এক ইউনিয়নে ২ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সংবাদ সম্মেলনে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ
-
Reporter Name - Update Time : ০৮:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অগাস্ট ২০২৪
- ২০৯ Time View

মিজানুর রহমান মিলন, শাজাহানপুর(বগুড়া)প্রতিনিধি :
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গঠন নিয়ে নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে উঠেছে বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার খড়না ইউনিয়ন পরিষদ। প্রতিপক্ষের হাতে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মারপিট সহ লাঞ্চিত করার ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় বৃহস্পতিবার(১আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ওই ইউনিয়নের বীরগ্রাম বাস স্ট্যান্ড এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান(ভারপ্রাপ্ত) ও প্যানেল চেয়ারম্যান-২ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।
জানাযায়, খড়না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সভাপতি সাজেদুর রহমান সাহীন। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শাজাহানপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন সাজেদুর রহমান সাহীন। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মোঃ আলমগীর হোসেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। হজ্ব পালনের জন্য আলমগীর হোসেন সৌদি আরবে যাওয়ার সময় গত ৬জুন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান-২ মোঃ আব্দুর রাজ্জাককে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়ে রেজুলেশন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আলমগীর হোসেন এক সময়ের চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং অস্ত্র মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ভূমিদস্যুতা, ইট বালু ব্যবসা সিন্ডিকেট, জমি চাষের ট্রাক্টর থেকে চাঁদাবাজি তাঁর আয়ের অন্যতম উৎস। তাঁর(আলমগীর) কাছে এলাকার মানুষ জিম্মি হয়ে আছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ছুটি না নিয়েই আলমগীর হোসেন হজ্ব পালন করতে যাওয়ার কথা বলে যান। ২৪জুলাই পরিষদের ৮সদস্য আলমগীরের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবর অভিযোগ দেই।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, উন্নয়ন সহায়তা এর ২য় কিস্তির বরাদ্ধের টাকা স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে কাজ করায় আমরা ৮জন সদস্য আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে অনাস্থা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। তবে এখন পর্যন্ত তাঁর ফলাফল পাইনাই।
কয়েক দিন আগে আলমগীর হোসেন তাঁর সন্ত্রাসী সহযোগীদের নিয়ে পরিষদে এসে জাহিদুল ইসলাম নামের এক সদস্যকে মারপিট সহ অন্য সদস্যদের লাঞ্চিত করেন। এই ঘটনায় আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছি।
সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আলমগীর হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, আমি হজ্বে যাওয়ার সময় রেজুলেশন করে আব্দুর রাজ্জাককে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। ফিরে এসে আর রেজুলেশন করে দায়িত্ব বুঝে নেই নাই। তবে ফিরে আসার পর আমি অটো ভাবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাবো। আমি সন্ত্রাসী বা অস্ত্র মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিও না। আমি কারো কাছ থেকে চাঁদা নেই না। আমার কাছে কেউ জিম্মি না।
















