Hi

ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষামূলক আচরণবিধি

ডা.মো.রেজাউল করিম অপু (এমবিবিএস)

শিক্ষামূলক আচরণবিধি- জীবনে সম্মান, সম্পর্ক ও আত্মসম্মান বজায় রাখার ৩০টি অভ্যাসঃ

১. কাউকে একসঙ্গে তিনবারের বেশি ফোন করবেন না। কল রিসিভ না হলে ধরে নিন তিনি ব্যস্ত। ১০–১৫ মিনিট পর আবার চেষ্টা করুন।

২. ঋণ/ধার করলে অবশ্যই সময়মতো ফেরত দিন। যদি ঋণদাতা ভুলেও যান, তবুও ফেরত দিন বা এমনভাবে পুষিয়ে দিন যাতে তার মনে প্রশান্তি আসে।

৩. ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করবেন না – যেমন,”আপনার সেলারি কতো” “এখনও বিয়ে করেন নাই কেনো?” বা “বাড়ি কিনেননি কেনো?”

৪. রাইড শেয়ার করলে বিল ভাগাভাগি করুন। আজ সে দিলে, কাল আপনি দিন।

৫. অন্যের কথা বলার সময় বাধা দেবেন না। কথা শেষ হলে নিজের মতামত দিন।

৬. মজা করার সময় খেয়াল রাখুন – যদি অন্যজন উপভোগ না করে, সাথে সাথে থামুন।

৭. কেউ ছবি দেখাতে ফোন দিলে শুধু সেই ছবি দেখুন, গ্যালারি স্ক্রল করবেন না।

৮. কথোপকথনের সময় ফোনে ব্যস্ত হবেন না। এটি অসম্মানের লক্ষণ।

৯. যা আপনাকে সরাসরি স্পর্শ করে না, তাতে না জড়ান। নিজের কাজেই মন দিন।

১০. অযাচিত উপদেশ দেবেন না। কেউ না চাইলে ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না।

১১. সবার সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলুন – হোক সে রিকশাওয়ালা বা আপনার অফিসের বস।

১২. কারো বেতন, ব্যবসা, চাকরি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করবেন না।

১৩. কেউ পাসওয়ার্ড দিলে চোখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিন।

১৪. ন্যূনতম সাহায্যের জন্যও ধন্যবাদ দিন।

১৫. উপকারের মূল্যায়ন করুন – ছোট হোক বা বড়।

১৬. বন্ধুত্বে সবসময় বড় আবদার আশা করবেন না।

১৭. সবসময় ফ্রি কিছু পাওয়ার আশা করবেন না।

১৮. কারো দোষ গোপন রাখুন, অপপ্রচার করবেন না।

১৯. হিংসা করবেন না। অন্যের সাফল্য দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেও চেষ্টা করুন।

২০. মতভেদ হলে তর্ক না করে এড়িয়ে চলুন। ছোট-বড় সবার সাথে মাধুর্য্যপূর্ণ আচরণ করুন।

২১. বন্ধুত্বে ঝগড়া হলে পেছনে তার বদনাম করবেন না।

২২. কাউকে খোঁটা দিবেন না।

২৩. কম জানা বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না।

২৪. কারো সম্মান নষ্ট করে কথা বলবেন না। ধর্ম বা জাতি নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।

২৫. যে আপনার উপদেশ মানবে না, তাকে উপদেশ দিয়ে সময় নষ্ট করবেন না।

২৬. সময়মতো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন – কথা দিয়ে কথা রাখুন।

২৭. অন্যের ব্যক্তিগত জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করবেন না।

২৮. জনসমক্ষে কারো ভুল ধরিয়ে লজ্জা দিবেন না – প্রয়োজনে আলাদা করে বলুন।

২৯. শোনার অভ্যাস গড়ে তুলুন – শোনা অনেক সময় বলার চেয়ে বেশি শক্তিশালী।

৩০. দয়া ও সহমর্মিতা চর্চা করুন – মানুষ ভুল করলে সুযোগ দিন, কারণ একদিন আপনারও প্রয়োজন হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভালুকায় বসত বাড়ীত হামলা ভাংচুর লুটপাট আহত ৫ 

