নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আপনার যখনি মনে হবে তখনি আপনি একটি হোটেল-রেস্তরাঁ খুলে বসতে পারেন। যা ইচ্ছে খাওয়াতে পারেন ভোক্তাদের। যেন দেখার কেউ নেই। নেই কোন নীতিমালার বালাই। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চোখে দেখেন না। এরকম অবস্থা পাগলাপীরসহ সদর উপজেলার বিভিন্নস্থানে। অবাধে বিক্রি হচ্ছে পচা-বাসি খাবার। যা খেয়ে পেটের পীড়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। ঢাকার হাজী ও নান্নার বিরিয়ানির নামে পরিবেশন করা হচ্ছে নিম্নমানের তিন চারদিনের পচা-বাসি খাবার। অধিকমূল্যে খাচ্ছেনও মানুষ। নিরবে ভুগছে নানাবিধ রোগে। জানানোর পর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলছেন, দ্রæত অভিযান চালানো হবে। পাগলাপীর বন্দরসহ সদর উপজেলাজুড়ে গড়ে উঠেছে বহু হোটেল-রেস্তরাঁ। যেগুলোতে প্রতিদিন খাবার খাচ্ছেন হাজারো মানুষ। কিন্তু কি খাচ্ছেন তারা? সরেজমিনে দেখা যায়, রেস্তরাঁর ময়লা আবর্জনার পাশে রান্নাঘরে চলছে রান্নাবান্না। আর ওই খাবারের ওপর মাছি উড়ে এসে বসছে। পরিবেশনের পরিবেশ নেই। ফ্রিজে জমিয়ে রাখা হয়েছে কয়েকদিনের পুরনো রান্না করা মাংস। যেগুলো প্রায় পচে গেছে। এ মাংসই গরম করে খাওয়ানো হবে ক্রেতাকে। শিঙ্গাড়া-সমুচা ভাজা হচ্ছে অনেকদিনের পোড়া তেলে। মিষ্টির দোকান গুলোতে নষ্ট মিষ্টি বিক্রি করার অভিযোগ পূরনো। রাজধানীর নামীদামী হাজীর বিরিয়ানি ও নান্না বিরিয়ানির নামের সাথে মিল রেখে বিরিয়ানির দোকান পরিচালনা করা হচ্ছে। খাবারের মান একেবারেই নেই বললেই চলে। শুধু তেল আর তেল। এসব বিরিয়ানি হাউজের হেঁসেল কিভাবে? কোথায় চলছে তা দেখার জন্য খুঁজলেও পাওয়া যায় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত এসব খাবার খেলে ভয়াবহ ক্রনিক রোগ হতে পারে। এসব অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে ক্যান্সার, আলসার, গ্যাষ্ট্রিকসহ নানা রোগ হতে পারে। খাবারে যে কাপড়ের রং ব্যবহার করা হচ্ছে তা আমাদের জন্য ক্ষতিকর।