বদলে গেছে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার চিত্র
-
Reporter Name - Update Time : ১১:১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
- ২০১ Time View

ময়মনসিংহ ফুলপুর প্রতিনিধি মোঃ কামরুল ইসলাম খান
১৩ থানার মধ্যে একটি ফুলপুর থানা, থানা মানেই টাকা।
টাকা ছাড়া থানায় কোন কাজ হয়না এমন ধারণা জনসাধারণের। তবে জনসাধারণের সেই ধারণা
পাল্টে দিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন একজন সৎ ও মেধাবী পুলিশ অফিসার।
এছাড়া সেবা নিতে আসা লোকজন টাকা ছাড়াই এখন সাধারণ ডায়েরি জিডি অভিযোগ ও মামলা লেখা বা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছেন।
পুলিশের আচরণ যেমন পাল্টেছে, তেমনি আগের তুলনায় থানায় সেবার মান বেড়েছে। থানার মূল ভবনে সামনে ফুলের বাগান আর থানা চত্বরে ময়লা পরিষ্কার করায় সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই স্থাপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও দৃষ্টিনন্দন করতে এবং সহজেই মানুষকে সেবা দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন ফুলপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন ।
তিনি ফুলপুর থানায় যোগদানের পর থেকেই উপজেলাবাসীর কাছে জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন।
ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন এ থানায় যোগদানের পর সৃজনশীল ও যুগোপযোগী পরিকল্পনার ফলে ফুলপুর থানা পুলিশ হয়ে উঠেছে এ উপজেলার মানুষের আস্থার ঠিকানা।
এ-র পর থেকেই নিজের সৃজনশীল কর্মদক্ষতায় চেষ্টা করে যাচ্ছেন মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং, জঙ্গিবাদ, বাল্য বিয়ে প্রতিরোধমুক্ত একটি থানা গড়তে। শুরু থেকেই উপজেলাব্যাপী মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক নির্মূল করেছেন। যেখানে হাত বাড়ালেই মিলতো যে কোন ধরনের মাদক দ্রব্য। বর্তমানে উপজেলাব্যাপী মাদকের চিত্র নেই বললেই চলে। তারপরও ফুলপুর উপজেলার বিভিন্ন মামলার আসামীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন। এছাড়াও পারিবারিক, জমি-জমা বিরোধের জেরে মারপিট, রাজনৈতিক কোন্দলও তিনি থানায় , নাহয় এলাকায় বসে মীমাংসা করে এলাকার পরিবেশ শান্ত রেখেছেন প্রতিটি সময়।
ওসি নিজের দায়িত্ব কর্তব্যের মধ্যে থেকেও সময় বের করে অসহায়, ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ছুটে চলেছেন প্রতিনিয়ত। তিনি থানার যোগদানের পর থেকেই নিজের ব্যক্তিগত ও থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতা করেন।
ফুলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন একান্ত সাক্ষাতে জানান, আমি ফুলপুর থানায় যোগদানের পর থেকেই ময়মনসিংহ পুলিশ সুপারের নির্দেশে থানার অফিসার, ফোর্সদের সহযোগিতায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে উপজেলাব্যাপী মাদক নির্মূল করেছি। তারপরও বিভিন্ন মামলার আসামীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার, নিয়মিত অভিযানে ইভটিজিং, বাল্য বিয়ে, মারপিট থেকে শুরু করে প্রায় সকল ধরনের অপরাধ প্রবণতা অনেক কমেছে।
তিনি আরো বলেন, কোন চাওয়া পাওয়ার জন্য নয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভালোলাগার জায়গা থেকে কাজগুলো করেছি। পুলিশ হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি।
মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যে কোনো অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা তিনি সজাগ আছেন।


