শিক্ষামূলক আচরণবিধি

Update Time : ০১:৫৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

ডা.মো.রেজাউল করিম অপু (এমবিবিএস)

শিক্ষামূলক আচরণবিধি- জীবনে সম্মান, সম্পর্ক ও আত্মসম্মান বজায় রাখার ৩০টি অভ্যাসঃ

১. কাউকে একসঙ্গে তিনবারের বেশি ফোন করবেন না। কল রিসিভ না হলে ধরে নিন তিনি ব্যস্ত। ১০–১৫ মিনিট পর আবার চেষ্টা করুন।

২. ঋণ/ধার করলে অবশ্যই সময়মতো ফেরত দিন। যদি ঋণদাতা ভুলেও যান, তবুও ফেরত দিন বা এমনভাবে পুষিয়ে দিন যাতে তার মনে প্রশান্তি আসে।

৩. ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করবেন না – যেমন,”আপনার সেলারি কতো” “এখনও বিয়ে করেন নাই কেনো?” বা “বাড়ি কিনেননি কেনো?”

৪. রাইড শেয়ার করলে বিল ভাগাভাগি করুন। আজ সে দিলে, কাল আপনি দিন।

৫. অন্যের কথা বলার সময় বাধা দেবেন না। কথা শেষ হলে নিজের মতামত দিন।

৬. মজা করার সময় খেয়াল রাখুন – যদি অন্যজন উপভোগ না করে, সাথে সাথে থামুন।

৭. কেউ ছবি দেখাতে ফোন দিলে শুধু সেই ছবি দেখুন, গ্যালারি স্ক্রল করবেন না।

৮. কথোপকথনের সময় ফোনে ব্যস্ত হবেন না। এটি অসম্মানের লক্ষণ।

৯. যা আপনাকে সরাসরি স্পর্শ করে না, তাতে না জড়ান। নিজের কাজেই মন দিন।

১০. অযাচিত উপদেশ দেবেন না। কেউ না চাইলে ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না।

১১. সবার সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলুন – হোক সে রিকশাওয়ালা বা আপনার অফিসের বস।

১২. কারো বেতন, ব্যবসা, চাকরি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করবেন না।

১৩. কেউ পাসওয়ার্ড দিলে চোখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিন।

১৪. ন্যূনতম সাহায্যের জন্যও ধন্যবাদ দিন।

১৫. উপকারের মূল্যায়ন করুন – ছোট হোক বা বড়।

১৬. বন্ধুত্বে সবসময় বড় আবদার আশা করবেন না।

১৭. সবসময় ফ্রি কিছু পাওয়ার আশা করবেন না।

১৮. কারো দোষ গোপন রাখুন, অপপ্রচার করবেন না।

১৯. হিংসা করবেন না। অন্যের সাফল্য দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেও চেষ্টা করুন।

২০. মতভেদ হলে তর্ক না করে এড়িয়ে চলুন। ছোট-বড় সবার সাথে মাধুর্য্যপূর্ণ আচরণ করুন।

২১. বন্ধুত্বে ঝগড়া হলে পেছনে তার বদনাম করবেন না।

২২. কাউকে খোঁটা দিবেন না।

২৩. কম জানা বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না।

২৪. কারো সম্মান নষ্ট করে কথা বলবেন না। ধর্ম বা জাতি নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।

২৫. যে আপনার উপদেশ মানবে না, তাকে উপদেশ দিয়ে সময় নষ্ট করবেন না।

২৬. সময়মতো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন – কথা দিয়ে কথা রাখুন।

২৭. অন্যের ব্যক্তিগত জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করবেন না।

২৮. জনসমক্ষে কারো ভুল ধরিয়ে লজ্জা দিবেন না – প্রয়োজনে আলাদা করে বলুন।

২৯. শোনার অভ্যাস গড়ে তুলুন – শোনা অনেক সময় বলার চেয়ে বেশি শক্তিশালী।

৩০. দয়া ও সহমর্মিতা চর্চা করুন – মানুষ ভুল করলে সুযোগ দিন, কারণ একদিন আপনারও প্রয়োজন হতে পারে।