চবি ল্যাবরেটরি স্কুলে নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের অভিযোগ: স্বচ্ছতার সংকট
-
Reporter Name - Update Time : ০৮:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
- ৬৭ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে নিয়োগ ঘিরে স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে—অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোর্শেদুল হক তার স্ত্রী সুলতানা তানজিমা খানমকে নিয়োগ দিতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছেন। অভিযোগের অংশ হিসেবে বলা হচ্ছে, তিনি নিজেকে জামায়াতপন্থি পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসনের ওপর প্রভাব খাটাচ্ছেন। এর আগেও এই বিভাগে শিক্ষার্থীদের ফলাফল ও মূল্যায়নে পারিবারিক সম্পর্কের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ার তদারকি করছেন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক মো. আলাউদ্দিন মজুমদার, যার তত্ত্বাবধানে মোর্শেদুল হক বর্তমানে পিএইচডি করছেন। একাডেমিক নির্ভরশীলতার এমন সম্পর্কের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে—তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. ইউসুফের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে—তিনি তার মেয়ে ঈসরানা তাসনিমের নিয়োগ নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তার করছেন। এর আগে তাকে সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও ওঠে।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রশ্ন—একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলো কি স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক ক্ষমতার প্রভাব থেকে মুক্ত? নাকি এ ধরনের প্রভাবই যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীদের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করছে? প্রার্থীরা সতর্ক করে বলেছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে প্রতিযোগিতা, ন্যায্যতা এবং শিক্ষার নৈতিক মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।














