকেই তার পেশা হিসাবে বেঁছে নেয়। শশুরবাড়ি থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া জন্য চক্র তৈরি করে।মানিকগঞ্জে তিনজন, টাঙ্গাইলে তিনজন, কিশোরগঞ্জে একজন এবং ময়মনসিংহে ছয়জনকে বিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি কোটি হাতিয় নেয়। তার প্রতারণার ফাঁদ থেকে প্রতিবন্ধী নারীও রেহায় পায়নি। প্রতিবন্ধীর মাসিক ভাতার সামান্য টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য সে টাঙ্গাইল জেলার একজন প্রতিবন্ধী নারীকেও বিবাহ করে।আসামী মহিদুল ইসলাম এর কাছে নৌবাহিনীর ভূয়া আইডি কার্ড,বাহিনীর ব্যবহার্য ট্রাকসুট এবং বিভিন্ন বাহিনীর ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি পাওয়া যায়।।মহিদুলসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে জামালপুর ও টাঙ্গাইল সহ বিভিন্ন জেলায় একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে প্রতারনা করে ১৩ বিয়ে অত:পর ডিবি’র হাতে গ্রেফতার

Update Time : ০৩:৪১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহে নৌবাহিনীর পরিচয় দিয়ে ১৩জন মেয়েকে,বিবাহের মাধ্যমে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক মহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারী) দুপুর সারে ১২ টায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা প্রেস বিফ্রিং এর মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি জানান মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মুহিদুল ইসলাম (মইদুল)।তিনি আরো জানান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এমএলএসএস হিসাবে ২ বছর চাকুরি করার পর বিধি বহির্ভূতভাবে বাল্যবিবাহ করার অপরাধে হয়ে আসামী মহিদুল প্রতারনার মাধ্যমে বিবাহকেই তার পেশা হিসাবে বেঁছে নেয়। শশুরবাড়ি থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া জন্য চক্র তৈরি করে।মানিকগঞ্জে তিনজন, টাঙ্গাইলে তিনজন, কিশোরগঞ্জে একজন এবং ময়মনসিংহে ছয়জনকে বিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি কোটি হাতিয় নেয়। তার প্রতারণার ফাঁদ থেকে প্রতিবন্ধী নারীও রেহায় পায়নি। প্রতিবন্ধীর মাসিক ভাতার সামান্য টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য সে টাঙ্গাইল জেলার একজন প্রতিবন্ধী নারীকেও বিবাহ করে।আসামী মহিদুল ইসলাম এর কাছে নৌবাহিনীর ভূয়া আইডি কার্ড,বাহিনীর ব্যবহার্য ট্রাকসুট এবং বিভিন্ন বাহিনীর ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি পাওয়া যায়।।মহিদুলসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে জামালপুর ও টাঙ্গাইল সহ বিভিন্ন জেলায় একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।