Hi

ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল ও গাছ কাটার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৮৫ Time View

 ইমাম হাসান জুয়েল ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে জোরপূর্বক জমি দখল ও গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা শহরের বিশ্বরোড মোড়ে নিউ মডেল প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জমি দখলের অভিযোগ করেন, সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের জামতলা শিষাবাগান এলাকার মৃত মোকবুল হোসেনের মজিবুর রহমান। এসময় জমির মালিক মজিবুর রহমান বলেন, ২০০০ সালে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের মানিকারা মৌজার ৫৯ নম্বর দাগের ৩৪০ নম্বর খতিয়ানের .০৭৩২ একর জমি কিনে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু হঠাৎ করেই গত ১৮ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের অন্যতম শীর্ষ ভূমিদস্যু তরিকুল ইসলাম ওরফে টি ইসলামের নেতৃত্বে ১২-১৪ জনের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী জোরপূর্বক জমি দখল করে। এসময় আমার লাগানো আম, নিম ও তালগাছ কেটে নেয় তারা। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪-৫ লাখ টাকা। তিনি আরও বলেন, জোরপূর্বক জমি দখল ও গাছ কাটার খবর পেয়ে গাছ কাটছে কেন জানতে চাইলে, উল্টো আমাকে নানারকম ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এসময় আমি জীবন রক্ষা করতে পালিয়ে আসি। পরে ভূমিদস্যু টি ইসলামের শরণাপন্ন হলে তিনি হজ করে ফিরে এসে সমাধান করব বললেও এনিয়ে একাধিকবার বসলেও এখন পর্যন্ত তার কোন সমাধান হয়নি। এমনকি জমি দখল ও গাছ কাটার প্রতিকার চেয়ে নাচোল থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এবিষয়ে জমি দখল ও গাছে কেটে নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তরিকুল ইসলাম ওরফে টি ইসলাম মুঠোফোনে জানান, আমার জমিতে থাকা গাছ কেটেছি, অন্য কারো নয়। গত ৬ মাস আগে আমি পৃথক একটি খাতিয়ানের ২৫ বিঘা জমি কিনেছি। মজিবুরের খতিয়ান ও আমার কেনা জমির খতিয়ান আলাদা। ২৫ বিঘা জমির মধ্যে একটি দাগের ২৩ শতকের মধ্যে এখনও ৯ শতক কম রয়েছে। নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান জানান, প্রায় দুই মাস জমি দখল ও গাছ কাটার একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু থানায় এসব অভিযোগ নেয়া হয়না জানিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হতে তাদেরক পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মজিবুর রহমানের বোন সুমাইয়া খাতুন, স্ত্রী মুক্তারা খাতুন, ছেলে পলাশও ফিরোজসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল ও গাছ কাটার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০১:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

 ইমাম হাসান জুয়েল ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে জোরপূর্বক জমি দখল ও গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা শহরের বিশ্বরোড মোড়ে নিউ মডেল প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জমি দখলের অভিযোগ করেন, সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের জামতলা শিষাবাগান এলাকার মৃত মোকবুল হোসেনের মজিবুর রহমান। এসময় জমির মালিক মজিবুর রহমান বলেন, ২০০০ সালে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের মানিকারা মৌজার ৫৯ নম্বর দাগের ৩৪০ নম্বর খতিয়ানের .০৭৩২ একর জমি কিনে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু হঠাৎ করেই গত ১৮ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের অন্যতম শীর্ষ ভূমিদস্যু তরিকুল ইসলাম ওরফে টি ইসলামের নেতৃত্বে ১২-১৪ জনের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী জোরপূর্বক জমি দখল করে। এসময় আমার লাগানো আম, নিম ও তালগাছ কেটে নেয় তারা। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪-৫ লাখ টাকা। তিনি আরও বলেন, জোরপূর্বক জমি দখল ও গাছ কাটার খবর পেয়ে গাছ কাটছে কেন জানতে চাইলে, উল্টো আমাকে নানারকম ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এসময় আমি জীবন রক্ষা করতে পালিয়ে আসি। পরে ভূমিদস্যু টি ইসলামের শরণাপন্ন হলে তিনি হজ করে ফিরে এসে সমাধান করব বললেও এনিয়ে একাধিকবার বসলেও এখন পর্যন্ত তার কোন সমাধান হয়নি। এমনকি জমি দখল ও গাছ কাটার প্রতিকার চেয়ে নাচোল থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এবিষয়ে জমি দখল ও গাছে কেটে নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তরিকুল ইসলাম ওরফে টি ইসলাম মুঠোফোনে জানান, আমার জমিতে থাকা গাছ কেটেছি, অন্য কারো নয়। গত ৬ মাস আগে আমি পৃথক একটি খাতিয়ানের ২৫ বিঘা জমি কিনেছি। মজিবুরের খতিয়ান ও আমার কেনা জমির খতিয়ান আলাদা। ২৫ বিঘা জমির মধ্যে একটি দাগের ২৩ শতকের মধ্যে এখনও ৯ শতক কম রয়েছে। নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান জানান, প্রায় দুই মাস জমি দখল ও গাছ কাটার একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু থানায় এসব অভিযোগ নেয়া হয়না জানিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হতে তাদেরক পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মজিবুর রহমানের বোন সুমাইয়া খাতুন, স্ত্রী মুক্তারা খাতুন, ছেলে পলাশও ফিরোজসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা