Hi

ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্রেতাদের নাগালের বাইরে সব রকম দেশি ফলের দাম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪
  • ১৭২ Time View

এএস নুসরাত জাহান খুশি, রংপুর ব্যুরো। রংপুর নগরীসহ জেলাজুড়ে শুধু বিদেশি ফলই নয়, বাজারে সব দেশি ফলের দামে যেন আগুন লেগেছে। সব ফলের দামই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এ নিয়ে ক্রেতাসহ সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। রংপুর সিটি বাজার, কাচারি বাজার এলাকা ও বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বর, পায়রা চত্বর, শাপলা চত্বর, লালবাগ, মর্ডান ও মাহিগঞ্জে থেকে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে বাজারে যেসব দেশি ফল পাওয়া যাচ্ছে তার সবই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে কিছু ফলের দাম উল্লেখ্য বরই বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি, পেঁপের কেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, দেশি আনারসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। রংপুরের বাজারে তুলনামূলক ভাবে সফেদা ফলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। চাহিদা বিবেচনায় বেলের দাম বেড়েছে। প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ হিসেবে আগেও ১০০ টাকা ডজন ছিল কলার। রোজা উপলক্ষ্যে ডজন প্রতি এই কলার দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। খেজুর সবনিম্ন সাড়ে ৩শ থেকে সর্বোচ্চ ১২শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য ফলের দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। এছারাও আরও জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কমলা রোজার আগের দিন থেকেই বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে। মানভেদে কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা দরেও। রোজার আগে আপেল বিক্রি হতো ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায়। রোজার প্রথম দিন থেকে তা বেড়ে বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি দরে। তরমুজ প্রতিপিস হিসেবে বিক্রি হওয়ার নিয়ম থাকলেও তা এখন বিক্রি হচ্ছে কেজি হিসেবে। প্রতি কেজির দাম ৮০ টাকা। সে হিসাবে ছোট আকারের একেকটি তরমুজের দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। বেড়েছে ডাবের দামও। আকারভেদে প্রতিটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ক্রেতাদের নাগালের বাইরে সব রকম দেশি ফলের দাম

Update Time : ০৯:০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪

এএস নুসরাত জাহান খুশি, রংপুর ব্যুরো। রংপুর নগরীসহ জেলাজুড়ে শুধু বিদেশি ফলই নয়, বাজারে সব দেশি ফলের দামে যেন আগুন লেগেছে। সব ফলের দামই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এ নিয়ে ক্রেতাসহ সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। রংপুর সিটি বাজার, কাচারি বাজার এলাকা ও বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বর, পায়রা চত্বর, শাপলা চত্বর, লালবাগ, মর্ডান ও মাহিগঞ্জে থেকে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে বাজারে যেসব দেশি ফল পাওয়া যাচ্ছে তার সবই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে কিছু ফলের দাম উল্লেখ্য বরই বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি, পেঁপের কেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, দেশি আনারসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। রংপুরের বাজারে তুলনামূলক ভাবে সফেদা ফলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। চাহিদা বিবেচনায় বেলের দাম বেড়েছে। প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ হিসেবে আগেও ১০০ টাকা ডজন ছিল কলার। রোজা উপলক্ষ্যে ডজন প্রতি এই কলার দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। খেজুর সবনিম্ন সাড়ে ৩শ থেকে সর্বোচ্চ ১২শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য ফলের দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। এছারাও আরও জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কমলা রোজার আগের দিন থেকেই বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে। মানভেদে কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা দরেও। রোজার আগে আপেল বিক্রি হতো ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায়। রোজার প্রথম দিন থেকে তা বেড়ে বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি দরে। তরমুজ প্রতিপিস হিসেবে বিক্রি হওয়ার নিয়ম থাকলেও তা এখন বিক্রি হচ্ছে কেজি হিসেবে। প্রতি কেজির দাম ৮০ টাকা। সে হিসাবে ছোট আকারের একেকটি তরমুজের দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। বেড়েছে ডাবের দামও। আকারভেদে প্রতিটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়।